Tuesday, 20 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

উইসনসিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় থাকাকালীন সন্তানের জন্ম, তিন মাস পর হাতে পেলেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 129 বার

প্রকাশিত: February 4, 2021 | 11:32 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: উইসনসিনের কেলসি টাউনসেন্ড করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় ছিলেন। কোমায় থাকা অবস্থায়ই তিনি জন্ম দেন এক সন্তানের। গত সপ্তাহে জন্মের তিন মাস পর প্রথম লুসি নামের শিশুকন্যাকে দেখতে পেলেন কেলসি। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে তিনি ম্যাডিসন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। নিজের শিশু সন্তানকে হাতে নিয়েই কেলসি বলে ওঠেন ‘অসাধারণ’। সম্প্রতি এনবিসি নিউজ তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এনবিসিকে তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করে ছিলাম।
গত বছরের অক্টোবরের শেষদিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন কেলসি। সেসময় তিনি ছিলেন ৯ মাসের গর্ভবতী। তার কাশি ও নিউমোনিয়া দেখা গিয়েছিল। তার স্বামী ডেরেক টাউনসেন্ড জানান, এরপরই তাকে বাসা থেকে কাছের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই কোমায় ছিলেন কেলসি। কোমায় থাকা অবস্থায়ই লুসিকে জন্ম দেন তিনি। লুসির জন্মের পর তার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়। ফলাফল নেগেটিভ আসে। এরপর তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তবে পরে কেলসির শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে শুরু করলে তাকে ম্যাডিসনের হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কয়েক মাস ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ডেরেক জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা অনেকবার আমাকে জানিয়েছেন যে কেলসিকে হয়তো আর ফিরিয়ে আনা যাবে না। ডিসেম্বরের দিকে চিকিৎসকরা বলেন, কেলসিকে বাঁচাতে হলে তার ফুসফুস ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। এর কয়েক দিন পরে বড়দিনের দিন ডেরেক কেলসিকে ট্রান্সপ্লান্টের কথা জানান। এরপরই অনেকটা বিস্ময়করভাবে কেলসির ফুসফুসের উন্নতি হতে থাকে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তাকে আইসিইউ থেকে বাইরে আনা হয়। এরপরে আর তাকে ট্রান্সপ্লান্ট করতে হয়নি। কীভাবে তার ফুসফুস আবারো সুস্থ হয়ে উঠলো তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চিকিৎসক ড্যানিয়েল পি. ম্যাককার্থি।
এরপর গত ২৭শে জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান কেলসি। তবে তাকে এখনো অক্সিজেন নিতে হয়। কেলসির এই বেঁচে থাকার আকাঙ্খা তাদের পুরো পরিবারকে শক্তি যোগাচ্ছে, বলেন ডেরেক।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ