Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ:দুই নেত্রীকে নির্বাসনে পাঠিয়ে লাভ হবে না

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 176 বার

প্রকাশিত: September 26, 2011 | 11:52 AM

Details

সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ:ওয়াশিংটনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিউটেনিস

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ বিউটেনিস এক গোপন তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে জানান, বাংলাদেশের রাজনীতি তরল পদার্থের মতো। খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে। তবে জনগণের অনেকেই এমনকি রাজনৈতিক নেতারাও মনে করছেন, দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠন সম্ভব নয়। তাঁদের নির্বাসন দিয়ে কোনো লাভ হবে না, দূরে সরিয়ে রাখলেও তাঁদের প্রভাব এখানে থাকবেই। গত ৩০ আগস্ট উইকিলিকসের ফাঁস করা এক মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় একথা বলা হয়েছে।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া একেবারে দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে রাজি হয়েছিলেন। ২০০৭ সালের ১৫ এপ্রিল ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো প্রথম দফায় গ্রেপ্তার হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। খালেদার দেশ ছাড়ার বিষয়ে ২০০৭ সালের ১৭ এপ্রিল বিউটেনিসের পাঠানো তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হয়।

তারবার্তায় বলা হয়েছে, এনবিআরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৫ এপ্রিল খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু এর ২৪ ঘণ্টা পর তাঁকে আবার ছেড়েও দেয়া হয়। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আলোচনা হয়। তাঁরা খালেদা জিয়াকে বিদেশ চলে যেতে চাপ দেন। খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে রাজি হলেও শর্ত দেন যে, তাঁর সঙ্গে দুই ছেলেকেও তিনি বিদেশে নিয়ে যাবেন। এর প্রেক্ষিতেই ১৭ এপ্রিল বড় ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। তবে খালেদা জিয়া কোন দেশে যাবেন সে বিষয়টি তখন চূড়ান্ত হয়নি।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান দূতাবাসকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চলে যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেছেন, কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেনাবাহিনী হুমকি দিচ্ছে খালেদা জিয়ার নামে মামলা দেয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে তারেক রহমানকেও। এ অবস্থায় বিদেশে চলে যাওয়া ছাড়া খালেদার সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তারেক রহমানকে  চিকিত্সার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেন জোবাইদা। কারণ তারেক উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও পিঠের ব্যথায় ভুগছেন।

তারবার্তায় বলা হয়, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া বিদেশে যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোও যাবেন। তবে তারেকের বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। সেনাবাহিনী খালেদা জিয়ার ভাই মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দার এবং মেজর জেনারেল রুমির মাধ্যমে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। মুশফিকুর আরো জানিয়েছেন, নতুন কোনো মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে খালেদাকে বিদেশ যেতে রাজি করানো হচ্ছে। মুশফিকুর রহমান অনুমান করছেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার আগেই কোনো একসময় খালেদা জিয়া বিদেশে চলে যাবেন। ২৩ এপ্রিল শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা। 

তারবার্তায় বলা হয়, স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে, খালেদা জিয়া চিকিত্সা নেয়ার অজুহাত দেখিয়ে তাঁর ছেলে তারেক ও কোকোকে নিয়ে সৌদি আরব চলে যেতে পারেন। অবশ্য কখন তাঁরা যাচ্ছেন, সে বিষয়টি বিএনপির সাবেক এমপি মুশফিক নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। তবে খালেদা যে সৌদি আরবেই যাচ্ছেন, সে বিষয়ে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ