Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ:দুই নেত্রীকে নির্বাসনে পাঠিয়ে লাভ হবে না

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 93 বার

প্রকাশিত: September 26, 2011 | 11:52 AM

Details

সাড়া জাগানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ:ওয়াশিংটনকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিউটেনিস

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া এ বিউটেনিস এক গোপন তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে ওয়াশিংটনকে জানান, বাংলাদেশের রাজনীতি তরল পদার্থের মতো। খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তকে অনেকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে। তবে জনগণের অনেকেই এমনকি রাজনৈতিক নেতারাও মনে করছেন, দুই নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠন সম্ভব নয়। তাঁদের নির্বাসন দিয়ে কোনো লাভ হবে না, দূরে সরিয়ে রাখলেও তাঁদের প্রভাব এখানে থাকবেই। গত ৩০ আগস্ট উইকিলিকসের ফাঁস করা এক মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় একথা বলা হয়েছে।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া একেবারে দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যেতে রাজি হয়েছিলেন। ২০০৭ সালের ১৫ এপ্রিল ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো প্রথম দফায় গ্রেপ্তার হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। খালেদার দেশ ছাড়ার বিষয়ে ২০০৭ সালের ১৭ এপ্রিল বিউটেনিসের পাঠানো তারবার্তায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হয়।

তারবার্তায় বলা হয়েছে, এনবিআরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৫ এপ্রিল খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু এর ২৪ ঘণ্টা পর তাঁকে আবার ছেড়েও দেয়া হয়। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আলোচনা হয়। তাঁরা খালেদা জিয়াকে বিদেশ চলে যেতে চাপ দেন। খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে রাজি হলেও শর্ত দেন যে, তাঁর সঙ্গে দুই ছেলেকেও তিনি বিদেশে নিয়ে যাবেন। এর প্রেক্ষিতেই ১৭ এপ্রিল বড় ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। তবে খালেদা জিয়া কোন দেশে যাবেন সে বিষয়টি তখন চূড়ান্ত হয়নি।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান দূতাবাসকে জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চলে যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেছেন, কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেনাবাহিনী হুমকি দিচ্ছে খালেদা জিয়ার নামে মামলা দেয়া হবে, গ্রেপ্তার করা হবে তারেক রহমানকেও। এ অবস্থায় বিদেশে চলে যাওয়া ছাড়া খালেদার সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তারেক রহমানকে  চিকিত্সার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলেও দাবি করেন জোবাইদা। কারণ তারেক উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল ও পিঠের ব্যথায় ভুগছেন।

তারবার্তায় বলা হয়, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া বিদেশে যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোও যাবেন। তবে তারেকের বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। সেনাবাহিনী খালেদা জিয়ার ভাই মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দার এবং মেজর জেনারেল রুমির মাধ্যমে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। মুশফিকুর আরো জানিয়েছেন, নতুন কোনো মামলায় জড়ানোর হুমকি দিয়ে খালেদাকে বিদেশ যেতে রাজি করানো হচ্ছে। মুশফিকুর রহমান অনুমান করছেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার আগেই কোনো একসময় খালেদা জিয়া বিদেশে চলে যাবেন। ২৩ এপ্রিল শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা। 

তারবার্তায় বলা হয়, স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচার হচ্ছে, খালেদা জিয়া চিকিত্সা নেয়ার অজুহাত দেখিয়ে তাঁর ছেলে তারেক ও কোকোকে নিয়ে সৌদি আরব চলে যেতে পারেন। অবশ্য কখন তাঁরা যাচ্ছেন, সে বিষয়টি বিএনপির সাবেক এমপি মুশফিক নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। তবে খালেদা যে সৌদি আরবেই যাচ্ছেন, সে বিষয়ে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV