Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইনক ইউএসএ’র সংবাদ সম্মেলন: নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 88 বার

প্রকাশিত: July 1, 2021 | 4:43 PM

https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/351854022950740

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সদস্যদের পরস্পরের মাঝে ভাতৃত্ববোধ, সোহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করার জন্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভোটে নির্বাচিত কমিটির নিকট আমানত সহ সকল দায়-দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবে বিদায়ী কমিটি। গত ৩০ জুন বুধবার রাতে ব্রুকলীনে কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউএসএ’র নিজস্ব অফিসে বিদায়ী কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ কথা বলা হয়। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন’র।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সবুজের পরিচালনায় আদালতের রায় ও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল আলীম জিহাদী। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, ট্রাস্টি বোর্ড মেম্বার হাজী আবুল কাশেম, সেলিম জাহিদ ও জসিম উদ্দিন জনি, নব নির্বাচিত সভাপতি মো. নুর আলম সিদ্দিক মুন্না, কোষাধ্যক্ষ মো: কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কাম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইনক গত ২ বছর কিছু সদস্যের চক্রান্ত ও মামলার কারণে স্থবির হয়ে আছে। বর্তমান কমিটি নির্বাচন ২০১৯ যথাসময়ে করার জন্য গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। ২ বার নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন অনুষ্ঠানে আশিষ রঞ্জন ভৌমিক কমিশন ও সাবেক ট্রাষ্টি বোর্ডের ষড়যন্ত্র, পদত্যাগী সভাপতি আবদুল মালেকের অসহযোগিতা ও ব্যর্থতা এবং পরবর্তীতে আবুল কালামদের মামলার কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হয়নি। এসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র লংঘন করে এবং কোন প্রকার আলোচনা না করেই আবুল কালাম এবং অন্যান্যরা মামলা করে নির্বাচন বন্ধ করে দেন। এজন্য সদস্যদের ভোটে দেওয়া আমানত রক্ষা করার জন্য সমিতির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে কমিটির পক্ষ থেকেও পাল্টা মামলা করতে হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১ম মামলার রায়ে বাদী আবুল কালামদের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে নির্বাচন করতে বলা হয়েছে। কিন্তু কোন নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া হয় নি। কমিটির কার্যক্রমের প্রতি নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এবং কমিটির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনলে মাননীয় আদালত তা খারিজ করে দেন।
কিন্তু আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে আবুল কালাম ও আশিষ রঞ্জন ভৌমিক, তাঁদের পূর্বের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২৮ ফেব্রুয়ারী একটি একপক্ষীয় পাতানো নির্বাচন করে আরজু-পিন্টু পরিষদকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। অথচ প্রতিদ্বন্দ্বি মুন্না-সবুজ পরিষদের পক্ষে আলোচনার মাধ্যমে বিরাজমান ইস্যুগুলো সমাধান করে এবং প্রয়োজন হলে নির্বাচন পিছানোর জন্য ফোনে এবং লিখিতভাবে অনুরোধ করলেও তারা তা কর্ণপাত করেন নি।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, আবুল কালাম, রহমান এইচ আরজু ও অন্যান্যরা ২৫ মার্চ ২০২১ একটি মামলা করে কমিটির দায়িত্ব, চাবি ও একাউন্টস হন্তান্তর করতে এবং ব্রুকলীনের ৯৪৪ গে¬নমোর এভিনিউর বাড়ির সব ডেমোলিশন ও কনষ্ট্রাকশন কাজ বন্ধ করতে আদেশ চান। মাননীয় আদালত সব দাবী নাকচ করে দেন। এবং ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ এর নির্বাচন আদালতের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী হয়নি বলে মত দেন। ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারীর একপক্ষীয় নির্বাচনে ঘোষিত রহমান এইচ আরজু ও মাইন উদ্দিন পিন্টু কমিটি বাতিল হয়ে যায়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আরজু-পিন্টু পরিষদ সমিতির ক্রান্তিলগ্নে কোন আলোচনার উদ্যোগ না নিয়ে সমিতির ২য় বাড়ির চলমান উন্নয়ন কাজ বন্ধ সহ সকল প্রকার কার্যক্রমের বিরুদ্ধে মামলা করেন। কিন্তু মামলা চলাকালীন তারা স্টে বা স্থিতাবস্থাকে মামলার আদেশ বলে প্রচার করে সদস্যদের সাথে প্রতারনা করেন ও সমিতির কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন।
মামলার বাদী আবুল কালাম ও অন্যান্যরা (ফেসবুক লাইভের বক্তব্য মতে) ১ম বাড়ী থেকে বাড়ী ভাড়া আদায় করেছেন এবং সমিতির অফিস অন্যায় ভাবে তালাবদ্ধ রেখেছেন। কিন্তু গত প্রায় ২ বছর বাড়ীর ট্যাক্স সহ অন্যান্য বিল পরিশোধ করেননি। কোন বিল কমিটির কাছে পাঠাননি। ইলেক্ট্রিক মিটার নিয়ে সমস্যা থাকলেও ঠিক মত অফিসে ঢুকতে না পারায় কনএডিসন কাজ করতে পারেনি।
মামলা দিয়ে আবুল কালাম ও আরজু হাজারী ২য় বাড়ীর সংস্কার কাজ বন্ধ করেছিলেন। তারা কেন বাড়ীর কাজ চালিয়ে নেননি? তাদের উপরতো আদালতের কোন নিষেধাজ্ঞা ছিল না। তাহলে সমিতির ক্ষতি কার স্বার্থে?
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মামলার বাদী আবুল কালাম, আরজু হাজারী ও অন্যান্যরা বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম করে সদস্য চাঁদা সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু গত ২ বছরে কোন সদস্য-সদস্যার জানাজায় তাঁদের দেখা যায়নি এবং একটি ডলারও সদস্য বেনেফিট হিসেবে দেননি।
বিদায়ী কমিটি সবসময় আলোচনা করে গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে সমাধান করার পক্ষে। বিগত ১০ অক্টোবর ২০১৯ নির্বাচন স্থগিত হবার পর মুন্না-সবুজ পরিষদের প্রতিনিধি ও কমিটির পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে, সংবাদ সম্মেলন, প্রতিবাদ সমাবেশ এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তৎকালীন ট্রাষ্টি বোর্ডের প্রতি আহ্বান জানান হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মাননীয় আদালত নির্বাচন করতে বাদীপক্ষকে আদেশ দিলে কমিটি বিভিন্নভাবে তাদের এবং আশিষ রঞ্জন ভৌমিক কমিশনের প্রত্যেক কমিশনারের সাথে যোগাযোগ করে আলোচনার আহবান জানান হয়। কিন্তু তারা কোন কথাই শুনেননি।
চলমান সংকট উত্তোরণের জন্য রহমান এইচ আরজু ও মাইন উদ্দিন পিন্টুর সাথে তাদের মামলা ফাইলের পর ২ টি বৈঠক হয়। কমিটির পক্ষে সমিতির স্বার্থে একটি সমঝোতার প্রন্তাব দেয়া হলেও আরজু-পিন্টু পরিষদ তা গ্রহণ করেননি। মামলার রায়ে ২৮ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচন বাতিল হলে কমিটির পক্ষে সবার নিকট একটি সুন্দর নির্বাচনের জন্য আলোচনার আহবান জানান হয়। এজন্য মুন্না-সবুজ পরিষদের পক্ষে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরীর জন্য আলোচনা চালিয়ে যেতে জহির উদ্দিন সেলিম চেয়ারম্যানকে প্রধান করে ৫ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সমিতির শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচনের দিকনির্দেশনা চেয়ে অথবা সাধারণ সভার আদেশ চেয়ে ইতোমধ্যে মাননীয় আদালতে একটি মোশন ফাইল করা হয়েছে। এ মোশনের শুনানি আগামী ১৪ জুলাই ধার্য্য করা আছে। এছাড়া ১ম মামলার বাদী আবুল কালামদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা মামলার শুনানি আগামী ৭ জুলাই ধার্য্য করা আছে। উল্লেখ্য যে, গত ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯ পূর্বের ট্রাষ্টি বোর্ড বাতিল করা হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১৫ জুন ২০২১ মামলার রায় আসলেও আমরা ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করি। সবার সন্মান রক্ষা করে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চেয়েছি। আমাদের পক্ষে মোহাম্মদ ছিদ্দিক মুন্না আবুল কালাম সহ অনেকের সাথে কথা বলেছেন, আলোচনার মাধ্যমে গঠনতন্ত্র অনুযাযী একটি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরীর অনুরোধ জানান হয়েছে। সমিতির অফিস সবার জন্য উম্মুক্ত করার আহবান জানান হয়েছে। কিন্ত প্রায় ২ সপ্তাহ গেলেও তারা কোন আহবানে সাড়া দেননি। তাই আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে কোম্পানিগঞ্জবাসীর নিকট আহবান জানাচ্ছি, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশিদারিত্বমূলক নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলেই সমিতিতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। তাই সংশ্লিষ্ট সবার সাথে আলোচনা করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন করা প্রয়োজন। আমরা নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হন্তান্তর করে সমিতির আমানত বুঝিয়ে দিতে চাই।
একটি অডিট কমিটি করে সমিতির সকল হিসাব একসাথে করতে হবে। আমদের নিকট থাকা হিসাব যে কোন সময় দিতে প্রস্তুত। আবুল কালাম এবং আরজু হাজারীদের নিকট থাকা হিসাব দিতেও অনুরোধ জানাচ্ছি। নির্বাচনের পর নির্বাচিত কমিটির নিকট দ্রুত হিসাব ও দায়িত্ব হন্তান্তর করতে আমরা বদ্ধপরিকর। বাদী ও বিবাদীদের এটর্নীর মাধ্যমে মামলাগুলো নিয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে হবে, যাতে নির্বাচনের পর মামলাগুলো উঠাতে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পর পর ২টি রায়ে আমাদের দায়িত্ব ও একাউন্ট হন্তান্তর নিয়ে করা মামলা আদালতে নাকচ হয়ে যায় এবং ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯ এর সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত মতে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হন্তান্তর করতে হবে। তাই নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হন্তান্তর পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। ইতোমধ্যে এলাকা ভিত্তিক ও বিভিন্ন সিটিতে সদস্য চাঁদা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সদস্যদের চাঁদা পরিশোধ করে সদস্যপদ নিয়মিত রাখতে আহবান জানান হচ্ছে।
১ম বাড়ীর ভাড়া দেয়া এবং ট্যাক্স সহ অন্যান্য বিল পরিশোধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২য় বাড়ীর সংস্কার কাজ আবারো শুরু করা হয়েছে। দ্রুত তা শেষ করে ভাড়া দেওয়া হবে। সমিতির সদস্যদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে আগষ্ট মাসে বনভোজন আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উক্ত বনভোজনে সবাইকে অংশগ্রহণ করার আহবান জানান হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান করোনা মহামারীতে ১৮ জন সদস্য-সদস্যা প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মৃত্যু বেনেফিট পরিশোধ করা হয়েছে।

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV