Friday, 13 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে নাটোর জেলা সমিতি ইউএসএ’র উৎসবমুখর পিঠা উৎসব (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 175 বার

প্রকাশিত: February 10, 2020 | 2:24 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রবাসের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন নাটোর জেলা সমিতি ইউএসএ’র পিঠা উৎসব। গত ৮ ফেব্রুয়ারী শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি হলে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এ পিঠা উৎসব। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রাম বাংলার এ পিঠা উৎসবে রকমারী পিঠা ছাড়াও ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বিপুল সংখ্যক প্রবাসী নাটরবাসী পিঠা নিয়ে উপস্থিত হন উৎসব হলে। পুরো আয়োজন জুড়ে সৃষ্টি হয় ভিন্ন এক আমেজ। অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় নাটোর জেলাবাসীর মিলন মেলায়। আবহমান গ্রাম বাংলার সংস্কৃতির জয়গান প্রতিধ্বনিত হয় চমৎকার এ আয়োজনে। এ দিন সন্ধ্যে ৫টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চলে এ পিঠা উৎসব। ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. আবদুল লতিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ এন মজুমদার, বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সভাপতি পদপ্রার্থী কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।

নাটোর জেলা সমিতি ইউএসএ’র আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সাবেক প্রচার সম্পাদক হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোতাহার হোসেন, মেজর (অব) ফরিদ আহমেদ, বৃহত্তর রাজশাহী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট কামরুজ্জামান বাবু এবং মো. আক্কাস আলী, উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, প্রধান সমন্বয়কারী মো. সেলিমুজ্জামান, সদস্য সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক ইমতিয়াজ বিজয়, যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মুক্তার আলী,

সমন্বয়কারী মো. জুয়েল, বর্ণমালা সম্পদক মাহফুজুর রহমান, সাংবাদিক মনোয়ারুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠক আলমগীর খান আলম, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট কফিল চোধুরী, এ ইসলাম মামুন, শাহিন আলম, মোহাম্মদ এম হামিদ, মাহফুজা পারভীন মলি, মিজানুর রহমান মিলন, আসাদুজ্জামান রিপন, সোহেল রানা, মাসুদ রানা, ফিরোজা ইয়াসমিন নীলা, ওবায়দুল ইসলাম, আবদুল্লাহ মামুন, শাহানাজ পারভিন, মোহাম্মদ ইদ্রিস, শাহানুর রহমান শাওন, কামাল হোসেন, শাহিন আলম, প্রদিপ, ইমতিয়াজ আহম্মেদ, মীম, সাইফুল ইসলাম, মোঃ সুমন, দেলোয়ার হোসেন, বন্দনা রানী, মো. ওবিন, মোশররফ হোসেন হাওলাদার, লিয়াকত খান, রামদাস গোস্বামী, রফিকুল ইসলাম গৌউস, আসাদুজ্জামান, মুজিব উদ্দিন জেন্টু, রাজ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন নিহাল মাসনুন। বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে আহ্জায়ক কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।

পিঠা উৎসবে শোভা পাচ্ছিল পাটিসাপ্টা, ভাপাপিঠা, তেলে পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, পাকুন পিঠা, মাংশের পিঠা, নারিকেল পুলি, নিমকি, সাবুদানার, ডালপুরি সহ নানা রকম পিঠার বিপুল সমাহার। আয়োজকদের বাসায় তৈরী বাংলার ঐতিহ্যবাহী নানান আকৃতি, নানান স্বাদ আর রঙের এসব পিঠা অতিথিদের জন্যে ছিল ফ্রী।

এক পর্যায়ে সংগঠনের কর্মকর্তারা অতিথিদের সাথে নিয়ে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন। পরে সকলকে আপ্যায়িত করা হয় সুস্বাদু পিঠা দিয়ে।

উৎসবের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন হাসিনা হোসেন, গাজ্জালা হোসেন, সাজেদা খাতুন, দিলরুবা নূর, জলি হোসেন, মিসেস আলম, নার্গিস পারভিন, সালমা জাহান লিপি, মাহফুজা পারভীন মলি, লাভলী পারভীন, আফরোজা সুলতানা নূপুর, সাদিয়া কেয়া, আলেয়া ফেরদৌস মিম, সুরাইয়া সুমা, তানভি রহমান, শারমিন আফরো নিপা এবং কানিজ ফাতেমা বৃষ্টি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পিঠা উৎসব বাঙালীর হাজার বছরের সংস্কৃতির অংশ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম জানবে বাঙালী সংস্কৃতিকে। এধরনের উৎসব আমাদের মন প্রাণ বাঙালীত্বের আমেজে ভরে দেয়। সুযোগ করে দেয় প্রবাস প্রজন্মকে বাংলাদেশের কৃষ্টি-কালচারের সাথে পরিচিত হবার। দেয় শেকড়ের সন্ধান। বক্তারা বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম মূলধারার সাথে মিশে গেলেও বাঙালী সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে এধরনের উৎসব বড়ই প্রয়োজন।

সাংস্কৃতিক পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী মনিকা দাস, হেলাল উদ্দিন, মিনি, ওয়াসী। নৃত্যে ছিলেন কানিজ ফাতেমা মুমু ও মালিয়া সোবহা। শিল্পীদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা গভীর রাত পর্যন্ত দর্শক-শ্রোতারা দারুণভাবে উপভোগ করেন।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV