অশালীন ই-মেইল পাঠানোর অভিযোগে স্কুল থেকে সাসপেন্ড করে কৃত্তিকা বিশ্বাসকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সংশোধনাগারে:নিউইয়র্ক আদালতে মেয়র ব্লুমবার্গের বিরুদ্ধে মামলা

ইউএসএ নিউজ ডেস্ক: অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী বিশেষ করে খুনি, ধর্ষণকারী, ডাকাত ও মাদককারবারিদের সংশোধনের জন্য বিশেষায়িত স্কুল এটি। এই স্কুলেই ভয়ঙ্কর সব অপরাধীদের সঙ্গে এক মাস শিক্ষা নিতে বাধ্য করা হয়েছে নিউইয়র্কের ভারতীয় বাঙালি কনস্যুলেটের ভাইস কনসাল দেবাশীস বিশ্বাসের মেয়ে কৃত্তিকা বিশ্বাসকে। সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন তিনি। কৃত্তিকা জানান, সম্পূর্ণ ভুয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে হাতকড়া পরিয়ে স্কুল থেকে নিয়ে যায়। এক রাত অবর্ণনীয় পরিবেশে হাজতে আটকে রাখা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষও তাকে বরখাস্ত করে নিউইয়র্কের ওই সংশোধনাগার ‘আরএফ ওয়াগনার অলটারনেটিভ লার্নিং সেন্টারে’ পাঠিয়ে দেয়। তিনি জানান, সেখানে নিজেকে ছাত্রী না ভেবে বন্দি হিসেবেই ভাবা শুরু করেছিলেন ‘দ্য ক্যামব্রিজ’ স্কুলের ছাত্রী কৃত্তিকা।
গত ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ স্কুলের শিক্ষককে অশালীন ই-মেইল পাঠানোর অভিযোগে কোনো রকম তদন্ত ছাড়াই স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। পুলিশ কৃত্তিকাকে তখনই হাতকড়া পরিয়ে স্কুল থেকে নিয়ে যায় এবং ২৪ ঘণ্টা আটকে রাখে। স্কুল থেকে সাসপেন্ড করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সংশোধনাগারে। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই ঘটনায় আসল দোষীর সন্ধান পেলে কৃত্তিকাকে স্কুলে ফিরিয়ে নেন। কিন্তু ততক্ষণে মানসিক অবস্থা অবর্ণনীয় হয়ে ওঠে বাবা-মেয়ে দু’জনেরই। এ অবস্থায় নিউইয়র্ক আদালতে শহরের মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে আটক এবং হয়রানির অভিযোগে ১৫ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন কৃত্তিকা। বিষয়টি মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলে।
এদিকে হেনস্তার ঘটনায় কৃত্তিকার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। দিলি্লতে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী জ্যানেট নাপোলিতানোর সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বিষয়টি উত্থাপন করেন। পরে নাপোলিতানো এ ঘটনার জন্য কৃত্তিকার প্রতি ‘সহানুভূতি’ জানান। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মীরা শঙ্করও এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ভুয়া অভিযোগের ভিত্তিতে কৃত্তিকার সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে তাকে অত্যন্ত অস্বস্তিকর বলে উল্লেখ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যুক্তরাস্ট্রে ভারতীয় কনসাল জেনারেল প্রভু দয়াল বলেছেন, কৃত্তিকাকে আটক করা উচিত হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের। এত কিছুর পর ওই স্কুলে যেতে আড়ষ্ট লাগছে না কৃত্তিকার। আপাতত ক্ষতিপূরণের মামলার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন। ক্ষতিপূরণ আদায় করেই ছাড়বেন বাঙালি কন্যা। খবর : জি-নিউজ, সিএনএন আইবিএন, আনন্দবাজার।সমকাল
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030