Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করা যাবে না : নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 8 বার

প্রকাশিত: May 16, 2011 | 7:48 AM

 এনা : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় কোন ধরনের বিক্ষোভ-সমাবেশ অথবা কালো পতাকা প্রদর্শন করবে না যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ বিরোধী দলীয় নেতাকে এয়ারপোর্টে কাল পতাকা প্রদর্শন কিংবা বেগম জিয়ার সংবর্ধনা স্থলের বাইরে বিক্ষোভসহ সব ধরনের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে বলে ১৫ মে রোববার দুপুরে (বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর রাত) নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ব্যানারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

 

এ সময় আরো বলা হয়, তবে ই-মেইল, ফ্যাক্স, টেলিফোন এবং ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাতের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবহিত করা হবে বেগম খালেদা জিয়া ও তার দুই পুত্রের অপকর্মের কাহিনী। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে সরকারের বিরুদ্ধে অনর্গল মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন এই ভেবে, যে কোন উপায়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারলে তার দুর্নীতিবাজ দুই পুত্র, তার দুর্নীতিবাজ মন্ত্রি পরিষদ এবং যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আরো দাবি করা হয়, তিনি ভুলে গেছেন তার দুই পুত্রের দুর্নীতি ও রাষ্ট্রের টাকা বিদেশে পাচারের তথ্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে। এমনকি কোকোর দুর্নীতির ফাইল জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তরে রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, ওবামা প্রশাসন অথবা হিলারী ক্লিনটনের কাছে নালিশ করে যদি ফায়দা হতো তাহলে ড. মুহম্মদ ইউনূসকে পুনর্বহাল করা হতো। ড. ইউনূসের ঘটনাতেই প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কারো ধমকে অন্যায় অপকর্মে লিপ্ত হয় না। বেগম জিয়া বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যত মিথ্যাচারই করুন না কেন কোন ফায়দা হবে না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। একাত্তরের ঘাতকদের বিচার হবেই। সংবাদ সম্মেলনের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আওয়ামী লীগ নেতা ও বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আকতার হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক আবুল কাশেম, শিক্ষা সম্পাদক শামসুদ্দিন আজাদ এবং নির্বাহী সদস্য আব্দুস সামাদ আজাদ। এ সময় হোয়াইট হাউজ, স্টেট ডিপার্টমেন্ট, ক্যাপিটল হিল, জাতিসংঘ, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী, বৃটিশ বিরোধী দলীয় নেতাসহ ইউরোপিয় ইউনিয়নে বেগম জিয়াকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের পৃষ্টপোষক, বাংলা ভাইয়ের হত্যাযজ্ঞের মদদদাতা, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের উপর হামলা-নির্যাতনের মদদদাতা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া এবং আহসানউল্লাহ মাস্টার এমপিসহ আওয়ামী লীগের ২৪ সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে খুনের মদদদাতা, পিলখানা হত্যাযজ্ঞের নির্দেশদাতা, গণতন্ত্র এবং মানবতার শত্রু হিসেবে অভিহিত করে প্রদত্ত ই-মেইলের কপি বিতরণ করেন ড. সিদ্দিকুর রহমান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ৬ দিনের সফরে ২১ মে বিকেলে নিউইয়র্কে আসছেন বেগম খালেদা জিয়া। এ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সমন্বয়কারী আব্দুর রহিম বাদশা মিডিয়ার মাধ্যমে ঘোষণা দেন যে যেখানে খালেদা-সেখানেই প্রতিরোধ কর্মসূচি পালিত হবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যৌথ উদ্যোগে। সে কর্মসূচির সাথে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কোন সম্পর্ক নেই এ কথা বলার জন্যেই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে আরো বলা হয় যে, ১৮ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কানাডায় আসছেন। সেখানে যাবেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির দুইগ্রুপে তুমুল উত্তেজনা চলছে। একই সময়ে পৃথক স্থানে দুটি মিলনায়তন ভাড়া করা হয়েছে এবং গণসংবর্ধনার জন্যে দুটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একটির সদস্য সংখ্যা ৫০১ এবং অপরটির সদস্য সংখ্যা ৪২৫ জন। অর্থাৎ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটি, জাসাসের সক্রিয় নেতা-কর্মীর কেউই বাদ পড়েননি সংবর্ধনা কমিটি থেকে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রদূত শমসের মোবিন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে গঠিত গণসংবর্ধনা কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ডা, মুজিবর রহমান মজুমদার এবং বেলাল মাহমুদ। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট এবং সেক্রেটারী মোস্তফা কামাল পাশা বাবুলের সার্বিক তত্তাবধানে গঠিত সংবর্ধনা কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ডা. চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান এবং আকতার হোসেন বাদল। জেএফকে এয়ারপোর্ট এবং সংবর্ধনা স্থলে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ যদি না হয়, তবুও তুমুল মারপিটের আশংকা করা হচ্ছে বিএনপির দুইগ্রুপের মধ্যে। এ অবস্থার অবসানে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের বিকল্প নেই বলে সুধিজন মনে করছেন। 

 
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV