Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশীর পাশে নিউ ইয়র্ক টাইমস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 96 বার

প্রকাশিত: January 24, 2012 | 12:07 AM

রিপোর্টার: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের আর্থিক সহায়তা পেলেন বাংলাদেশী যুবক ফ্রান্সিস স্টিফেন। গতকাল নিউ ইয়র্ক টাইমসে তার আমেরিকা জয়ের কাহিনী ছাপা হয়েছে। মাত্র  দু’বছর আগে ২৪ বছর বয়সী এই যুবক বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। কয়েক দশক আগে ফ্রান্সিসের বাবা বাংলাদেশ ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি জমান। ফ্রান্সিস তখন শিশু। তার বাবা বধির। তার মা আমেরিকার জীবন মেনে নিতে পারেননি। তাই তার মা বাংলাদেশেই থেকে যান। সঙ্গে থেকে যান ফ্রান্সিস। বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি ঘটে। ফ্রান্সিস বাংলাদেশের বৃটিশ পদ্ধতির শিক্ষা পদ্ধতিতে লেখাপড়া করছিলেন। কিন্তু তার মন পড়েছিল আমেরিকায়। কখন তিনি বাবার কাছে যাবেন। অবশেষে তাই হলো। বাবার স্পন্সরশিপে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেন। তার স্বপ্ন উচ্চশিক্ষা। কিন্তু তার বাবা চাইছিলেন ফ্রান্সিস দ্রুত একটা চাকরিতে ঢুকে যাক। তাই ফ্রান্সিসের বাবা নার্সিং-এ স্নাতক ডিগ্রি নিতে বললেন। কিন্তু সে ইচ্ছা ফ্রান্সিসের ছিল না। রক্ত ও কাটাছেঁড়া তার পছন্দ নয়। তার ইচ্ছা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে পড়াশোনা করার। কিন্তু খরচে কুলাচ্ছিল না। তাই বাবার কথামতো নার্সিংয়ে ভর্তি হতে হলো।  
তিনি প্রথমে হাইস্কুল ডিগ্রি নিলেন। ২০১০ সালে তার একটি মজার অভিজ্ঞতা হলো। একটি জরিপে অংশ নেন। এর উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসীদের স্থানীয় ভাষা সম্পর্কে ধারণা নেয়া। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী যারা নিজেদের মধ্যে অনর্গল বাংলা ও হিন্দিতে কথা বলেন।
ফ্রান্সিস ২০১১ সালের জানুয়ারিতে জি.ই.ডি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বাড়ে। মার্চে তিনি লাগুয়ারদি কমিউনিটি কলেজে ভর্তি হন। পেল গ্রান্ট নামের একটি বৃত্তির আওতায় তার কলেজের টিউশন ফি নির্বাহ হচ্ছিল। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় পাঠ্য বই ও পড়ার উপকরণ কেনায়। এ সময় তার পাশে এসে দাঁড়ায় নিউ ইয়র্ক টাইমস নিডিয়েস্ট কেসেস ফান্ড। ক্যালকুলেটর ও টেক্সট বই কিনতে তাকে ৫৬৬.৫৬ মার্কিন ডলার দেয়া হয়।  ফ্রান্সিস ইতিমধ্যে আরও বৃত্তি পেয়েছেন। নার্সিং বদলে তিনি ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা নিয়েছেন। ফ্রান্সিস বলেন, আমি কি করতে পারবো তা নিয়ে অনেকের সন্দেহ ছিল। আমার এখন একটাই লক্ষ্য। সবার ভুল ভেঙে দেয়া।
ফ্রান্সিস এখন লং আইল্যান্ড সিটিতে এক কক্ষের অ্যাপার্টমেন্টে বাবার সঙ্গে বসবাস করছেন। মানবজমিন

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV