Wednesday, 11 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামায় ১৩শ’র বেশি করোনাভাইরাস পজিটিভ; যুক্তরাষ্ট্রে ১৯-সেপ্টেম্বর নাগাদ ভাইরাসে ‘মৃত্যু দু’লাখ ছাড়াতে পারে’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 146 বার

প্রকাশিত: August 30, 2020 | 5:55 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই আপাতত দূরশিক্ষণ ব্যবস্থায় পড়াশুনা চালিয়ে গেলেও আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই ক্যাম্পাসের দ্বার খোলা রেখেছে।

আর তাতেই সেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেখা যাচ্ছে করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এরকমই একটি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামা।

বিবিসি জানায়, সেখানে এখন করোনাভাইরাস পজিটিভ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গেছে। আর স্টাফদের ১৬৬ জনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ফল পজিটিভ এসেছে।

অ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট স্টুয়ার্ট বেল এ সপ্তাহে একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আমরা করোনাভাইরাস সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি দেখছি তা মেনে নেওয়া যায় না। এ পরিস্থিতিতে আমরা ক্যাম্পাসে আমাদের সেমিস্টার শেষ করতে পারব কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত। এখন এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সময়।”

এবিসি নিউজ জানিয়েছে, সম্প্রতি শিক্ষার্থীরা বারে ভিড় এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে প্রবেশের লম্বা লাইনের ছবি শেয়ার করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকার মেয়র ২৪ অগাস্ট থেকে ৮ সেপ্টম্বর পর্যন্ত বারগুলো বন্ধ করেছেন।

অন্য আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় অ্যালাবামা বিশ্ববিদ্যালয়েই শনাক্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয়েছে গত ১৯ অগাস্টে। এরই মধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ক্যাম্পাস মিলে রোগীর সংখ্যা গত শুক্রবারই ১ হাজার পার হয়েছে।

সেখানে করোনাভাইরাস সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য সবার পাশাপাশি আশেপাশের মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

অ্যালাবামা ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৭৪ জন করোনাভাইস শনাক্ত হয়েছে। জর্জিয়া কলেজ এন্ড স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শনাক্ত হয়েছে ৫৩৫ জন এবং নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে নতুন দুটি গুচ্ছ সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হিসাবে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৫০ লাখের বেশি মানুষ। আর মৃত্যু হয়েছে অন্ততপক্ষে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষের; মৃত্যুর এই সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৯-সেপ্টেম্বর নাগাদ ভাইরাসে ‘মৃত্যু দু’লাখ ছাড়াতে পারে

’যুক্তরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে করোনাভাইরাসে মৃত্যু দুই লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)।

বিবিসি জানায়, আগামী চার সপ্তাহের জন্য জাতীয়ভাবে দেশে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর পরিসংখ্যানের এই পূর্বাভাস বৃহস্পতিবার দিয়েছে সিডিসি।

সিডিসি’র হিসাবমতে, ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন করে আরও ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার ৩শ’ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। তবে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হলে ওই তারিখ নাগাদই মৃতের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ২০৭,০০০ জনে।

সিডিসি এর আগে গত সপ্তাহেও এ সংক্রান্ত পূর্বাভাস দিয়েছিল। সে সময় সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ৯০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত অন্ততপক্ষে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে; মৃত্যুর এই সংখ্যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। আর আক্রান্ত হিসাবে শনাক্ত হয়েছে ৫০ লাখের বেশি মানুষ।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে নতুন ধরনের এই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মানবদেহে ধরা পড়ে; খুব দ্রুত বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা।

পরে এ ভাইরাসের নাম দেওয়া হয় নভেল বা নতুন করোনাভাইরাস। আর এ ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগের নাম দেওয়া হয় কোভিড-১৯।

চীনে প্রথম মৃত্যুর দুদিন পর ১৩ জানুয়ারি থাইল্যান্ডে প্রথম রোগী ধরা পড়ার পর জানা যায়, চীনের রাষ্ট্রীয় সীমানা পেরিয়ে গেছে এই ভাইরাস।

তারপর হু হু করে বাড়তে থাকে আক্রান্তের সংখ্যা, দেড় মাসের মধ্যে এন্টার্কটিকা বাদে সব মহাদেশেই ধরা পড়ে রোগী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তখন এই পরিস্থিতিকে মহামারী বলে ঘোষণা করে।

কঠোর লকডাউনে চীন তিন মাসের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও ততদিনে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে রাশিয়ায় ব্যাপক মাত্রা পায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব।

রয়টার্সের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত জুন মাসেই টেক্সাস, ফ্লোরিডাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১০টি রাজ্যে শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে যায়। আর জুলাইয়ের শেষেই যুক্তরাষ্ট্রে মোট মৃত্যু এক লাখ ৫০ হাজার ছাড়ায়। বিডিনিউজ 

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV