Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে শেয়ার কারসাজির চাঞ্চল্যকর চিত্র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 78 বার

প্রকাশিত: April 11, 2011 | 12:12 PM

জাকির হোসেন/আনোয়ার ইব্রাহীম: শেয়ারবাজারে ধসের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি। কমিটি কয়েকজন বড় শেয়ার ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে। কিছুসংখ্যক বাজার খেলোয়াড় নিজেদের মধ্যে আঁতাত করে বড় অঙ্কের শেয়ার কিনে শেয়ারবাজারকে অতিমূল্যায়িত করেছেন। বাজারের অতি উত্থান এক সময়ে পতন ডেকে এনেছে। আঁতাতকারীরা এক পর্যায়ে দ্রুত শেয়ার বিক্রি করা শুরু করলে বাজারে ধস নামে। এছাড়া সেকেন্ডারি বাজারে আসার আগেই অনেক কোম্পানির শেয়ার প্রাইমারি শেয়ারবাজারে শক্তিশালী চক্রের হাতে পড়ে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়াম, প্লেসমেন্ট এবং বুকবিল্ডিং প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এর ফলে অনেক কোম্পানির শেয়ার দর বাজারে তালিকাভুক্তির আগেই যেমন অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়ে, তেমনি সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে শেয়ার দরবৃদ্ধিকেও প্রভাবিত করে। এক পর্যায়ে ভয়াবহ ধস নামে।
কমিটি বিস্ময়করভাবে আবিষ্কার করেছে, ২০০৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে যারা শীর্ষ খেলোয়াড় ছিল ২০১০ সালের প্রথম দুই মাসেরও শীর্ষ খেলোয়াড় ছিল তারাই।। এ সময়ে তারা শেয়ার কিনে দাম বাড়ানোর সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা সিন্ডিকেট করে শেয়ার ক্রয় ও দাম বাড়ানোর কাজ করতে পারে বলে অনুমান করেছে তদন্ত কমিটি। আইসিবির মতো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানও এ সিন্ডিকেটের সদস্য। ট্রিগার ক্রয়ে (বড় বিনিয়োগ) তারা অংশ নিয়েছিল। তদন্ত কমিটি মনে করে, আইসিবির অমনিবাস হিসাবগুলোর আড়ালে অনেক বড় পরিচয় গোপনকারী বাজার খেলোয়াড় রয়েছে, যার দায়-দায়িত্ব আইসিবি এড়াতে পারে না।তদন্ত প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট সময়ের বাজার খেলোয়াড়দের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন গোলাম মোস্তফা। ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে তিনি মোট ১৩১ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা করেন। এর পরের মাসে তিনি ছিলেন দ্বিতীয় অবস্থানে, লেনদেন করেন মোট ১৪০ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার। ওই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি ছিল শীর্ষ খেলোয়াড়দের তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে। প্রতিবেদনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি সাতটি অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে মোট ৪০০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। তবে আইসিবি এই দুই মাসে মোট এক হাজার কোটি টাকারও বেশি শেয়ার কিনেছে বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া একই ব্যক্তি (যেমন আবু সাদাত মোঃ সায়েম) একাধিক বিও হিসাবে শেয়ার ক্রয় করেছেন। অন্যান্য খেলোয়াড়ের মধ্যে রয়েছেন_ ইয়াকুব আলী খন্দকার, সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা, মোঃ খলিলুজ্জামান, মোঃ শহিদুল্লাহ, রেজাউল করিম, মোঃ ফজলুর রহমান, আরিফুর রহমান প্রমুখ। ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনের এক পর্যায়ে বলেছে, অতি উত্থান হলে পতন অনিবার্য। শেয়ার দর বৃদ্ধির শুরুতে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি শেয়ার কিনেছিল, তারাই সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে দরপতনের সময়।
তদন্ত কমিটি ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারিকে ‘ট্রিগার সেল’ তারিখ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ সময়ে লংকা-বাংলা সিকিউরিটিজ শেয়ার কেনার চেয়ে ৪৮ কোটি টাকার শেয়ার বেশি বিক্রি করে। এদিন প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৩৪ কোটি টাকার শেয়ার ক্রয় এবং ৮৪ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়। এক্ষেত্রে পরের অবস্থানে ছিল যথাক্রমে দি সিটি ব্যাংক (৩৪ কোটি), ব্র্যাক-ইপিএল (২১ কোটি), ট্রাস্টি সিকিউরিটিজ (১৮ কোটি), বিএলআই সিকিউরিটিজ (১৫ কোটি)। তদন্ত কমিটি মনে করে, এসব প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিশেষ যোগসাজশ থাকতে পারে এবং পারস্পরিক তথ্য বিনিময় ও মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে শেয়ারের বাজার দরকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু এ ধারণার পক্ষে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতে না পারায় একটি বিশেষ তালিকা করে। ওই তালিকার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনাবেচায় কোনো সম্পর্ক ছিল কি-না তা অধিকতর তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে।পারস্পরিক যোগসাজশে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি তদন্ত প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। যেমন জেড গ্রুপের চিটাগাং ভেজিটেবল অয়েল কোম্পানির শেয়ার দর ২০০৯ সালে ২৫১ শতাংশ (আড়াই গুণ) এবং ২০১০ সালে ৪১৪৮ শতাংশ (প্রায় সাড়ে ৪১ গুণ) বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বিচ হ্যাচারি, আফতাব অটোমোবাইলস, সাফকো স্পিনিং, অরিয়ন ইনফিউশন, পদ্মা সিমেন্ট, বেক্সিমকো টেক্সটাইল, সিএমসি কামাল, বিডি ওয়েন্ডিং, সিঙ্গার বাংলাদেশসহ জেড গ্রুপ ও দুর্বল মৌল ভিত্তির, দীর্ঘদিন উৎপাদন বা ব্যবসায় নেই এমন অনেক কোম্পানির শেয়ার দরও একই হারে বৃদ্ধি পায়। উলি্লখিত সময়ে বাজারের যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শেয়ার কেনাবেচায় সবচেয়ে সক্রিয় ছিল, তাদের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তারা সব ক্ষেত্রেই এসব দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচায় জড়িত ছিলেন। এ থেকে ধারণা করা হয়, প্রভাবশালী ও বাজার জুয়াড়িরা পারস্পরিক যোগসাজশসহ নানাভাবে মূল্য কারসাজির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালকদেরও জড়িত থাকা অসম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি। কমিটি বলেছে, তদন্ত কালের মেয়াদ অল্প হওয়ায় এসব বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। অধিকতর তদন্ত হলে, এসব বিষয়ে আইনে গ্রহণযোগ্য অভিযোগ দাঁড় করানো সম্ভব হবে।
তদন্ত কমিটি গোলাম মোস্তফা নামে এক বিনিয়োগকারী সম্পর্কে বাজার কারসাজির সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য পেয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার কেনার জন্য মোট ১৩টি ক্রয় আদেশ দেন এবং রহস্যজনক প্রক্রিয়ায় ১৩টি ক্রয় আদেশই প্রত্যাহার করেন। এভাবে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি ওই দিন সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার দর ১০০ টাকা বৃদ্ধি করান। এরপর ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারি গোলাম মোস্তফা ও তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার ইউনিয়ন ক্যাপিটালের সাত লাখ ৫২ হাজার ও আট হাজার শেয়ার ক্রয় করেন যথাক্রমে পিএফআই ও ওইফ্যাং সিকিউরিটিজের মাধ্যমে। একই সময়ে গোলাম মোস্তফা ওই দুই ব্রোকারেজ হাউসের অন্য দুটি বিও হিসাব থেকে মোট ৬ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ শেয়ার ক্রয় করেন। একই দিনে তিনি ওইফ্যাং সিকিউরিটিজ থেকে নাভানা সিএনজির ৩ লাখ ২ হাজার ৭০০ এবং তার স্ত্রীর সঙ্গে যৌথ বিও হিসাব থেকে পিএফআই সিকিউরিটিজ থেকে ৪ লাখ ২ হাজার শেয়ার বিক্রি করেন।
নিজেদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে দর বৃদ্ধি
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, শেয়ার মূল্য পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে বাজার কারসাজির হোতারা শেয়ার বিক্রি করে বড় ধরনের মুনাফা করে। এক্ষেত্রে পিপলস লিজিং কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনজনিত সময়ের শেয়ার কেনাবেচায় সিন্ডিকেট করেন সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা এবং তার সহযোগীরা, রাশেদা আক্তার মায়া ও হাবিবুর রহমান (সিরাজুদ্দৌলার বিও হিসাবের পরিচয়দানকারী)। তারা সবাই পিএফআই সিকিউরিটিজ থেকে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ৩ লাখ ৪ হাজার টাকার শেয়ার কেনেন। আবার ৪ নভেম্বরের মধ্যে সব শেয়ার ৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকারও বেশি মূল্যে বিক্রি করেন। প্রাইম ব্যাংক থেকে সিন্ডিকেট করেছেন ইয়াকুব আলী খন্দকার। তিনি তার মেয়ে সারাহ খন্দকার ও ভাই ইয়াসি খন্দকারের মাধ্যমে একই বছরের পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার থেকে ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার কেনেন এবং কয়েক দিনের মধ্যে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেন। একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে আনোয়ার খান মডার্ন হসপিটাল, মডার্ন ফার্মা, হাজী শাখাওয়াত আনোয়ার চক্ষু হাসপাতালের বিরুদ্ধে, যার মালিক আনোয়ার হোসেন খান।
বাজারে শেয়ার আসার আগে বাণিজ্য
তদন্ত কমিটি এসইসির নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে তার স্ত্রী রোখসানা আখতারের নামে করা ৪টি বিও হিসাবের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচার প্রমাণ পেয়েছে। শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক শেয়ার কেনাবেচার প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে এক ধরনের অনৈতিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবসায়ী নূর আলী প্লেসমেন্টে সর্বোচ্চ ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কিনেছেন। এসব ঘটনাকে তদন্ত কমিটি অনৈতিক, অপ্রত্যাশিত এবং সুনির্দিষ্ট সিন্ডিকেশনের ফল বলে আখ্যায়িত করেছে। এসব ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির কিছু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সহায়তা ছিল বলে ধারণা করে তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটি বলে, প্লেসমেন্টে অধিক প্রিমিয়াম ধার্য করার মধ্য দিয়ে কৃত্রিমভাবে শেয়ার দর বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আইপিও মূল্য, তালিকাভুক্তির পর বাজারমূল্য বৃদ্ধির প্রচেষ্টা এবং একই গ্রুপের অন্যান্য কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়েছে। কমিটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্লেসমেন্ট বিষয়ে তথ্য-উপাত্তে দেখিয়েছে, আল আরাফা ব্যাংক ১০ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে ইউনিয়ন ক্যাপিটালের মার্চেন্ট ব্যাংক বিভাগের ১৯ জন বিনিয়োগকারীর মধ্যে (যাদের হিসাবে মাত্র দুটি ঠিকানা প্রদান করা হয়েছে) ১৯ কোটি টাকার ফান্ড অভিহিত মূল্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়।
ঋণকে শেয়ারে রূপান্তর
কোম্পানির পরিচালকদের নামে ঋণ দেখিয়ে ওই ঋণের টাকার সমপরিমাণ শেয়ার বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে কিনে নেন তালিকাভুক্ত কোম্পানি বেক্সিমকো টেক্সটাইল ও ফু-ওয়াং সিরামিক্সের পরিচালকরা। এক্ষেত্রে বেক্সটেক্স কোম্পানির পরিচালকরা প্রায় ১৯ কোটি ৮৫ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ৬৩৫ কোটি টাকা এবং ফু-ওয়াং সিরামিক্স ১০ লাখ ৭৭ হাজার শেয়ার বিক্রি করে ১০ কোটি ৭৭ লাখ টাকার মূলধন সংগ্রহ করে। এতে করে সংশ্লিষ্ট পরিচালকরা বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে শেয়ার কেনায় তারা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হন।
সন্দেহজনক কিছু লেনদেন : অধিকতর তদন্তের সুপারিশ
তদন্ত কমিটি ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১১ সালের জানুয়ারি সময়কালে কয়েকজন শীর্ষ শেয়ার বিক্রেতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ও শেয়ার বিক্রির তালিকা দিয়েছে। তাদের মধ্যে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা এবং রাশেদা আখতার মায়া নামে দুই বিনিয়োগকারীকে সম্ভাব্য কারসাজিকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা এই সময়কালে বিক্রি করেন ২৯০ কোটি টাকার শেয়ার। এছাড়া ওই সময়কালে যেসব বিনিয়োগকারীর হিসাব সম্পর্কে আরও তদন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন_ একেএম আরিফুর রহমান, আমির রেজওয়ানী, এলিজা রহমান, নূরজাহান হুদা, রেহানা খান মজলিস, নৃপেন চৌধুরী, সৈয়দ আবু জাফর, ইয়াকুব আলী খন্দকার, ড্রীমহোল্ডিং ও ড্রীমল্যান্ড হোল্ডিং। তাদের মধ্যে শেষের তিন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্ভাব্য সিন্ডিকেট হিসেবে শনাক্ত করেছে তদন্ত কমিটি।সমকাল

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV