Saturday, 5 September 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল New York Attorney General James Sues Amazon for Fraudulently Overcharging Advertisers More Than $20 Billion Irene Khan Takes Office as Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উদযাপন : অটিস্টিক মানুষদের প্রতিভার সর্বোচ্চ ব্যবহার ও সমাজে তাদের পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পূনর্ব্যক্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 129 বার

প্রকাশিত: April 8, 2022 | 6:45 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: “বিশ্বের ৭৫ মিলিয়নেরর বেশি অটিস্টিক মানুষ যাতে তাদের প্রতিভাকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাত পারে এবং সমাজে যাতে পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে তা নিশ্চিতে আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত
করছি” -৭ এপ্রিল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল ইভেন্টে উদ্বোধনী বক্তব্যে একথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এমপি।


জাতিসংঘস্থ বাংলাদেশ ও কাতার স্থায়ী মিশন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অটিজম স্পিক্সস্ যৌথভাবে ইভেন্টটির আয়োজন করে। প্রদত্ত বক্তৃতায় ড. মোমেন কোভিড-১৯ অতিমারির সময়ে অটিজম আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারবর্গের জন্য বিশেষ সহায়তা পদক্ষেপ গ্রহণ ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বাংলাদেশের উত্তম অনুশীলনগুলো তুলে ধরেন। অতিমারিকালে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা বিঘ্নিত হওয়ার ফলে সারাবিশ্বে অটিজমের  শিকার শিশুরা সামঞ্জস্যহীনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যমান সামাজিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শক্তিশালী তথ্য-প্রযুক্তি অবকাঠামো এবং
বিস্তৃত কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্য সেবা অনেক পরিবারকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করেছে”। বাংলাদেশে অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির উদাহরণ তুলে তিনি বলেন, গত একদশকে  বাংলাদেশে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা লক্ষনীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অটিজমের শিকার ব্যক্তিবর্গ ও তাদের পরিবার যে সকল চ্যালেঞ্জ ও সামাজিক গঞ্জনা মোকাবিলা করছে তা প্রশমিত ও দূর করতে বিভিন্নমন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন একসাথে কাজ করছে”। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ ও নিউরো-ডেভেলপমেন্ট প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন ২০১৩ প্রণয়নসহ প্রতিবন্ধী ও
অটিস্টিক ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন সরকারি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিভিন্ন সহায়ক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণকে ত্বরান্বিত করতে আমাদেরসরকার ‘উদ্ভাবনের সংস্কৃতি’র প্রচারকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাছাড়া ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উদ্যোগ একটি নতুন যুগেরসূচনা করেছে যার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক ব্যক্তিবর্গের জন্য ই-সেবাসহ অন্যান্য ওয়েভ ও আইসিটি-ভিত্তিক পরিষেবাগুলো সম্প্রসারিত হয়েছে”।

ড. মোমেন আরও বলেন, জাতীয় প্রচেষ্টার পাশাপাশি জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৭ সালে শুরু হওয়া ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’সহ জাতিসংঘের অটিজম সংক্রান্ত পদক্ষেপসমূহে বাংলাদেশ তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বাংলাদেশ ২০১৩ সালে ‘অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার, নিউরোডেভোলপমেন্ট ডিসঅর্ডারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিবন্ধীতার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের আর্থ-সামাজিক চাহিদার সমাধান করা’  শীর্ষক সাধারণ-পরিষদ রেজুলেশন-৬৭/৮২ জাতিসংঘে পেশ করে, যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সকল শিশুকে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও
অন্বেষণের মাধ্যমে মূলধারায় আনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় অটিজম বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয়
উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অটিজম বিষয়ক শুভেচ্ছা দূত মিজ্ সায়মা হোসেন এর অসাধারণ ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে অটিস্টিক ব্যক্তিবর্গের সর্বোত্তম জীবনযাপনের সুযোগ করে দিতে সমাজ আরও উদারভাবে এগিয়ে আসবে যেখানে অর্ন্তভূক্তিমূলক ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী অংশে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন কাতারের সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবার মন্ত্রী মিজ্ মরিয়ম বিনতে আলী বিন নাসার আল-মিসনাদ, জাতিসংঘের গ্লোবাল কমিউনিকেশনবিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ মেলিস্সা ফ্লেমিং, জাতিসংঘের ডেসা এর পরিচালক মিজ্ ড্যানিয়েলা ব্যাস এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিউইয়র্ক অফিসের পরিচালক ওয়েরনার ওবারমিয়ের। প্যানেল আলোচনাপর্বে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অটিজম বিষয়ক বিশেষজ্ঞগণ।

প্যানেল আলোচনা ছাড়াও অটিজমের শিকার ব্যক্তিবর্গের পিতামাতা ও পরিবারের সদস্যগণের জন্য একটি প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা হয় ইভেন্টটিতে। এছাড়া অটিজমের শিকার ব্যক্তিবর্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন পেশার মানুষ ভার্চুয়াল এই ইভেন্টটিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রেস রিলিজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ