Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

৪ কারণে ওবামা ফের নির্বাচিত না-ও হতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 187 বার

প্রকাশিত: June 27, 2011 | 6:00 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী বছর। ওই নির্বাচনে ফের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কিন্তু ওই নির্বাচনে তার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কতখানি তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানামুখী বিশ্লেষণ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, আগামী নির্বাচনে বারাক ওবামার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি পরাজিত হতে পারেন। এ জন্য পত্রিকাটি ৪টি কারণ উল্লেখ করেছে। তা হলো- এক. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি খুব দুর্বল। তা আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে সতেজ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা খুব কম। দুই. তার মূল ভোটাররা তার প্রতি বিরক্ত। তিন. তিনি জনপ্রিয়তা নেই এমন নীতির পক্ষ অবলম্বন করেছেন। চার. খারাপ কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২২শে জুন প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের লেখক কার্ল রোভ। তিনি লিখেছেন, অর্থনীতির কথাই ধরা যাক। যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার শতকরা ৯ দশমিক ১ ভাগ। ১ কোটি ৪০ লাখ মার্কিনীর কাজ নেই। বেকারদের অর্ধেকের বেশির কোন কাজ নেই ৬ মাসের বেশি সময়। কিন্তু ওবামা এর চেয়ে ভাল কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি তেজোদ্দীপ্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন- ওই বছরের গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ বেকারত্বের হার শতকরা ৮ ভাগে নেমে যাবে। আর বর্তমানে তা মোটামুটি শতকরা ৬ দশমিক ৮ ভাগ হওয়ার কথা ছিল। ব্লুমবার্গের এক জরিপে দেখা গেছে, আমেরিকানরা বিশ্বাস করেন, বারাক ওবামা যখন ক্ষমতা নেন তখনকার চেয়ে তারা এখন বেশি খারাপ অবস্থায় আছেন। দেশে বেকারত্বের হার শতকরা ৭ দশমিক ২ ভাগ থাকা সত্ত্বেও ১৯৩৬ সালে প্রেসিডেন্ট পুনঃনির্বাচিত হয়েছিলেন ফ্রাংকলিন দিলানো রুজভেল্ট। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান বেকারত্বের হার শতকরা ৭ দশমিক ২ ভাগ থেকে উতরে যেতে পেরেছিলেন। এতে বেকারত্বের হার নিম্নমুখী হয়েছিল নাটকীয়ভাবে। কারণ, ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে অর্থনীতিতে দ্রুতগতিতে অগ্রগতি হয়েছিল। পক্ষান্তরে, এখন ফেডারেল রিজার্ভ বলছে, এ বছর প্রবৃদ্ধি হবে শতকরা ৩ ভাগেরও কম। আগামী বছর তা হবে শতকরা ৩ দশমিক ৮ ভাগের নিচে। তাতে বেকারত্বের হার শতকরা ৭ দশমিক ৮ ভাগ থেকে নির্বাচনের দিন শতকরা ৮ দশমিক ২ ভাগে দাঁড়াবে। এছাড়া বারাক ওবামার নীতিগত দিক দিয়ে কিছু সমস্যা আছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ইসরাইলের প্রতি ওবামা যে নীতি গ্রহণ করেছেন তাতে ইহুদি ভোটাররা তার ওপর নাখোশ। বাম ধারার মতবাদ প্রকাশে ব্যর্থতার কারণে গত সপ্তাহে নেটরুটস সম্মেলনে বামপন্থি ব্লগাররা ওবামার ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন। ইহুদিদের দুর্বল সমর্থনের কমে কারণে ওবামার ফ্লোরিডার মতো রাজ্যগুলোতে জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে। বাম ধারার লোকজন তাকে ২০০৮ সালে সফলতা অর্জনে যে সমর্থন দিয়েছিলেন তারাও হতাশ। বারাক ওবামার জনসমর্থনও কমে গেছে। গ্যালাপের মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠান রিপোর্ট করেছে, বারাক ওবামার ক্ষমতা গ্রহণের সময় জনসমর্থন ছিল শতকরা ৬৭ ভাগ। কিন্তু তা এখন কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ৪৫ ভাগে। ২০০৯ সালের পর শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন পড়ে গেছে ২৫ পয়েন্ট, বয়স্ক ভোটারদের সমর্থন পড়ে গেছে ২৪ পয়েন্ট, নিরপেক্ষ ও কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের সমর্থন ২৩ পয়েন্ট করে কমে গেছে। নারীদের সমর্থন পড়ে গেছে ২১ পয়েন্ট, বিবাহিত যুগল ও যারা মাসে ২০০০ থেকে ৪০০০ ডলার উপার্জন করেন তাদের সমর্থন পড়ে গেছে ২০ পয়েন্ট। এসব ঘটনায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে উপশহর ও মধ্য আকৃতির কলোরাডো, ইন্ডিয়ানা, ওহাইও, পেনসিলভ্যানিয়া ও নেভাদার মতো স্থানে। এছাড়া আরও খবর আছে। ওবামার প্রতি তরুণ ভোটারদের সমর্থন কমে গেছে শতকরা ২২ ভাগ, ল্যাতিনোদের ক্ষেত্রে তা কমেছে ২০ পয়েন্ট। এমনকি বারাক ওবামাকে নিয়ে যেসব আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন ভোটাররা উচ্ছ্বসিত ছিলের তারা এখন অনেকটা চুপসে গেছেন।
তবে অনেক ভোটার এখনও বারাক ওবামাকে পছন্দ করেন। তারা এখনও ওবামার গৃহীত নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন। ১৩ই জুন এনবিসি/ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক জরিপে দেখা গেছে, বারাক ওবামা অর্থনীতিকে যেভাবে পরিচালনা করছেন তার বিরোধিতা করেন শতকরা ৫৬ ভাগ মানুষ। ঘাটতি নিয়ে তিনি যেভাবে নাড়াচাড়া করেছেন তা শতকরা ৫৯ ভাগ মানুষ অনুমোদন করেন না। এ অবস্থা দেখা গেছে ইকোনমিস্ট ও ইউগভ-এর গত ১৪ই জুনের জরিপে। বারাক ওবামার স্বাস্থ্য সংস্কার বিল পাস করার সময় তা যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এখন তা অনেকটাই কমে গেছে। পোলস্টার ডট কম-এর এক জরিপে দেখা গেছে, ২০১০ সালের মার্চে যখন স্বাস্থ্য সংস্কার বিল পাস হয়েছিল তখন শতকরা ৪১ ভাগ মানুষ তাতে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তা কমে শতকরা ৩৮ ভাগে দাঁড়িয়েছে।
বারাক ওবামা কৌশলগত বিরাট ভুল করেছেন। এ বছর তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্সির চেয়ে তার দরকার এখন অর্থ সংগ্রহ করা এবং সংশ্লিষ্টদের সংগঠিত করা। টিম ওবামা জিওপি বিরোধীদের আক্রমণ করে কথা বলছেন। রিপাবলিকানদের অপবাদ দিচ্ছে। আগে যারা আশা ও পরিবর্তনের স্লোগান দিয়ে জনমন জয় করেছিলেন তাদের এ বিষয়গুলো ভোটাররা লক্ষ্য করছে। মানবজমিন
 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ