Wednesday, 11 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে ঐক্য পরিষদের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন : আওয়ামী লীগ-বিএনপির ছত্রছায়ায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন অব্যাহত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 17 বার

প্রকাশিত: August 25, 2020 | 8:35 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত গণ-বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারিদের ৭৫% এরও অধিক ছিলেন শ্বেতাঙ্গ এবং বাদামি রংয়ের মানুষ। এজন্যেই প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিতে বাধ্য হচ্ছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারকে। অপরদিকে, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত সকল কর্মসূচিতেই ৯৮% থাকেন নির্যাতিতরা। আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলে প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার বহু মানুষ থাকলেও তারা এক অদৃশ্য কারণে সংখ্যালঘুদের ন্যায্য অধিকারের সাথে প্রকাশ্যে সংহতি প্রকাশ করেন না। এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ধর্ম ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্যে বড় একটি দুর্ভাগ্যের ব্যাপার। ২৩ অগাস্ট রোববার দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রস্থ ‘বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’র এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে করোনাকালেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির লোকজন কর্তৃক বেশ কিছু হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং আগের মতোই দুর্বৃত্তরা গ্রেফতার হয়নি বা মামলার কার্যক্রমও শুরু করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।সে সময়েই সংগঠনের সেক্রেটারি অধ্যাপক দ্বিজেন ভট্টাচার্য উপরোক্ত হতাশার কথা ব্যক্ত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০০১ সালেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগ ও লুটতরাজ, শিশু-নারীদের ধর্ষণ, মন্দির-চার্চে হামলা, ভাংচুর, লুটতরাজ, হত্যার ৫৮ হাজারের মত ঘটনা ঘটেছে। কোনটিরই বিচার হয়নি। একইভাবে স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবত যতগুলো অপকর্ম-দুষ্কর্ম সংঘটিত হয়েছে তার একটিরও বিচার দেখতে পাইনি। অথচ সভ্য বিশ্বে সর্বত্র ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গিকার রয়েছে রাষ্ট্রসমূহের। বাংলাদেশের সংবিধানেও এমন নিশ্চয়তা রয়েছে, যেজন্য একাত্তরে ৩০ লাখ বাঙালিকে রক্ত দিতে হয়। সেই সমাজের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ আজ অবধি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্যে ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হয়নি। আরো অভিযোগ করা হয় যে, বাংলাদেশে এখনও পাকিস্তানী প্রশাসনের ভুত চেপে রয়েছে। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ক’টকৌশল অব্যাহত রেখেছে একাত্তরের রাজাকারসহ ওদের সমর্থকরা। দু:খজনক হলেও সত্য যে, ঐ রাজাকারের অনেকেই ক্ষমতাসীন দলের নীতি-নির্দ্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ স্থানটি দখলে রাখে সকল সরকারের সময়েই।

সংবাদ সম্মেলনের সভাপতি ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি অধ্যাপক নব্যেন্দু বিকাশ দত্ত সূচনা বক্তব্যে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ অগাস্ট কালরাতে সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। নব্যেন্দু দত্ত বলেন, গত বছরের অক্টোবরে নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্দশা-অসহায়ত্বের প্রসঙ্গ উপস্থাপন করেছি। সে সময় নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কন্স্যুলেটের মাধ্যমে সরকার সমীপে স্মারকলিপিও দেয়া হয় সুনির্দিষ্ট কিছু ঘটনার আলোকে। আজ অবধি একটি ঘটনার ব্যাপারেও কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে শুনিনি। অধিকন্তু অনেক স্থানেই নতুন করে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর এবং সহায়-সম্পদ জবর দখলের ঘটনা গণমাধ্যমে দেখেছি। নব্যেন্দু দত্ত প্রচন্ড হতাশার সাথে উল্লেখ করেন, বড় দুটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় কোন কোন এলাকায় হিন্দুরা আক্রান্ত হয়েছেন। কয়েকজনকে হুমকি দেয়া হয়েছে মুসলমান ধর্মে দীক্ষিত না হলে হত্যা করার। এমনকি কাউকে কাউকে অবিলম্বে ভারতে চলে যাবার নির্দেশও জারি হয়েছে। করোনা ভীতির মধ্যে এমন বর্বরতায় পরিবার নিয়ে অনেকে ভীতিকর অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনও নির্বিকার।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সেক্রেটারি অধ্যাপক দ্বিজেন ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ আন্তর্জাতিক সকল মানবাধিকার সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস, যুক্তরাজ্য, কানাডা পার্লামেন্টসহ জেনিভাস্থ জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলেও বিভিন্ন সময়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সংহত করার মত সত্যিকারঅর্থে আন্তরিক কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এ অবস্থায় আমরা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সহানুভ’তিশীল দৃষ্টি কামনা করছি। তারা যদি সোচ্চার হন তাহলেই হয়তো সুশীল সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিবেকসম্পন্ন লোকজনের বোধোদয় ঘটবে যে, ‘সংখ্যালঘুদের অধিকারও মানবাধিকারের আওতায় রয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলনের সার্বিক সমন্বয় ঘটান ঐক্য পরিষদের আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারি শিতাংশু গুহ। নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন ড. জিতেন রায়, রীনা সাহা, মতিলাল দেবরায়, চন্দন সেনগুপ্ত, সুশীল সাহা, প্রদীপ মালাকার, সুশীল সিনহা, বিষ্ণু গোপ, রনবীর বড়–য়া, প্রকাশ গুপ্ত প্রমুখ। এনআরবি নিউজ

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV