Sunday, 7 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

গাদ্দাফির ২০ হাজার কোটি ডলারের কি হবে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 169 বার

প্রকাশিত: October 22, 2011 | 4:53 PM

 ডেস্ক: লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির মৃত্যুর আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে, ভূসম্পত্তি এবং কর্পোরেট বিনিয়োগের মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি ডলারের সম্পদ রেখে গেছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কি হবে এত বিপুল অর্থের। এ অর্থ কি লিবিয়ার পরবর্তী সরকার দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবে! তার সন্তান বা স্ত্রী তাদের কেউ কি এই অর্থ তুলতে পারবে! তাদের পক্ষে এই অর্থ তোলা খুবই কঠিন কাজ। কারণ তারা সবাই রয়েছেন পলাতক অবস্থায়। ফলে গাদ্দাফির এই বিপুল অর্থের কি হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা কথা।  লস অ্যানজেলেস টাইমস এক রিপোর্টে জানিয়েছে, পশ্চিমা সরকারগুলো আগে যেমনটা ধারণা করেছিল গাদ্দাফি তার চেয়েও অনেক বেশি সম্পদের নগদ অর্থ এবং স্বর্ণ গচ্ছিত রেখে গেছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিমা কর্মকর্তারা সারা বছর ধরে কেবল গাদ্দাফির সম্পদ চিহ্নিত করতেই ব্যস্ত ছিলেন না, তারা নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেগুলো জব্দ করার ব্যাপারেও ভারত, চীন এবং রাশিয়ার মতো দেশগুলোকে রাজি করানোর চেষ্টা করেছেন। লস অ্যানজেলেস টাইমস দাবি করছে, এ হিসাব যদি সঠিক হয় তাহলে সামপ্রতিক ইতিহাসে গাদ্দাফি চিহ্নিত হবেন সবচেয়ে লোভী আর বিচিত্র জীবন ধারণকারী নেতা হিসেবে। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা গত বসন্তে যুক্তরাষ্ট্রে গাদ্দাফির ৩৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ও সম্পদের কথা জানতে পেরে বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন। তারা গাদ্দাফি এবং তার সহযোগীরা বিষয়টি টের পাওয়ার আগেই ওই সম্পদ জব্দ করার ব্যবস্থা করেছিলেন। একইভাবে ফ্রান্স, বৃটেন, জার্মানি এবং ইতালির সরকারও তাদের দেশে মোট ৩০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করেছিল। এর আগে ইউরোপীয় তদন্ত কর্মকর্তারা অনুমান করেছিলেন গাদ্দাফির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটো বাহিনী অভিযান শুরু করার আগেই তিনি ১০০ বিলিয়ন ডলার সরিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু নতুন আন্তর্জাতিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, গাদ্দাফি বছরের পর বছর ধরে শ’ শ’ কোটি ডলার বিদেশে সরিয়ে ফেলেছেন। লস অ্যানজেলেস টাইমস জানিয়েছে, গাদ্দাফি মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ পশ্চিম এশিয়ার বেশির ভাগ দেশেই বিপুল পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। গাদ্দাফির ২০ হাজার কোটি ডলার লিবিয়ার যুদ্ধপূর্ব জাতীয় উৎপাদনের দ্বিগুণ বলে দাবি করা হচ্ছে। তদন্ত কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই ইতালীয় সকার ক্লাব জুভেন্টাস, ইতালীয় ব্যাংক ইউনিক্রেডিট এবং ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকার স্বত্বাধিকারি বৃটেনের পিয়ারসন প্রকাশনার মতো পশ্চিমা বিশ্বের অনেক হাইপ্রোফাইল প্রতিষ্ঠানে গাদ্দাফির বিনিয়োগ রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV