বিমানেই মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেলেন ম্যারাডোনা,আর কখনোই ম্যারাডোনাকে ‘এল পেলুসা’ বলে ডাকবেন না

ছবির মতোই ‘মা’ এখন ম্যারাডোনার কাছে শুধুই স্মৃতি। বিয়ের অনুষ্ঠানে মা ও সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়ার সঙ্গে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি-ফাইল ছবি।।
বুয়েনস এইরেসের লস আরকোস হাসপাতালে ভর্তি মা। তাঁর শরীর খুব খারাপ শুনেই দুবাই থেকে বিমানে ওঠেন শনিবার। কিন্তু বিমানেই নির্মম সত্যটা জেনে গেলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা, মা দালমা ফ্রাঙ্কো ডি ম্যারাডোনা আর নেই! চলে গেছেন জীবননদীর ওপারে। কাল যখন তিনি পৌঁছেছেন, আর্জেন্টিনা তার ফুটবল ইতিহাসের সেরা সন্তানের মায়ের বিয়োগব্যথায় কাঁদছে। মৃত্যুর সময় মায়ের পাশে থাকতে পারলেন না বলে তাঁরও বুকের মধ্যেও চলছে উথালপাথাল।
ম্যারাডোনার কারণেই আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে তাঁর মা-ও ছিলেন অতিপরিচিত, খুবই আপন। মানুষের ভালোবেসে দেওয়া ডোনা তোতা নামের মধ্যে কখন তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন নিজের আসল নাম। বয়স হয়েছিল ৮১, এর আগেও কয়েকবার হূদেরাগের জটিলতায় হাসপাতালে কেটেছে। ম্যারাডোনাও জানতেন, জগতের নির্মমতম সত্য খবরটা যেকোনো সময় শুনতে পারেন। তাই গত আগস্টে আল-ওয়াসল ক্লাবের কোচের দায়িত্ব নিয়ে দুবাই আসার আগে মায়ের নাম স্মরণ করে পিঠে এঁকে নিয়েছিলেন একটি উল্কি, ‘তোতা তোমাকে আমি ভালোবাসি।’ ওই উল্কিটা তাঁর পিঠে থাকবে আমৃত্যু, কিন্তু ওটা যাঁর জন্য, তিনিই সবকিছুর ঊর্ধে। মা আর কখনোই ম্যারাডোনাকে ‘এল পেলুসা’ বলে ডাকবেন না। ডোনা তোতার মৃত্যুসংবাদ যখন পৌঁছায় আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনে, প্রথম বিভাগ লিগে ইনডিপেনডিয়েন্তি-অলিম্পিও ম্যাচটা মাঝপথে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তাঁর স্মৃতিতে নীরবতা পালন করা হয় এক মিনিট।
ম্যারাডোনার জীবনে অশেষ প্রেরণার নাম তাঁর মা, তাঁদের সংগ্রামমুখর জীবনের প্রতীক। বুয়েনস এইরেসের উপকণ্ঠে এক বস্তিতে জন্ম। গরিব মা-বাবার সংসারে ছোটবেলাটা কেটেছে দারিদ্র্য ও কষ্টে। তবে ফুটবলের সুবাদে জীবনে আসা প্রাচুর্য্য আর আলোয় ভরা দিনগুলোয় ম্যারাডোনা এসব ভোলেননি। প্রায়ই অতীতের সেই গল্প বলেন এখনো। নিজের পঞ্চম আর তিন ছেলের মধ্যে সবার বড় ডিয়েগো ম্যারাডোনাকেই সবচেয়ে ভালোবাসতেন ডোনা তোতা। ম্যারাডোনা সম্পর্কে প্রায়ই তিনি বলতেন, ‘ও-ই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি।’ আর ছেলের মুখেও শোনা গেছে মায়ের ভালোবাসার অনেক গল্প। একটা গল্প এ রকম, ‘মা সব সময় খাবার তুলে দিতেন আমাদের থালায়। যখনই খাবার আসত টেবিলে, মা খেতেন না, বলতেন আমার পেটে ব্যথা। আসলে ওটা ছিল ভান, কারণ খাবারই তো বেশি থাকত না। তাঁর সহ্যক্ষমতা ছিল অসম্ভব।’ রয়টার্স, ওয়েবসাইট।প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests