উইকিলিকস প্রধান অ্যাসাঞ্জ গ্রেপ্তার

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: এই সময়ে সারাবিশ্বে বহুল আলোচিত জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করেছে বৃটিশ পুলিশ। সুইডেন থেকে ইস্যু করা ইউরোপিয়ান একটি পরোয়ানায় মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক গোপন লাখ লাখ দলিল ফাঁস করে দেয়ায় তিনি ওয়াশিংটনের রক্তচক্ষুর লক্ষ্যে পরিণত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোল জারি করেছে রেড এলার্ট। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকেও নিয়োগ করা হয়। ফলে লন্ডনে তাকে গ্রেপ্তার করার পর তাকে ইন্টারপোল বা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের হতে তুলে দেয়া হবে কিনা সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। মঙ্গলবার একটি যৌন নির্যাতনের মামলায় তিনি সাক্ষ্য দিতে পুলিশ স্টেশনে হাজির হলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বৃটিশ পুলিশ বলেছে- মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টায় তিনি লন্ডনের একটি পুলিশ স্টেশনে হাজির হন। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ করে দমননীতি, দু’টি যৌন নির্যাতন এবং একটি ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে সুইডিশ কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ আছে তিনি এসব ঘটনা ঘটিয়েছেন গত আগস্ট মাসে। তবে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ওইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা ৩৯ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক দলিল ফাঁস করে দেয়ার পর থেকে ছিলেন আত্মগোপনে। তবে মঙ্গলবার সকালেই তার আইনজীবী জানান দেন, তিনি যৌন নির্যাতন মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে শিগগিরই একটি পুলিশ স্টেশনে হাজির হবেন। এ মামলায় তিনি অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এবার যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য ফাঁস করে দেয়ার পর সুইডেন তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তার পর পরই গত ৩০শে নভেম্বর অ্যাসাঞ্জকে ইন্টারপোলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় দেখানো হয়। ওদিকে অ্যাসাঞ্জ নিজে তার জীবনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে বলে দাবি করেন। তার মা ও ছেলেকে আটক না করার আহ্বান জানান। কিন্তু সোমবার সবকিছু পাল্টে যায়। ওইদিন সুইডিশ কর্তৃপক্ষ তার সব ব্যাংক একাউন্ট বন্ধ করে দেয়। এর পর দিনই তিনি মঙ্গলবার পুলিশের কাছে ধরা দেন।
অ্যাসাঞ্জের দিনলিপি:
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের জন্ম অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের টাউন্সভিলে। তার পিতামাতা একটি ভ্রাম্যমাণ থিয়েটার কোম্পানি পরিচালনা করতেন। ১৯৭৯ সালে তার মা ক্রিস্টিন আবার বিয়ে করেন। তবে ১৯৮২ সালে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। ক্রিস্টিন এর আগে আরও একটি পুত্র সন্তানের মা হন। পরের ৫ বছর অ্যাসাঞ্জ ও তার বৈমাত্রেয় ভাইকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান ক্রিস্টিন। জুলিয়ান অনেক স্কুলে পড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন বিভিন্ন সময়ে। ১৯৮৭ সালে ১৬ বছর বয়সে তিনি নিজেকে ‘মেনডেক্স’ নাম দিয়ে ইন্টারনেট হ্যাকিং শুরু করেন। দুই হ্যাকারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন একটি হ্যাকিং গ্রুপ। নাম দেন ইন্টারন্যাশনাল সাবভারসিভস। শুরুতে তিনি নিয়ম কানুনে বলেছিলেন- কোন কম্পিউটার সিস্টেমের কোন ক্ষতি না করা। কোন সিস্টেমের তথ্যের কোন হেরফের না করা এবং তথ্য শেয়ার করা। তিনি হ্যাকিং করেন জেনে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ ১৯৯১ সালে তার মেলবোর্নের বাড়ি ঘেরাও করে। তখন দেখা যায় একটি মডেম ব্যবহার করে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডার টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি নরটেল ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্য দেখতে পেতেন। ১৯৯২ সালে তিনি ২৪টি হ্যাকিংয়ের অভিযোগ স্বীকার করেন। আটক অবস্থায় তাকে তখন ভাল ব্যবহারের কারণে ২১০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। ১৯৯৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়ার একটি প্রযুক্তিতে জড়িত ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে একজন প্রোগ্রামার হিসেবে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ মেলবোর্নে বসবাস করা শুরু করেন। এ সময়ে তিনি ফ্রি সফটওয়্যার বানাতে থাকেন। কম্পিউটারের বিভিন্ন সহায়ক বই লিখেছেন তিনি। অবশেষে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন উইকিলিকস। তখনই তিনি উইকিলিকসের নেপথ্য কারণ নিয়ে দু’টি রচনা লেখেন।
অ্যাসাঞ্জের দিনলিপি:
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের জন্ম অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের টাউন্সভিলে। তার পিতামাতা একটি ভ্রাম্যমাণ থিয়েটার কোম্পানি পরিচালনা করতেন। ১৯৭৯ সালে তার মা ক্রিস্টিন আবার বিয়ে করেন। তবে ১৯৮২ সালে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। ক্রিস্টিন এর আগে আরও একটি পুত্র সন্তানের মা হন। পরের ৫ বছর অ্যাসাঞ্জ ও তার বৈমাত্রেয় ভাইকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান ক্রিস্টিন। জুলিয়ান অনেক স্কুলে পড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন বিভিন্ন সময়ে। ১৯৮৭ সালে ১৬ বছর বয়সে তিনি নিজেকে ‘মেনডেক্স’ নাম দিয়ে ইন্টারনেট হ্যাকিং শুরু করেন। দুই হ্যাকারকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন একটি হ্যাকিং গ্রুপ। নাম দেন ইন্টারন্যাশনাল সাবভারসিভস। শুরুতে তিনি নিয়ম কানুনে বলেছিলেন- কোন কম্পিউটার সিস্টেমের কোন ক্ষতি না করা। কোন সিস্টেমের তথ্যের কোন হেরফের না করা এবং তথ্য শেয়ার করা। তিনি হ্যাকিং করেন জেনে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল পুলিশ ১৯৯১ সালে তার মেলবোর্নের বাড়ি ঘেরাও করে। তখন দেখা যায় একটি মডেম ব্যবহার করে তিনি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডার টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি নরটেল ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্য দেখতে পেতেন। ১৯৯২ সালে তিনি ২৪টি হ্যাকিংয়ের অভিযোগ স্বীকার করেন। আটক অবস্থায় তাকে তখন ভাল ব্যবহারের কারণে ২১০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। ১৯৯৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়ার একটি প্রযুক্তিতে জড়িত ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালে একজন প্রোগ্রামার হিসেবে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ মেলবোর্নে বসবাস করা শুরু করেন। এ সময়ে তিনি ফ্রি সফটওয়্যার বানাতে থাকেন। কম্পিউটারের বিভিন্ন সহায়ক বই লিখেছেন তিনি। অবশেষে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন উইকিলিকস। তখনই তিনি উইকিলিকসের নেপথ্য কারণ নিয়ে দু’টি রচনা লেখেন।
সর্বশেষ সংবাদ
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes