রেমিটেন্সে যুক্তরাষ্ট্র সোনালী এক্সচেঞ্জের রেকর্ড
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বিশ্বস্ততার সাথে দ্রুততম সময়ে নামমাত্র ফি-ও বিনিময়ে রেমিটেন্স গন্তব্যে প্রেরণে রেকর্ড গড়লো নিউইয়র্কের সোনালী এক্সচেঞ্জ। একইসাথে লাভের ধারাতেও পুনরায় যুক্ত হলো বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান ‘সোনালী এক্সচেঞ্জ ইনক’। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর তারা নিউইয়র্ক, মিশিগান, নিউজার্সি এবং জর্জিয়ার মোট ১০টি শাখার মাধ্যমে ৮৭.১৫ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। প্রেরণকারির সংখ্যা হচ্ছে এক লাখ ২২ হাজার ৪৩১। গত বছর পাঠিয়েছিলেন এক লাখ ১১ হাজার ৬১ জন প্রবাসী ৭৫ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রেরণকারির সংখ্যা বেড়েছে ১১ হাজার এবং অর্থের পরিমাণও ১১ মিলিয়ন ডলার বেশি। শুধু তাই নয়, গত ৮ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও এক মিলিয়ন ডলার বেশি পাঠিয়েছেন।
নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সিইও এবং প্রেসিডেন্ট মো. জহিরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়ে আরও বলেন, সুখের বিষয় হচ্ছে আমরা আবারও লাভের ধারায় ফিরলাম। এজন্যে এ প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে সোনালী এক্সচেঞ্জ কষ্টার্জিত অর্থ স্বজনের কাছে প্রেরণে সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে চালু সোনালী এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে এ যাবত মোট ৩ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন আমেরিকার প্রবাসীরা। অর্থ প্রেরণের জন্যে আরও কটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায়। তবে সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রতি সকলেরই ভরসা বেশি। কারণ, নির্দিষ্ট সময়ে অঙ্গীকার অনুযায়ী পুরো অর্থ গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গন্তব্যে অর্থ প্রেরণে কোন অভিযোগ/সমস্যা নেই বললেই চলে। এজন্যে পুরো কৃতিত্ব অবশ্য ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার আর কারিগররা। দিন-রাতের ব্যবধান অনুযায়ী অর্থ পৌঁছছে প্রাপকের একাউন্টে।
সোনালী এক্সচেঞ্জ ফি নিচ্ছে নামমাত্র। এটিও সার্ভিসকে আরো বেশি প্রবাসীর কাছে সমাদৃত করেছে। ৫০০ ডলার পর্যন্ত মাত্র ২ ডলার ফি। ৫০১ থেকে এক হাজারের ফি ৪ ডলার, ১০০১ থেকে ২০০০ ডলারের ফি ৬ ডলার এবং ২০০১ ডলারের ওপর যত ডলারই হউক তার ফি মাত্র ৮ ডলার।
অর্থ প্রেরণই শুধু নয়, সোনালী এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে একাউন্ট খোলার ব্যাপারেও প্রবাসীদের সহযোগিতা দিচ্ছেন। ডিপিএস নিয়ে সমস্যা হলে তার সমাধান কিংবা কেউ যদি ডিপিএস ভাঙ্গিয়ে সমুদয় অর্থ যুক্তরাষ্ট্রে আনতে চায়, সে সহযোগিতাও দেয়া হচ্ছে। বিনিয়োগের পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি কার কাছে দরখাস্ত দিতে হবে-সে সব তথ্যও জানানো হচ্ছে। অনেক প্রবাসী ক্রয়কৃত বন্ড ভাঙ্গিয়ে কিংবা ফিক্স ডিপজিট ভাঙ্গিয়ে অর্থ আনতেও সোনালী এক্সচেঞ্জের পরামর্শ পাচ্ছেন। অর্থাৎ বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির সাথে সঙ্গতি রেখে সোনালী এক্সচেঞ্জের সিইওসহ অপর কর্মকর্তারাও নিঃস্বার্থভাবে প্রবাসীদের পাশে অবস্থান নিয়েছেন। এনআরবি নিউজ
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








