Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে প্রথম রোজা শুক্রবার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 111 বার

প্রকাশিত: April 23, 2020 | 12:36 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবে ২৪ এপ্রিল শুক্রবার প্রথম রোজা, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার প্রথম তারাবী। আজ ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রাত। এই রাতে প্রথম তারাবির নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। তবে যুক্তরাষ্টের বিভিন্ন মসজিদে ২৩ এপ্রিল তারাবি নামাজ শুরু হবে বলে ঘোষণা দেয়া হলেও কাউকে মসজিদে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মসজিদসমূহ থেকে সকল মুসল্লীকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে নিজ নিজ ঘরেই তারাবি আদায়ের জন্যে।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনার ভয়ংকর প্রকোপের কারণে তারাবি নামাজ সহ ইফতার পার্টির পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গতবছর নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, বস্টন, পেনসিলভেনিয়া, দেলওয়ারে, ম্যারিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, মিশিগান, শিকাগো, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, জর্জিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, আরিজোনা প্রভৃতি স্টেটে বাংলাদেশীদের পরিচালিত সাড়ে ৩ শতাধিক মসজিদে সকল মুৃসল্লীর মধ্যে ইফতার বিতরণের পর তারাবি নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাড়ে ৩ শতাধিক আঞ্চলিক-সামাজিক-পেশাজীবী-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু এবার কিছুই হবে না।

এদিকে সৌদি আরবের আকাশে বুধবার মাহে রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি। সেক্ষেত্রে আগামীকাল ৩০ দিন পূর্ণ হবে শাবান মাসের। অর্থাৎ শুক্রবার থেকে সৌদি আরবে শুরু হবে পবিত্র মাহে রমজান। সৌদি আরবে যেদিন রোজা শুরু হয় তারপর দিন বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশে রমজান মাস শুরু হয়। যেহেতু সৌদি আরবে ২৪ এপ্রিল রমজান মাস শুরু হবে সেক্ষেত্রে এ অঞ্চলে রোজা শুরু হবে ২৫ এপ্রিল।

এদিকে রমজানে সংক্ষিপ্ত পরিসরে তারাবির নামাজ আদায়ের অনুমতি দিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। বুধবার পবিত্র এই দুই মসজিদের প্রেসিডেন্সির পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে আগামী শনিবার-২৫ এপ্রিল শুরু হতে পারে পবিত্র মাহে রমজান। ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) রমজানের চাঁদ দেখা যাবে। যদিও ইসলামের যাবতীয় বিধান চাঁদ দেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত। চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে শরিয়ত নির্দেশিত সাক্ষীর কথা গ্রহণযোগ্য হয়। ফলে মুসলিম বিশ্ব চাঁদ দেখেই পালন করবেন পবিত্র রমজান মাসের রোজা। এটাই ইসলামের নীতি।

ইসলামের রীতি অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল আরবি মাস। চাঁদ দেখার মাধ্যমেই সারাবিশ্বের মুসলিমরা মাসব্যাপী রোজা পালন করেন। আকাশ গবেষক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা যাই বলুক না কেন, মুসলিম বিশ্ব চাঁদ দেখেই পালন করবেন পবিত্র রমজান মাসের রোজা। এটাই ইসলামের নীতি। যেহেতু রমজানের রোজা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। ২৯ শাবান (২৪ এপ্রিল) যদি রমজানের চাঁদ দেখা যায় তবে ২৪ তারিখ তারাবিহ পড়ে ভোর রাতে সেহরি খেতে হবে। ২৫ এপ্রিল হবে রমজানের প্রথম রোজা। শাবান ৩০ দিন পূর্ণ হলে সে হিসেবে রমজানের প্রথম রোজা হবে ২৬ এপ্রিল।

এদিকে এ বছর বাংলাদেশে আরবি ১৪৪১ হিজরি সনের সপ্তম মাস রজব ৩০ দিন পূর্ণ হয়েছিল। সৌদি আরবে রজব মাস ছিল ২৯ দিনে। শাবন মাসে এসে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান দুদিনে এসে দাঁড়িয়েছে।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: ‘শাহরু রমাদ্বা-নাল্লাযী উনযিলা ফি-হিল কুরআন’। অর্থাৎ, ‘রমজান ওই মাস, যে মাসে আমি পবিত্র কুরআন নাযিল করেছি’। আল্লাহ তায়ালার এ বাণী দ্বারা বুঝা যায়, রমজান কেন অন্য মাসের চেয়ে মহিমান্বিত, শ্রেষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত আসমানীগ্রন্থের শ্রেষ্ঠগ্রন্থ ‘আল কুরআন’ যে পবিত্র মাসে নাযিল হয়েছে, নিঃসন্দেহে সে মাস অন্যমাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময়।
বড়পীর হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহ.) ‘গুণীয়াতুত ত্বালেবীন’ নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: ‘রমজ্বী’ শব্দের অর্থ বর্ষার বৃষ্টি। বৃষ্টি যেরূপ যাবতীয় ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে দেয়, তদ্রুপ রমজান মাসও বান্দার যাবতীয় পাপ মুছে দিয়ে পবিত্র করে দেয়। যার দরুন এ মাসের নাম রাখা হয়েছে ‘রমজান’।
রহমত, মাগফিরাত, নাযাত, রোযা, সাহরী, ইফতার, তারাবীহ, লাইলাতুল কদর সহ আরো বহু অনন্য বরকতময় বৈশিষ্টমণ্ডিত এ পবিত্র মাস সন্দেহাতীতভাবে অন্য সকল মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। বৈচিত্রের এত রকমফের, ইবাদাতের এত মোহনা, সংযমের এমন দৃষ্টান্ত সচরাচর অন্যান্য মাসে দেখা যায় না।
রমজান ইবাদতের বসন্ত, অতএব আমাদের উচিৎ হবে এ পবিত্র মাসে মহান আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় রাসুল (দ.) এর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে বেশি বেশি ইবাদাত-রিয়াজত করা। অনাহারিদের মুখে খাবার তুলে দেয়া, বস্ত্রহীনের শরীর আবৃত করা, সর্বোপরি অভাবী-দুঃখী লোকেদের সাহায্যে এগিয়ে আসা। আল্লাহ পাক আমাদের সে তাওফিক দান করুন, আমিন!

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV