Sunday, 15 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ারে হামলার ১৮ বছর, ৬ বাংলাদেশিসহ হতাহতদের স্মরণ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 193 বার

প্রকাশিত: September 12, 2019 | 2:15 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : ৯/১১ এ সন্ত্রাসী হামলার ১৮ বছর পূর্তি হলো ১১ সেপ্টেম্বর বুধবার। এ উপলক্ষে নিউইয়র্ক সিটির গ্রাউন্ড জিরোতে স্মরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নিউইয়র্ক এবং নিউজার্সীর স্টেট গভর্নর, নিউইয়র্ক সিটির মেয়রসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন। টুইন টাওয়ারে নিহতদের নাম উচ্চারণ পর্বে সকলেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। নিহতদের স্বজনেরা ছিলেন। এ উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা-ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয় সিটিতে। একইসাথে পেনসিলভেনিয়া, পেন্টাগণে ধসে যাওয়া স্থলেও শোক-সমাবেশ হয়। এ উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যে কোন ধরনের সন্ত্রাস নির্মূলে তার দৃঢ় অঙ্গীকারের পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসের কাছে আমেরিকা কখনোই মাথা নত করবে না। 

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ট্যুইন টাওয়ার ধ্বংস হবার সাথে সাথে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় ৬ বাংলাদেশিসহ ২৯৮৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৮৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহতরাও রয়েছেন। নিহত বাংলাদেশিরা হলেন মুক্তাগাছার নূরল হক মিয়া এবং তার স্ত্রী মৌলভীবাজারের শাকিলা ইয়াসমীন, সুনামগঞ্জের সাব্বির আহমেদ, কুমিল্লার মো. শাহজাহান, সিলেটের সালাহউদ্দিন চৌধুরী এবং নোয়াখালীর আবুল কে চৌধুরী।  উল্লেখ্য, ব্রুকলীনের যেখানে শাকিলা-নূরল হক দম্পতি বাস করতেন, সেই সড়কের একটি অংশের নামকরণ করা হয়েছে ‘শাকিলা-নূরল হক ওয়ে’। এছাড়া, নিহত অন্যদের নামে নিউইয়র্কে আর কিছু করার তথ্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলাতেও শাকিলার নামে একটি গুচ্ছগ্রাম হয়েছে। নিউইয়র্কে ডাইভার্সিটি প্লাজা এবং জ্যামাইকায় হিলসাইড এভিনিউতে স্টার কাবাবের সামনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন এবং র‌্যালির মধ্যদিয়ে ৯/১১ এর ভিকটিমদের স্মরণের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরব থাকার আহবান জানানো হয়। স্টার কাবাবের সামনের কর্মসূচিতে নিউ আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ক্লাব, জ্যামাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটি। নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন নিউ আমেরিকান উইমেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট রুবাইয়া রহমান, নিউ আমেরিকান ইয়ুথ ফোরামের প্রেসিডেন্ট আহনাফ আলম, নিউ আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা-প্রেসিডেন্ট মোর্শেদ আলম, জ্যামাইকা ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, কম্যুনিটি এ্যাক্টিভিস্ট ফখরুল আলম, স্বীকৃতি বড়–য়া, হায়দার আলী, ফাহিম রেজা নূর, শিরিন কামাল, শায়লা আজিম, মনিরুল ইসলাম, রুমানা জেসমীন প্রমুখ।   অপরদিকে, ডাইভার্সিটি প্লাজার র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন ইমাম কাজী কায়্যুম। এ সময় কারবালা থেকে গ্রাউন্ড জিরো এবং সর্বশেষ কাস্মীরে সন্তাসেরও নিন্দা করা হয়। সকল সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বমানবতাকে জাগ্রত থাকার আহ্বান জানানো হয়।   

গ্রাউন্ড জিরোতে ১৭৭৬ ফুট উঁচু (১০৪ তলা) ফ্রিডম টাওয়ার নির্মাণের কাজ শেষ । এর ৫৫ তলার উপরের অংশে সন্ত্রাসী হামলায় নিশ্চিহ্ন হওয়া ট্যুইন টাওয়ারের আদলে ফ্রিডম টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। কোন ভয়-ভীতির কাছেই আমেরিকা মাথা নত করে না এটি তারই প্রকাশ ঘটাচ্ছে। 

এবারের স্মরণ ও শ্রদ্ধাঞ্জলি সমাবেশ হয় ল’য়্যার ম্যানহাটানে ৯/১১ মেমরিয়াল প্লাজার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে। অংশগ্রহণ করেন নিহতদের স্বজনেরা। তারাই পাঠ করেন দীর্ঘ এ তালিকা। সে সময় মোট ৬ বার নীরবতা পালন করা হয়। টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলা, টাওয়ার ধসে পড়া এবং পেন্টাগণ ও পেনসিলভেনিয়ায় হামলার সময়ে। নিরবতা পালনের প্রথম সময়সূচি ছিল ৮টা ৪৬ মিনিটে এবং কর্মসূচি শেষ হয় বেলা সাড়ে ১২টায়। এতে বাংলাদেশি ভিকটিমদের স্বজনেরাও ছিলেন।
এবারও ‘৪ মাইল উচ্চতায় বিস্তৃত ট্যুইন টাওয়ারের আদলে আলোক রশ্মির মাধ্যমে ৯/১১ এর ভিকটিমদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলির আয়োজনে সহায়তা দিচ্ছে নিউইয়র্কের কার্নেগী কর্পোরেশন। গ্রাউন্ড জিরো সংলগ্ন ব্যাটারি পার্ক গ্যারেজ সাউথে ৪৮ বর্গফুট বিশিষ্ট দুটি আলোকরশ্মি তৈরির জন্যে ৮৮টি বাল্ব ব্যবহার করা হয়, যেগুলোর প্রতিটি হচ্ছে ৭ হাজার ওয়াটের জিনোন লাইট। ৬০ মাইল দূর থেকেও এ আলোকরশ্মি প্রত্যক্ষ করা যায়। মিউনিসিপ্যাল আর্ট সোসাইটি এবং ক্রিয়েটিভ টাইম ৫ ডিজাইনার দিয়ে এই ‘ট্রিবিউট ইন লাইট’ তৈরি করেছে। ডিজাইনাররা হলেন জন বেনেট, গুস্তাভো বনেভারডি, রিচার্ড ন্যাশ গোল্ড, জুলিয়ান লাভেরডিয়েরে এবং পোল মায়োডা। এনআরবি নিউজ

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV