আমেরিকায় ৭৫ লাখ প্রেমিক-প্রেমিকা ‘লিভ টুগেদার’ করছেন অর্থ সাশ্রয়ে
এনা : বিয়ে হয়নি, অথচ স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় একত্রে বসবাস করছেন এমন আমেরিকান নারী-পুরুষের সংখ্যা ৭৫ লাখ। ইউএস সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ৬৯/৭০ বছরের অধিক বয়েসী অনেক অবিবাহিত আমেরিকান ‘লিভিং টুগেদার’ করছেন।এর ফলে অর্থনৈতিক সাশ্রয় ঘটছে। উভয়ে সমান ভাগ করে সবকিছু বহন করছেন। অবসরের ভাতা পৃথকভাবে পাওয়ায় তাদের দিন কাটছে চমতকারভাবে।একদিকে মন্দা, অপরদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকায় স্বল্প আয়ের আমেরিকানরা নাজুক পরিস্খিতিতে রয়েছেন গত দু’বছর যাবত। এমনি কঠিন পরিস্খিতিতে যারা চাকরি হারাচ্ছেন, তাদের অবস্খা অকল্পনীয়। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকে না। বিকল্প হিসেবে অনেকের বিয়ের বয়স অতিবাহিত হলেও বিয়ের পিড়িতে তারা বসতে নারাজ। আবার অনেকে ২০/২৫ বছর যাবত বয়ফেন্সন্ড-গার্লফেন্সন্ড হিসেবে বাস করে সন্তানাদি নেয়ার পরও আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হননি। চাকরি অথবা ব্যবসা থেকে অবসর নিয়েছেন, তবুও বিয়ে করছেন না। এমন আমেরিকানদের ব্যাপারে ইউএসএ টুডে অনুসন্ধানী এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে সামগ্রিক পরিস্খিতি উপস্খাপনকালে বলা হয়েছে, ৭১ বছর বয়েসী টম ব্যাক এবং ৬৯ বছর বয়েসী গ্রিটা কহেন গত ১৩ বছর যাবত ‘লিভ টুগেদার’ করছেন। তারা আগে পৃথক বাসায় থাকতেন। এখন একই বাসা এবং একই বিছানায় ঘুমান। দিনভর একত্রে চলাফেরা করেন। কেনাকাটা করেন একত্রে। রান্না অথবা হোটেলের ব্যয়ও ফিফটি ফিফটি হারে বহন করেন। এর ফলে এ দম্পতির অবসর সময় আনন্দে কাটছে। অবসরভাতা অথবা সোস্যাল সিকিউরিটি বেনিফিট হিসেবে তারা আলাদাভাবে যে চেক পাচ্ছেন তা দিয়ে উভয়ের মাসিক খরচে ঘাটতি পড়ে না। একইভাবে কর্মজীবী প্রেমিক-প্রেমিকারাও একই বিছানায় ঘুমানো সত্বেও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হিমসিম খাচ্ছেন খরচের কথা চিন্তা করে। অথচ প্রেমিক-প্রেমিকা উভয়েই চাকরি করছেন। তাদের ধারণা, বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বাস করতে ব্যয় বাড়বে। এখন যেভাবে চলাফেরা করছেন কিংবা দিনের খাবারের তালিকা তৈরী করছেন-বিবাহিত দম্পতি হলে বিষয়টি অন্যরকম হবে। খরচও বাড়বে।
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030