Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণে এ সপ্তাহেই নতুন ঘোষণা, এপ্রিল থেকে স্টুডেন্ট ভিসা কমছে ৬০ ভাগ ফ্যামিলি ভিসা ২০ ভাগ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 29 বার

প্রকাশিত: November 23, 2010 | 9:06 PM

সালেহ শিবলী, লন্ডন থেকে: ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণে এ সপ্তাহেই নতুন ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন বৃটেনের হোম সেক্রেটারি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) টেরেসা মে। এই ঘোষণার পর স্টুডেন্ট হিসেবে এবং ফ্যামিলি ভিসা নিয়ে যারা বৃটেনে আসতে চান তাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়বে।
সুখবর নেই ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে যারা বৃটেনে আসতে চান তাদের জন্যও। সরকার আগামী এপ্রিল থেকেই স্টুডেন্ট ভিসা এবং ফ্যামিলি ভিসার সংখ্যা কমিয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নয়া নীতিমালা অনুযায়ী স্টুডেন্ট ভিসার সংখ্যা প্রায় বর্তমানের চেয়ে ৬০ শতাংশ কমে যাবে এবং ফ্যামিলি ভিসার সংখ্যাও কমে যাবে বর্তমানের চেয়ে ২০ ভাগ। ফলে যাদের আত্মীয়স্বজন যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন তাদের সঙ্গে ফ্যামিলি ভিসা নিয়ে আসাও জটিল হবে। বর্তমানে ক্ষমতাসীন টোরি-লিবডেম কোয়ালিশন সরকারের যে কোনভাবেই হোক নন- ইউরোপিয়ান দেশগুলো থেকে বৃটেনে ইমিগ্রেশন সংখ্যা কমাতে চায়। মাইগ্র্যান্টদের বৃটেনে আসার সবগুলো রুটই সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। ইতিপূর্বে ওয়ার্ক পারমিট এবং টিয়ার-১ ও ২ রুটে বৃটেনে প্রবেশ সীমিত করার লক্ষ্যে ইমিগ্রেশন ক্যাপ চালু করা হয়েছিল। গত মে মাসে টোরি-লিবডেম সরকার ক্ষমতায় এসে নন-ইউরোপিয়ান দেশগুলো থেকে কর্মসূত্রে বৃটেনে প্রবেশ করার ভিসার সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই নিয়ন্ত্রণ সাময়িক এবং ২০১১ সালের এপ্রিলে ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত রূপরেখা প্রকাশ করা হবে।
সরকারের মাইগ্রেশন এডভাইজারি কমিটি (এমএসি) ইউকে বর্ডার এজেন্সিকে স্টুডেন্ট ভিসা ও ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসার সংখ্যা ৮০ শতাংশ কমানোর পরামর্শ দিয়েছে। এমএসি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ডেভিড মেটকাফ বলেছেন, এমএসি’র পরামর্শ বাস্তবায়ন করলে বিদেশী শিক্ষার্থীদের ভিসার সংখ্যা গত বছরের চেয়ে অন্তত ৬০ ভাগ কমাতে হবে। গত বছর বৃটেন এক লাখ ৬৩ হাজার বিদেশী ছাত্রকে ভিসা দিয়েছিল।  প্রফেসর মেটকাফ আরও বলেছেন, শুধু স্টুডেন্ট ভিসার সংখ্যা হ্রাস করলেই এই পরামর্শ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। বর্ডার এজেন্সিকে এজন্য অন্তত ৫৫ হাজার ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসাও কমাতে হবে।
এবারই প্রথম কোন কর্তৃপক্ষীয় সূত্র কোয়ালিশন সরকারের ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনার ছক প্রকাশ করলো। এ সপ্তাহেই হোম অফিস এ সংক্রান্ত তথ্যাদি ও পরামর্শপত্র মন্ত্রিসভায় পেশ করবে।
এমএসি বলেছে, শুধুমাত্র দক্ষ কর্মীদের ভিসা কমিয়ে মাইগ্র্যান্টদের সংখ্যা মাত্র ২০ শতাংশ কমানো যেতে পারে। মাইগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা এটাও বলেছেন, মন্ত্রীদের এখন ওয়ার্কিং হলিডে ভিসাও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রতি বছর ওয়ার্কিং হলিডে ভিসায় প্রায় ৫২ হাজার পাঁচশ’ লোক বৃটেনে এসে থাকে।
প্রফেসর মেটকাফ বলেছেন, শুধুমাত্র ওয়ার্ক ভিসা নিয়ন্ত্রণ করেও ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে না। এমএসি টিয়ার-১ ও টিয়ার-২ ভিসার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ সীমাবদ্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে। এই পরামর্শ অনুযায়ী ইমিগ্রেশন ক্যাপের চূড়ান্ত পর্যায়ে টিয়ার-১ ও টিয়ার-২ ভিসার সংখ্যা ৩৭ হাজার থেকে ৪৩ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। এমএসি বলেছে, উপরোক্ত সংখ্যার মধ্যে টিয়ার-১ ও টিয়ার-২ ভিসার সংখ্যা সীমিত রাখলে তা গত জুনে আরোপিত সাময়িক ইমিগ্রেশন ক্যাপের পর বৃটেনে কর্মসূত্রে আগত লোকদের চেয়ে বেশি সংখ্যক লোককে বৃটিশ চাকরি বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দেবে। 
এমএসি অবশ্য সরকারকে আরও একটি নতুন পরামর্শ দিয়েছে। এমএসি ‘বিশেষ প্রতিভাধারী ব্যক্তি’র জন্য একটি নতুন ভিসা ক্যাটাগরি চালু করার পরামর্শ দিয়েছে। এর ফলে বিজ্ঞান ও একাডেমিক গবেষণায় বিশেষভাবে দক্ষ লোকজন বৃটেনে আসার সুযোগ পাবেন। এমএসি বলেছে, বর্তমান হিসাবে বিভিন্ন দেশ থেকে কর্মসূত্রে বৃটেনে আসা লোকদের সংখ্যা ২০০৪ সালের পর থেকে ক্রমশ কমে এসেছে কিন্তু বিদেশী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েছে। এমএসি মনে করে, সরকার যদি আগামী চার বছরে এক লাখ ৪৬ হাজার মাইগ্র্যান্ট নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চায় তবে ধাপে ধাপে বিদেশী শিক্ষার্থীদের ভিসা ৬০ শতাংশ ও ফ্যামিলি  ভিসা  ২০ শতাংশ কমাতে হবে।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ