Wednesday, 11 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিমানেই মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেলেন ম্যারাডোনা,আর কখনোই ম্যারাডোনাকে ‘এল পেলুসা’ বলে ডাকবেন না

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 87 বার

প্রকাশিত: November 21, 2011 | 8:30 AM

ছবির মতোই ‘মা’ এখন ম্যারাডোনার কাছে শুধুই স্মৃতি। বিয়ের অনুষ্ঠানে মা ও সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়ার সঙ

ছবির মতোই ‘মা’ এখন ম্যারাডোনার কাছে শুধুই স্মৃতি। বিয়ের অনুষ্ঠানে মা ও সাবেক স্ত্রী ক্লদিয়ার সঙ্গে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি-ফাইল ছবি।।

বুয়েনস এইরেসের লস আরকোস হাসপাতালে ভর্তি মা। তাঁর শরীর খুব খারাপ শুনেই দুবাই থেকে বিমানে ওঠেন শনিবার। কিন্তু বিমানেই নির্মম সত্যটা জেনে গেলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা, মা দালমা ফ্রাঙ্কো ডি ম্যারাডোনা আর নেই! চলে গেছেন জীবননদীর ওপারে। কাল যখন তিনি পৌঁছেছেন, আর্জেন্টিনা তার ফুটবল ইতিহাসের সেরা সন্তানের মায়ের বিয়োগব্যথায় কাঁদছে। মৃত্যুর সময় মায়ের পাশে থাকতে পারলেন না বলে তাঁরও বুকের মধ্যেও চলছে উথালপাথাল।
ম্যারাডোনার কারণেই আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে তাঁর মা-ও ছিলেন অতিপরিচিত, খুবই আপন। মানুষের ভালোবেসে দেওয়া ডোনা তোতা নামের মধ্যে কখন তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন নিজের আসল নাম। বয়স হয়েছিল ৮১, এর আগেও কয়েকবার হূদেরাগের জটিলতায় হাসপাতালে কেটেছে। ম্যারাডোনাও জানতেন, জগতের নির্মমতম সত্য খবরটা যেকোনো সময় শুনতে পারেন। তাই গত আগস্টে আল-ওয়াসল ক্লাবের কোচের দায়িত্ব নিয়ে দুবাই আসার আগে মায়ের নাম স্মরণ করে পিঠে এঁকে নিয়েছিলেন একটি উল্কি, ‘তোতা তোমাকে আমি ভালোবাসি।’ ওই উল্কিটা তাঁর পিঠে থাকবে আমৃত্যু, কিন্তু ওটা যাঁর জন্য, তিনিই সবকিছুর ঊর্ধে। মা আর কখনোই ম্যারাডোনাকে ‘এল পেলুসা’ বলে ডাকবেন না। ডোনা তোতার মৃত্যুসংবাদ যখন পৌঁছায় আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনে, প্রথম বিভাগ লিগে ইনডিপেনডিয়েন্তি-অলিম্পিও ম্যাচটা মাঝপথে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তাঁর স্মৃতিতে নীরবতা পালন করা হয় এক মিনিট।
ম্যারাডোনার জীবনে অশেষ প্রেরণার নাম তাঁর মা, তাঁদের সংগ্রামমুখর জীবনের প্রতীক। বুয়েনস এইরেসের উপকণ্ঠে এক বস্তিতে জন্ম। গরিব মা-বাবার সংসারে ছোটবেলাটা কেটেছে দারিদ্র্য ও কষ্টে। তবে ফুটবলের সুবাদে জীবনে আসা প্রাচুর্য্য আর আলোয় ভরা দিনগুলোয় ম্যারাডোনা এসব ভোলেননি। প্রায়ই অতীতের সেই গল্প বলেন এখনো। নিজের পঞ্চম আর তিন ছেলের মধ্যে সবার বড় ডিয়েগো ম্যারাডোনাকেই সবচেয়ে ভালোবাসতেন ডোনা তোতা। ম্যারাডোনা সম্পর্কে প্রায়ই তিনি বলতেন, ‘ও-ই আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি।’ আর ছেলের মুখেও শোনা গেছে মায়ের ভালোবাসার অনেক গল্প। একটা গল্প এ রকম, ‘মা সব সময় খাবার তুলে দিতেন আমাদের থালায়। যখনই খাবার আসত টেবিলে, মা খেতেন না, বলতেন আমার পেটে ব্যথা। আসলে ওটা ছিল ভান, কারণ খাবারই তো বেশি থাকত না। তাঁর সহ্যক্ষমতা ছিল অসম্ভব।’ রয়টার্স, ওয়েবসাইট।প্রথম আলো

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV