Sunday, 7 June 2026 |
শিরোনাম
SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশীর পাশে নিউ ইয়র্ক টাইমস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 51 বার

প্রকাশিত: January 24, 2012 | 12:07 AM

রিপোর্টার: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের আর্থিক সহায়তা পেলেন বাংলাদেশী যুবক ফ্রান্সিস স্টিফেন। গতকাল নিউ ইয়র্ক টাইমসে তার আমেরিকা জয়ের কাহিনী ছাপা হয়েছে। মাত্র  দু’বছর আগে ২৪ বছর বয়সী এই যুবক বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। কয়েক দশক আগে ফ্রান্সিসের বাবা বাংলাদেশ ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান। ফ্রান্সিস তখন শিশু। তার বাবা বধির। তার মা আমেরিকার জীবন মেনে নিতে পারেননি। তাই তার মা বাংলাদেশেই থেকে যান। সঙ্গে থেকে যান ফ্রান্সিস। বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি ঘটে। ফ্রান্সিস বাংলাদেশের বৃটিশ পদ্ধতির শিক্ষা পদ্ধতিতে লেখাপড়া করছিলেন। কিন্তু তার মন পড়েছিল আমেরিকায়। কখন তিনি বাবার কাছে যাবেন। অবশেষে তাই হলো। বাবার স্পন্সরশিপে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেন। তার স্বপ্ন উচ্চশিক্ষা। কিন্তু তার বাবা চাইছিলেন ফ্রান্সিস দ্রুত একটা চাকরিতে ঢুকে যাক। তাই ফ্রান্সিসের বাবা নার্সিং-এ স্নাতক ডিগ্রি নিতে বললেন। কিন্তু সে ইচ্ছা ফ্রান্সিসের ছিল না। রক্ত ও কাটাছেঁড়া তার পছন্দ নয়। তার ইচ্ছা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে পড়াশোনা করার। কিন্তু খরচে কুলাচ্ছিল না। তাই বাবার কথামতো নার্সিংয়ে ভর্তি হতে হলো।  
তিনি প্রথমে হাইস্কুল ডিগ্রি নিলেন। ২০১০ সালে তার একটি মজার অভিজ্ঞতা হলো। একটি জরিপে অংশ নেন। এর উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসীদের স্থানীয় ভাষা সম্পর্কে ধারণা নেয়া। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী যারা নিজেদের মধ্যে অনর্গল বাংলা ও হিন্দিতে কথা বলেন।
ফ্রান্সিস ২০১১ সালের জানুয়ারিতে জি.ই.ডি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। মার্চে তিনি লাগুয়ারদি কমিউনিটি কলেজে ভর্তি হন। পেল গ্রান্ট নামের একটি বৃত্তির আওতায় তার কলেজের টিউশন ফি নির্বাহ হচ্ছিল। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় পাঠ্য বই ও পড়ার উপকরণ কেনায়। এ সময় তার পাশে এসে দাঁড়ায় নিউ ইয়র্ক টাইমস নিডিয়েস্ট কেসেস ফান্ড। ক্যালকুলেটর ও টেক্সট বই কিনতে তাকে ৫৬৬.৫৬ মার্কিন ডলার দেয়া হয়।  ফ্রান্সিস ইতিমধ্যে আরও বৃত্তি পেয়েছেন। নার্সিং বদলে তিনি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা নিয়েছেন। ফ্রান্সিস বলেন, আমি কি করতে পারবো তা নিয়ে অনেকের সন্দেহ ছিল। আমার এখন একটাই লক্ষ্য। সবার ভুল ভেঙে দেয়া।
ফ্রান্সিস এখন লং আইল্যান্ড সিটিতে এক কক্ষের অ্যাপার্টমেন্টে বাবার সঙ্গে বসবাস করছেন। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV