আন্তর্জাতিক জেনোসাইড স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবসে নিহতদের স্মরণ জেনোসাইড ’৭১ ফাউণ্ডেশন যুক্তরাষ্ট্র’র (ভিডিও)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম. ডেস্ক. নিউইয়র্ক: ৯ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক জেনোসাইড স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস। দিবসটি পালন উপলক্ষে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেনোসাইডে নিহতদের স্বরণ ও শ্রদ্ধা জানালো জেনোসাইড ’৭১ ফাউণ্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেনোসাইড ’৭১ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর এবং সঞ্চালক ছিলেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মনজুর চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সকল শহীদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা ও মোমবাতি প্রজ্জলনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন লণ্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী গৌরী চৌধূরী। শহীদদের স্মরণে কবিতা আবৃতি করেন- গোপন সাহা ও ক্লারা রোজারিও। এই সভা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী মৌলবাদী গোষ্ঠীর ক্রমাগত আস্ফালন ও হুমকির মধ্যেই কুষ্টিয়ায় নির্মাণাধীন একটি ভাস্কর্য ভাঙচুরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ এবং দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- বাংলাদেশ সরকারের নিউইয়কস্থ কনস্যাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ডঃ মনোয়ার হোসেন, সিলেট কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল, জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সেক্রেটারী (প্রেস) নূরে এলাহী মিনা।
কনস্যাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা এ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্তী জননেএী শেখ হাসিনার বানী পাঠ করেন এবং একাওুরে সংঘটিত জেনোসাইডের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতির কি করনীয় সে বিষয়ে আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ডঃ মনোয়ার হোসেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের পক্ষ থেকে জেনোসাইড বিষয়ে কি কি পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে সে বিষয়ে আলোচনা করেন এবং জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে “আন্তর্জাতিক জেনোসাইড স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবসের তাৎপর্য ও একাওোরে বাংলাদেশে সংঘঠিত জেনোসাইডের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি” শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন-ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর। তিনি তার বক্তব্যে এই দিবসের তাৎপর্য উল্লেক করে বলেন- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ এবং ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর সার্বজনীন মানবধীকার সনদ গৃহীত হওয়ার পাশাপাশি জাতিসংঘ প্রনয়ন করে জেনোসাইড কনভেনশন। এই কনভেনশনে ১) জেনোসাইড সজ্ঞায়িত হয় এবং ২) জেনোসাইড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে স্বীকৃত হয়। জেনোসাইড সজ্ঞায়িত ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে স্বীকৃত হওয়ার ৬৭ বছর পর ২০১৫ সনে ৬৯ তম সাধারন অধিবেশনে জাতিসংঘ ৯ ডিসেম্বরকে স্বীকৃতি দিল আন্তর্জাতিক জেনোসাইড স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস। জাতিসংঘ দিবসটি ঘোষণার পর থেকেই জেনোসাইড ’৭১ ফাউণ্ডেশন, ইউএসএ প্রতি বছর দিনটি পালন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকাতায় আজকের এই অনুষ্ঠান। ড. কর আরো বলেন এই দিবসের মূল লক্ষ্য হল- ১) গণহত্যা বিষয়ক প্রথাটির ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করা, ২) গণহত্যায় মৃত ব্যক্তিদের স্মরণ ও সম্মান করা, ৩) এটি জাতিসংঘের প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রকে।
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








