ইরাক যুদ্ধের কথা মনে পড়লে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ি : বুশ

এএফপি: ‘আমি খুবই দুঃখকাতর ও ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ি, যখন ইরাক যুদ্ধের কথা মনে পড়ে। ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ভয়ানক মরণাস্ত্র তৈরির অভিযোগের জের ধরে সেখানে সামরিক অভিযান চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাগদাদ বিজয়ের পর দেখা গেল, সেখানে বিশেষ কোনো মরণাস্ত্র নেই। বিষয়টি এখনও আমাকে প্রচণ্ড পীড়া দেয়।’ জর্জ ডবি্লউ বুশ (জুনিয়র) যুক্তরাষ্ট্রে দুই মেয়াদের প্রেসিডেন্ট থাকাকালের স্মৃতিকথা এভাবেই বিবৃত করেছেন ‘ডিসিশন পয়েন্ট’ নামক গ্রন্থে। গতকাল বুশের লিখিত স্মৃতিকথামূলক বইটি প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থের মাধ্যমে ক্ষমতা ছাড়ার দুই বছর পর আবারও তিনি ব্যাপক আলোচনায় চলে এসেছেন।
১১ সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জঙ্গি হামলার ঘটনা দিয়ে বুশের ৫০০ পৃষ্ঠার এই বইয়ের সূচনা। অর্থনৈতিক মহামন্দার সংকট পরিস্থিতির আলোচনা দিয়ে গ্রন্থটির শেষ হয়। বইটির মুদ্রণও নেহাত কম নয়, অন্তত ১৫ লাখ কপি। প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সফলতা ও ব্যর্থতার বিভিন্ন প্রসঙ্গে বুশ অকপটে ওই বইয়ে স্বীকার করেছেন। ইরাকে বিধ্বংসী অস্ত্র থাকার প্রচারণা নিয়ে তার ভুলের কথা সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন। সম্প্রতি এ বইয়ের প্রসঙ্গে এনবিসি টেলিভিশনে তার একটি সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়। এ সময় ইরাক যুদ্ধের সিদ্ধান্তকে ভুল হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী কি-না জিজ্ঞেস করা হয়। তবে বুশ বলেন, ‘এটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে আমি মনে করি না। সাদ্দামকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের মাধ্যমে বর্তমান বিশ্ব আগের চেয়ে ভালো রয়েছে। ইরাকের আড়াই কোটি লোক স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার সুযোগ পেয়েছে।’
হ্যারিকেন ক্যাটরিনার আক্রমণের পর দুর্গত অঞ্চলে যথাযথ ভূমিকা রাখতে না পারার ব্যাপারেও বুশ বইটিতে স্বীকার করেছেন। ওই পরিস্থিতিকে বুশের আট বছরের প্রেসিডেন্ট শাসনামলের সবচেয়ে মন্দ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে সময় বিমানবাহিনীর একটি বিমানে বুশ নিউ অরলিন্সের ওপর দিয়ে ওয়াশিংটন যাচ্ছিলেন। নিউ অরলিন্সের একটি ফ্লাইওভারে তখন হাজার হাজার লোক আশ্রয় নেয়। বুশ বলেন, ‘ওই সময় বিমান থেকে লুইজিয়ানায় আমার নামার দরকার ছিল। দুর্গতদের দুর্ভোগের বিষয়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানোর ব্যাপারে আমি বাধ্য ছিলাম।’
গণমাধ্যমে এ ঘটনাটি উপস্থাপনের মাধ্যমে জনগণ থেকে বুশের বিচ্ছিন্নতার চিত্র হাজির করা হয়। তিনি বলেন, অনেকের মধ্যে এ বিষয়ে উপলব্ধির সমস্যা আছে। সত্যিকার অর্থেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেখে আমার হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল।’
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি