গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে সিএইচ আরডি বাংলাদেশের সেমিনার: বাংলাদেশের সামনে দু’টি পথ, গণবিপ্লব কিংবা জাতিসংঘের অধীনে নির্বাচন : মাহমুদুর রহমান (ভিডিও)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের গণতন্ত্র উত্তরণে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠান কিংবা গণঅভ্যুন্থানের মাধ্যমে সরকার হটানো এ দু’টি পথই কেবল অবশিষ্ট রয়েছে বলে মনে করেন দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। রোববার কোয়ালিশন ফর হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সেমিনাওে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের গণতন্ত্রেও পথে প্রতিবেশি রাষ্ট্র ভারত বড় বাঁধা বলেও মনে করেন তিনি। সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সিএইচ আরডি বাংলাদেশের সেক্রেটারি ইমরান আনসারীর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম, লেখিকা ও রাজনীতিবিদ রীটা রহমান, বাইডেন ক্যাম্পেইন এর বাংলাদেশ বিষয়ক পরিচালক আনিস আহম্মেদ, ও প্রফেসর আবিদ বাহার। মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশের গণতন্ত্র শীর্ষক এ সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএইচআরডি বাংলাদেশের সভাপতি জগলুল হোসেন ও ভাইস প্রেসিডেণ্ট সাবরিয়া চেšধুরী বালান্দ।

এসময় মাহমুদুর রহমান বলেন, ভূ-রাজনৈতিক কারণেই বাংলাদেশের গনতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনের অগ্রযাত্রাকে থামাতে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে সর্বময় কতৃত্ব দান করেছে। যেই সুযোগে ভারত আওয়ামী লীগকে এক যুগ ধরে ক্ষমতায় টিকিয়ে রেখেছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ এখন প্রপগান্ডা মেশিনে পরিণত হয়েছে। বিচার বিভাগ এখন ইতিহাস নির্ধারণ করে দিচ্ছে যে, জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা যাবে কি যাবে না। আর এটি বিচার বিভাগ করে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন সরকারের এসাইনমেন্ট অনুযায়ী। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে কর্তৃত্ববাদী ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র আখ্যায়িত করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের এখন কোনো স্বাধীনতা নেই। বাংলাদেশের মানুষ এখন সার্বক্ষনিক নজরদারির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মানুষকে নজরদারি করবার জন্য ইসরাইল থেকে মেশিন ক্রয় করেছে। সরকারের বিরুদ্ধে কথা বললেই সরকারের বিভিন্ন বাহিনী জনগণকে গুম করে দিচ্ছে। দেশে এখন রাষ্ট্র কর্তৃক সন্ত্রাস চলছে।
মাহমুদুর রহমান আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন তিন ধরণের মিডিয়া রয়েছে। প্রথমত; গণমাধ্যম সরকারের প্রপাগান্ডা মেশিন হিসেবে কাজ কওে যাচ্ছে। দ্বিতয়িত; আরো কিছু গণমাধ্যম রয়েছে যারা সরকারের এলাই হিসেবে কাজ করছে। তৃতীয়ত; বাংলাদেশে রয়েছে সেলফ সেন্সর মিডিয়া। চতুর্থত; বাংলাদেশে অল্প সংখ্যক ভিন্নমতের গণমাধ্যম রয়েছে, কিন্তু আমার দেশ, দিগন্ত টেলিভিশন বন্ধের পর এটিও এখন আছে বলে মনে হয় ন।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি উত্তরণে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি অবাধ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেশের মুক্তির বার্তা নিয়ে আসত পারে। অন্যথায় বিভিন্ন দেশে গণঅভ্যুন্থানের মাধ্যমে যেভাবে কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন হয়, সেভাবেই বাংলাদেশ সরকারের পতন হবে।
রাষ্ট্রদূত সিরাজুল ইসলাম বলেন, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহারের পর দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তনকে বাংলাদেশের জনগনকে কাজে লাগাতে হবে।
আনিস আহম্মেদ বলেন, বাইডেন প্রশাসন বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর। বাইডেন প্রশাসনের কাছে বাংলাদেশ পরিস্থিতি সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সহায়তা পাওয়া যাবে।
রীতা রহমান বলেন, বিএনপি সরকার অত্যাচার নির্যাতনে ট্রমাটাইজ হয়ে আছে। একজন ১৮ বছরের ছাত্রদলের কর্মীও বিরুদ্ধে ১৬/১৭ টি করে মামলা। ভোটদান কি জিনিষ জনগন ভুলেই গেছে।
প্রফেসর আবিদ বাহার বলেন, পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এখন সরকারের আজ্ঞাবহ একটি প্রতিষ্ঠান।
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








