Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
সব ক্যাটাগরি

পাঠাও’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি ফাহিম নিউইয়র্কে নৃশংসভাবে খুন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 132 বার

প্রকাশিত: July 15, 2020 | 1:16 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : বাইকে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি ফাহিম সালেহ নিউইয়র্কে নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ম্যানহাটনের লোয়ার ইস্টসাইডে নিজ এপার্টমেন্ট থেকে তাঁর খন্ড-বিখন্ড মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হাত-পা ও মাথা তার শরীর থেকে আলাদা ছিল। আর তার মরদেহের পাশেই পাওয়া গেছে ইলেকট্রিক ‘স’।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় রাইডশেয়ারিং কোম্পানি পাঠাও এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি ইউনিভার্সিটিতে ইনফরমেশন টেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনা শেষে ২০১৪ সালে দেশে ফিরে তিনি পাঠাও প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন। পাঠাও এর মতো দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া এবং আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ায় আরও দু’টি রাইড শেয়ারিং কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি। একাধিক সূত্রে জানা গেছে যে, গোকোডো নামে নাইজেরিয়ার একটি রাইড শেয়ারিং কোম্পানি এবং পিকআপ নামে কলম্বিয়ার আরেকটি রাইডশেয়ারিং কোম্পনিরও তিনি অংশীদার। এরমধ্যে ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে গোকোডো বড় ধরণের বিপর্যয়ের কবলে পড়লে গত বছরের শেষদিকে ফাহিম কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়াতেও একই ধরণের ব্যবসায় তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, যে অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ফাহিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, গত বছর দুই দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে তা কিনেছিলেন ৩৩ বছর বয়সী ওয়েব ডেভেলপার ফাহিম। পরে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বসবাস শুরু করেন। বাংলাদেশে ফাহিম সালেহ’র বাড়ি চট্টগ্রামে।
নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) তরফ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ৯১১ নম্বরের এক টেলিফোন কলের মাধ্যমে পুলিশ প্রথম এই হত্যাকান্ডের কথা জানতে পারে। এরপর এনওয়াইপিডি’র প্রিসিঙ্ক্ট ০০৭ (পুলিশ স্টেশন বা থানা) থেকে পুলিশ সদস্যরা ২৬৫ ইস্ট হাউস্টন স্ট্রিটে (সাফোক স্ট্রিটের কর্ণারে) ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

অত্যাধুনিক ওই কন্ডোমেনিয়াম ভবনের সপ্তম তলায় ফাহিমের এপার্টমেন্ট। সেখানে ঢুকেই পুলিশ দেখতে পায় যে, ড্রয়িং রুমের মেঝেতে একটি মস্তকবিহীন দেহ পড়ে আছে। হাত এবং পাগুলোও শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন। মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল একটি ইলেক্ট্রিক করাত। এছাড়া কয়েকটি প্লাস্টিক ব্যাগে ফাহিমের খন্ড-বিখন্ড দেহের কয়েকটি অংশ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলেই সব অঙ্গ পাওয়া গেছে।
এনওয়াইপিডি’র বাংলাদেশি-অ্যামেরিকান কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর বলেন, নিহত ফাহিম সালেহ’র কাজিন (খালাতো বোন) পরিচয়ে জনৈকা মীরান চৌধুরী প্রথম ৯১১ নম্বরে কল করে পুলিশকে জানান যে, তিনি তার ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। সে কারণে পুলিশের সহায়তা চান তিনি। এর আগে সোমবার বিকালের পর থেকে মীরান চৌধুরী বেশ কয়েক দফায় ফাহিমের নম্বরে ফোন করেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরের পর সরাসরি তার এপার্টমেন্টে চলে যান। কিন্তু সেটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং অনেকবার নক করার পরও খোলা হয়নি। তারপরই তিনি পুলিশকে ফোন করেন।
এদিকে এনওয়াইপিডির অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ওই কন্ডোমেনিয়াম ভবনের সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ফাহিম গত সোমবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের সময় সর্বশেষ তার এপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। এ সময় সপ্তম তলায় যাওয়ার জন্য তিনি যখন নিচতলা থেকে এলিভেটর বা লিফটে চড়েন তখন আরও এক ব্যক্তি লিফটে উঠেন। স্যুট পরা লোকটির মুখে মাস্ক এবং হাতে গ্লাভস পরা ছিল এবং সে একটি ব্রিফকেস বহন করছিল, ফাহিম সন্দেহের দৃষ্টিতে অচেনা ওই লোকটির দিকে তাকিয়েছেন বলেও ভিডিওতে দেখা গেছে। এরপর সে ফাহিমের সঙ্গেই সপ্তম তলায় নেমে পড়েন এবং ফাহিম তার এপার্টমেন্টের দরজা খোলা মাত্রই লোকটি তার ওপর আক্রমণ চালায় এবং ধাক্কা দিয়ে তাকে এপার্টমেন্টের ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলে। কিন্তু এরপর কী ঘটেছে তা আর সিসি ফুটেজে দেখা যায়নি।
পুলিশ বলছে, প্রথমিকভাবে সবকিছু দেখেশুনে মনে হচ্ছে, হত্যকারী একজন পেশাদার খুনি। ফাহিমের মৃতদেহটি ইলেক্ট্রিক করাত দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করা হলেও মেঝেতে কোনো রক্তের দাগ ছিল না। এখন পর্যন্ত হত্যার রহস্য জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন গোয়েন্দারা। পুলিশ মনে করছে, সিসিটিভি ক্যামেরার সূত্র ধরে অপরাধীকে শনাক্ত করা যাবে। সূত্র : ডেইলি নিউজ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV