Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

৪ কারণে ওবামা ফের নির্বাচিত না-ও হতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 157 বার

প্রকাশিত: June 27, 2011 | 6:00 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আগামী বছর। ওই নির্বাচনে ফের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কিন্তু ওই নির্বাচনে তার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কতখানি তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানামুখী বিশ্লেষণ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, আগামী নির্বাচনে বারাক ওবামার বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি পরাজিত হতে পারেন। এ জন্য পত্রিকাটি ৪টি কারণ উল্লেখ করেছে। তা হলো- এক. যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি খুব দুর্বল। তা আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে সতেজ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা খুব কম। দুই. তার মূল ভোটাররা তার প্রতি বিরক্ত। তিন. তিনি জনপ্রিয়তা নেই এমন নীতির পক্ষ অবলম্বন করেছেন। চার. খারাপ কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২২শে জুন প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের লেখক কার্ল রোভ। তিনি লিখেছেন, অর্থনীতির কথাই ধরা যাক। যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার শতকরা ৯ দশমিক ১ ভাগ। ১ কোটি ৪০ লাখ মার্কিনীর কাজ নেই। বেকারদের অর্ধেকের বেশির কোন কাজ নেই ৬ মাসের বেশি সময়। কিন্তু ওবামা এর চেয়ে ভাল কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি তেজোদ্দীপ্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন- ওই বছরের গ্রীষ্মের শেষ নাগাদ বেকারত্বের হার শতকরা ৮ ভাগে নেমে যাবে। আর বর্তমানে তা মোটামুটি শতকরা ৬ দশমিক ৮ ভাগ হওয়ার কথা ছিল। ব্লুমবার্গের এক জরিপে দেখা গেছে, আমেরিকানরা বিশ্বাস করেন, বারাক ওবামা যখন ক্ষমতা নেন তখনকার চেয়ে তারা এখন বেশি খারাপ অবস্থায় আছেন। দেশে বেকারত্বের হার শতকরা ৭ দশমিক ২ ভাগ থাকা সত্ত্বেও ১৯৩৬ সালে প্রেসিডেন্ট পুনঃনির্বাচিত হয়েছিলেন ফ্রাংকলিন দিলানো রুজভেল্ট। প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান বেকারত্বের হার শতকরা ৭ দশমিক ২ ভাগ থেকে উতরে যেতে পেরেছিলেন। এতে বেকারত্বের হার নিম্নমুখী হয়েছিল নাটকীয়ভাবে। কারণ, ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে অর্থনীতিতে দ্রুতগতিতে অগ্রগতি হয়েছিল। পক্ষান্তরে, এখন ফেডারেল রিজার্ভ বলছে, এ বছর প্রবৃদ্ধি হবে শতকরা ৩ ভাগেরও কম। আগামী বছর তা হবে শতকরা ৩ দশমিক ৮ ভাগের নিচে। তাতে বেকারত্বের হার শতকরা ৭ দশমিক ৮ ভাগ থেকে নির্বাচনের দিন শতকরা ৮ দশমিক ২ ভাগে দাঁড়াবে। এছাড়া বারাক ওবামার নীতিগত দিক দিয়ে কিছু সমস্যা আছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ইসরাইলের প্রতি ওবামা যে নীতি গ্রহণ করেছেন তাতে ইহুদি ভোটাররা তার ওপর নাখোশ। বাম ধারার মতবাদ প্রকাশে ব্যর্থতার কারণে গত সপ্তাহে নেটরুটস সম্মেলনে বামপন্থি ব্লগাররা ওবামার ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন। ইহুদিদের দুর্বল সমর্থনের কমে কারণে ওবামার ফ্লোরিডার মতো রাজ্যগুলোতে জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে। বাম ধারার লোকজন তাকে ২০০৮ সালে সফলতা অর্জনে যে সমর্থন দিয়েছিলেন তারাও হতাশ। বারাক ওবামার জনসমর্থনও কমে গেছে। গ্যালাপের মতো বৃহৎ প্রতিষ্ঠান রিপোর্ট করেছে, বারাক ওবামার ক্ষমতা গ্রহণের সময় জনসমর্থন ছিল শতকরা ৬৭ ভাগ। কিন্তু তা এখন কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ৪৫ ভাগে। ২০০৯ সালের পর শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন পড়ে গেছে ২৫ পয়েন্ট, বয়স্ক ভোটারদের সমর্থন পড়ে গেছে ২৪ পয়েন্ট, নিরপেক্ষ ও কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের সমর্থন ২৩ পয়েন্ট করে কমে গেছে। নারীদের সমর্থন পড়ে গেছে ২১ পয়েন্ট, বিবাহিত যুগল ও যারা মাসে ২০০০ থেকে ৪০০০ ডলার উপার্জন করেন তাদের সমর্থন পড়ে গেছে ২০ পয়েন্ট। এসব ঘটনায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে উপশহর ও মধ্য আকৃতির কলোরাডো, ইন্ডিয়ানা, ওহাইও, পেনসিলভ্যানিয়া ও নেভাদার মতো স্থানে। এছাড়া আরও খবর আছে। ওবামার প্রতি তরুণ ভোটারদের সমর্থন কমে গেছে শতকরা ২২ ভাগ, ল্যাতিনোদের ক্ষেত্রে তা কমেছে ২০ পয়েন্ট। এমনকি বারাক ওবামাকে নিয়ে যেসব আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন ভোটাররা উচ্ছ্বসিত ছিলের তারা এখন অনেকটা চুপসে গেছেন।
তবে অনেক ভোটার এখনও বারাক ওবামাকে পছন্দ করেন। তারা এখনও ওবামার গৃহীত নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন। ১৩ই জুন এনবিসি/ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক জরিপে দেখা গেছে, বারাক ওবামা অর্থনীতিকে যেভাবে পরিচালনা করছেন তার বিরোধিতা করেন শতকরা ৫৬ ভাগ মানুষ। ঘাটতি নিয়ে তিনি যেভাবে নাড়াচাড়া করেছেন তা শতকরা ৫৯ ভাগ মানুষ অনুমোদন করেন না। এ অবস্থা দেখা গেছে ইকোনমিস্ট ও ইউগভ-এর গত ১৪ই জুনের জরিপে। বারাক ওবামার স্বাস্থ্য সংস্কার বিল পাস করার সময় তা যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল এখন তা অনেকটাই কমে গেছে। পোলস্টার ডট কম-এর এক জরিপে দেখা গেছে, ২০১০ সালের মার্চে যখন স্বাস্থ্য সংস্কার বিল পাস হয়েছিল তখন শতকরা ৪১ ভাগ মানুষ তাতে সমর্থন দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে তা কমে শতকরা ৩৮ ভাগে দাঁড়িয়েছে।
বারাক ওবামা কৌশলগত বিরাট ভুল করেছেন। এ বছর তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্সির চেয়ে তার দরকার এখন অর্থ সংগ্রহ করা এবং সংশ্লিষ্টদের সংগঠিত করা। টিম ওবামা জিওপি বিরোধীদের আক্রমণ করে কথা বলছেন। রিপাবলিকানদের অপবাদ দিচ্ছে। আগে যারা আশা ও পরিবর্তনের স্লোগান দিয়ে জনমন জয় করেছিলেন তাদের এ বিষয়গুলো ভোটাররা লক্ষ্য করছে। মানবজমিন
 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV