মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের গাঁথা লিখে চলেছেন সাংবাদিক মনিজা রহমান
আকবর হায়দার কিরন : আমাদের মুক্তিযুদধের বীর সেনাদের অসাধারন সব গাঁথা নিয়মিত লিখে চলেছেন সাংবাদিক মনিজা রহমান। তাঁর চমৎকার লেখা ও প্রকাশ ভংগি পাঠকদের বিশেষভাবে আকৃসট করে। নিউইয়রক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বাঙালির পাঠকদের কাছে প্রতি শনিবারের অন্যতম পাঠের খোরাক মনিজা রহমানের এইসব লেখা। স্বাধীন বাংলা বেতারের কন্ঠযোদধা এবং সবার পরম শ্রদ্ধার পাত্র শহীদ হাসান মনিজার লেখা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে আমাকে বলেন, মেয়েটি কি চমৎকার করে আমার কতো অজানা কথা গল্পের মতো করে উপস্থাপন করেছে।

ড. নুরান নবী, রথীন্দ্রনাথ রয়, কাদেরী কিবরিয়া, ড. জিয়াউদদিন আহমেদ, তাজুল ইমাম সহ আরও অগুনতি মুক্তিযোদধার রোমহরষক সব কাহিনী খুব সাবলীল ভায়ায় লিখে মনিজা রহমান উপহার দিয়েছেন পাঠকদের। কেন জানি আজ মন চাইলো লেখক মনিজা রহমানকে নিয়ে কিছু লিখতে। বাংলাদেশে গত দুই দশকের অত্যন্ত সক্রিয় এবং সুপরিচিত স্পোর্টস জার্নালিস্ট ও লেখক মনিজা রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্নের পর সাংবাদিকতাকেই বেছে নেন পেশা হিসাবে।

ছোট বেলা থেকেই তিনি প্রগতিশীল সংগঠন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে ব্যাপকভাবে যুক্ত। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কন্ঠশীলন, ছায়ানট ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সাথে যুক্ত বহুদিন ধরে। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পোর্টস রিপোর্টার ও প্রথম নারী স্পোর্টস এডিটর। দীর্ঘদিন জনকন্ঠ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভিতে কাজ করেছেন।

পেশাগত কাজে ঘুরেছেন বহুদেশে। একজন মূলধারার লেখক হিসাবে ডজনখানেক বইয়ের রচয়িতা তিনি । তার বাবা মরহুম মহিত সরদার মুক্তিযুদ্ধের সময় পিরোজপুর মহাকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। অতীতে ছাত্রলীগ নেতা হিসাবে তিনি বাগেরহাট পিসি কলেজের ভিপি ছিলেন।

এছাড়া ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্পোর্টস ক্লাব “ইস্ট এন্ড ক্লাব” এর দীর্ঘকাল সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। মনিজার বড় ভাই ফারুক সরদার এখনো পিরোজপুর আওয়ামী লীগের নেতা এবং দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর বারের সভাপতি। তার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত।

তার স্বামী বাংলাদেশের সুপরিচিত তরুন সাংবাদিক মনির হায়দার। আমেরিকায় আসার আগে তিনি ইত্তেফাকের সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন। এছাড়া দীর্ঘদিন জনকন্ঠ, ভোরের কাগজ ও যায়যায়দিনে সাংবাদিকতা করেছেন। তিনি কোনো দলীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত নন। তবে অরাজনৈতিক সিভিল সোসাইটি মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর নির্বাহী সদস্য। সেই কারণে তিনি হয়তো সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সমালোচনা করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ জন্য মনিজা রহমানের কোনো দায় থাকতে পারে না।

এছাড়াও মনিজা রহমান মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের স্থায়ী সদস্য্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সদস্য। একাধিক দফায় বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনেরও নেতৃত্ব দিয়েছেন।

মনিজা রহমান প্রথম আলোর উত্তর আমেরিকা সংস্করণের বিভাগীয় সম্পাদক হিসেবেও অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করেন। একটি স্পেশাল সন্তানের মা হলেও তিনি যেভাবে প্রবাসের সাহিত্য সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার প্রানশক্তি হিসেবে অত্যন্ত সক্রিয় তা ভাবতে গেলে অবাক লাগে। মনিজা রহমান বয়সে আমার অনেক অনেক ছোট। কিনতু তার কাজকর্ম আমাকে তার প্রতি সবসময় করে আছে পরম শ্রদ্ধাশীল।
- যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতর ২০ মার্চ শুক্রবার
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি








