বিএনপি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করবে না-নিউইয়র্কে খালেদা জিয়া
ইব্রাহীম চৌধুরী: বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, বিএনপি কোনো দলীয় সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। তিনি নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ করার এবং নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানান।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে প্রবাসীদের দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনায় খালেদা জিয়া এ কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী।
খালেদা জিয়া স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, তাঁর দল সদ্য বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নেবে না। তিনি দেশে ফিরেই মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান।
সংবর্ধনা উপলক্ষে নিউইয়র্কে হোটেল শেরাটনে দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ প্রবাসীরা ভিড় জামায়। খালেদা জিয়া তাদের উদ্দেশে দেড় ঘণ্টা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের হাতে গণতন্ত্র কখনো নিরাপদ নয়।’ শহীদ জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘শহীদ জিয়াই বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।’ স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারতের শৃঙ্খলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সংসদকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপিও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। তবে সে বিচার করতে হবে আইনের যথাযথ পরিবর্তন করে। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘নিজেদের দলে ও পরিবারে যেসব যুদ্ধাপরাধী আছে তাদেরও বিচার করুন।’
খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপিকে ধ্বংস করার চক্রান্ত আগে থেকেই শুরু হয়েছে। চক্রান্তের অংশ হিসেবেই ‘ওয়ান ইলেভেন’-এর ঘটনা ঘটে। তিনি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদ ও সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের তীব্র সমালোচনা করেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন অভিযোগ করেন, ‘সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে সংসদকে অকার্যকর করে রেখেছে। জাতীয় সংসদ এখন সার্বভৌম নয়, সংসদে বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া হয় না। সংসদের বাইরে মুক্তাঙ্গনেও জনগণের কথা বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশে এখন কার্যত একদলীয় শাসন চলছে। সরকারের ছত্রছায়ায় মামলা, হামলা আর টেন্ডারবাজি চলছে। দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শেয়ারবাজার লুটপাটের নামে ধস নামানো হয়েছে।’ এসব ব্যর্থতার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে দায়ী করে তিনি অবিলম্বে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে প্রবাসীদের দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনায় খালেদা জিয়া এ কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী।
খালেদা জিয়া স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, তাঁর দল সদ্য বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নেবে না। তিনি দেশে ফিরেই মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান।
সংবর্ধনা উপলক্ষে নিউইয়র্কে হোটেল শেরাটনে দলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ প্রবাসীরা ভিড় জামায়। খালেদা জিয়া তাদের উদ্দেশে দেড় ঘণ্টা বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের হাতে গণতন্ত্র কখনো নিরাপদ নয়।’ শহীদ জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘শহীদ জিয়াই বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন।’ স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারতের শৃঙ্খলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, সংসদকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করা হয়েছে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপিও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। তবে সে বিচার করতে হবে আইনের যথাযথ পরিবর্তন করে। আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘নিজেদের দলে ও পরিবারে যেসব যুদ্ধাপরাধী আছে তাদেরও বিচার করুন।’
খালেদা জিয়া বলেন, বিএনপিকে ধ্বংস করার চক্রান্ত আগে থেকেই শুরু হয়েছে। চক্রান্তের অংশ হিসেবেই ‘ওয়ান ইলেভেন’-এর ঘটনা ঘটে। তিনি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দীন আহমদ ও সাবেক সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের তীব্র সমালোচনা করেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন অভিযোগ করেন, ‘সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে সংসদকে অকার্যকর করে রেখেছে। জাতীয় সংসদ এখন সার্বভৌম নয়, সংসদে বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া হয় না। সংসদের বাইরে মুক্তাঙ্গনেও জনগণের কথা বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশে এখন কার্যত একদলীয় শাসন চলছে। সরকারের ছত্রছায়ায় মামলা, হামলা আর টেন্ডারবাজি চলছে। দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শেয়ারবাজার লুটপাটের নামে ধস নামানো হয়েছে।’ এসব ব্যর্থতার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে দায়ী করে তিনি অবিলম্বে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শরাফত হোসেন বাবু, হাজী সোলায়মান ভুঁইয়া, জিল্লুর রহমান জিল্লু, তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটির চেয়ারপারসন আকতার হোসেন বাদল, কানাডা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়সাল চৌধুরী, বিএনপি নেতা ডা. চৌধুরী সারোয়ার হাসান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সহসভাপতি হযরত আলী, কোষাধ্যক্ষ জসীম ভুঁইয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল। সমাবেশের উপস্থাপনা করেন সংবর্ধনা উপকমিটির সদস্য সচিব বেলাল মাহমুদ এবং যুক্তরাষ্ট্র জাতীয়তাবাদী ফোরামের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম। মিলনায়তন ভর্তি লোক সমাগমে অনুষ্ঠিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, জাসাস, তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটি, বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী ফোরাম, ফ্লোরিডা বিএনপি, নিউ ইংল্যান্ড বিএনপি, মিশিগান বিএনপি, টেক্সাস বিএনপি, সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা বিএনপির পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সংবর্ধনা স্থলসংলগ্ন সড়কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ ও কালো পতাকা প্রদর্শন করেন।
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








