জীবনের শেষ সময়ে গাদ্দাফি বই পড়তেন, চা বানাতেন

জীবনের শেষ দিনগুলোতে সির্ত শহরের একস্থান থেকে অন্য স্থানে পালিয়ে বেড়ান লিবীয় নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি। চোখের সামনেই তাঁর শাসনব্যবস্থা ধূলিসাত্ হয়ে যাওয়ায় তিনি ছিলেন ক্ষুব্ধ ও বিষণ্ন। গাদ্দাফির একসময়ের প্রধান দেহরক্ষীর দায়িত্ব পালনকারী মানসুর দাও এ কথা বলেছেন।
দি ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, গাদ্দাফির নিজ গোত্রের সন্তান মানসুর। তিনি বর্তমানে মিসরাতার একটি কারাগারে।
২০ অক্টোবর ন্যাশনাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এনটিসি) যোদ্ধাদের হাতে গাদ্দাফি আটক এবং নিহত হওয়ার সময় তাঁর অনুগত যেসব যোদ্ধাকে জীবিত অবস্থায় আটক করা হয়, তাঁদের একজন মানসুর। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের শেষের দিকে গাদ্দাফি, তাঁর ছেলে মুতাসিম এবং ঘনিষ্ঠ অন্যরা বিভিন্ন সময়ে সির্ত শহরের কয়েকটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অবস্থান করেন। এ সময় বাইরের জগত্ থেকে তাঁরা ছিলেন একেবারে বিচ্ছিন্ন। ওই পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে ছিল না কোনো টেলিভিশন, ফোন বা কোনো বিদ্যুত্সংযোগ। রাতের অন্ধকারে তাঁদের আলোর একমাত্র উত্স ছিল মোমবাতি।
মানসুর জানান, শেষ দিনগুলোতে গাদ্দাফি বই পড়তেন, বিভিন্ন ঘটনা নোট করে রাখতেন, কখনো কখনো কয়লার স্টোভে চা বানিয়ে সময় কাটাতেন। তিনি যুদ্ধ পরিচালনা করতেন না। সেটা করতেন তাঁর ছেলেরা। তিনি কোনো পরিকল্পনা করতেন না, এমনকি কোনো পরিকল্পনা নিয়েও ভাবতেন না।
মানসুর বলেন, রাজধানী ত্রিপোলিতে বিদ্রোহী যোদ্ধারা ঢুকে পড়ার আগেই ১৮ বা ১৯ আগস্ট গাদ্দাফি বাব আল আজিজিয়া কম্পাউন্ড ছেড়ে পালান। রাজধানীর পতনের পর তিনি সরাসরি সির্ত শহরের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুতাসিম। আর সাইফ আল-ইসলাম বনি ওয়ালিদে চলে যান। এক সপ্তাহ পর মানসুর সির্ত শহরে গাদ্দাফির সঙ্গে মিলিত হন। গাদ্দাফির গোয়েন্দা প্রধান আবদুল্লাহ আল-সেনুসি তখন সির্ত আর সাবা শহরে যাওয়া-আসা করছিলেন। এনটিসি যোদ্ধাদের হাতে আটক হওয়ার পর তাঁর নেতার (গাদ্দাফির) ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি বলতে পারেন না।
মানসুর জানান, গাদ্দাফিকে তাঁর সহযোগীরা দেশ ছাড়তে অনুরোধ করেছিলেন। তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, পূর্বপুরুষের মাটিতেই তিনি মৃত্যুবরণ করতে চান।
মানসুর বলেন, ‘তাঁর জন্য আমার দুঃখ হয়। কারণ তিনি পরিস্থিতিকে অবজ্ঞা করেছেন। তিনি দেশ ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়ে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারতেন।’
মানসুর দাও ১৯৮০ সাল থেকেই গাদ্দাফি বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি গাদ্দাফির ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি কথিত ‘পিপলস গার্ড’-এর কমান্ডার ছিলেন। গাদ্দাফিবিরোধীদের খুঁজে বের করাই ছিল ওই বাহিনীর কাজ।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল








