Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

উইসনসিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় থাকাকালীন সন্তানের জন্ম, তিন মাস পর হাতে পেলেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 41 বার

প্রকাশিত: February 4, 2021 | 11:32 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: উইসনসিনের কেলসি টাউনসেন্ড করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় ছিলেন। কোমায় থাকা অবস্থায়ই তিনি জন্ম দেন এক সন্তানের। গত সপ্তাহে জন্মের তিন মাস পর প্রথম লুসি নামের শিশুকন্যাকে দেখতে পেলেন কেলসি। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে তিনি ম্যাডিসন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। নিজের শিশু সন্তানকে হাতে নিয়েই কেলসি বলে ওঠেন ‘অসাধারণ’। সম্প্রতি এনবিসি নিউজ তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে। এনবিসিকে তিনি বলেন, আমি এই মুহূর্তের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করে ছিলাম।
গত বছরের অক্টোবরের শেষদিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন কেলসি। সেসময় তিনি ছিলেন ৯ মাসের গর্ভবতী। তার কাশি ও নিউমোনিয়া দেখা গিয়েছিল। তার স্বামী ডেরেক টাউনসেন্ড জানান, এরপরই তাকে বাসা থেকে কাছের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই কোমায় ছিলেন কেলসি। কোমায় থাকা অবস্থায়ই লুসিকে জন্ম দেন তিনি। লুসির জন্মের পর তার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়। ফলাফল নেগেটিভ আসে। এরপর তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তবে পরে কেলসির শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে শুরু করলে তাকে ম্যাডিসনের হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কয়েক মাস ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ডেরেক জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা অনেকবার আমাকে জানিয়েছেন যে কেলসিকে হয়তো আর ফিরিয়ে আনা যাবে না। ডিসেম্বরের দিকে চিকিৎসকরা বলেন, কেলসিকে বাঁচাতে হলে তার ফুসফুস ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। এর কয়েক দিন পরে বড়দিনের দিন ডেরেক কেলসিকে ট্রান্সপ্লান্টের কথা জানান। এরপরই অনেকটা বিস্ময়করভাবে কেলসির ফুসফুসের উন্নতি হতে থাকে। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে তাকে আইসিইউ থেকে বাইরে আনা হয়। এরপরে আর তাকে ট্রান্সপ্লান্ট করতে হয়নি। কীভাবে তার ফুসফুস আবারো সুস্থ হয়ে উঠলো তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন চিকিৎসক ড্যানিয়েল পি. ম্যাককার্থি।
এরপর গত ২৭শে জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান কেলসি। তবে তাকে এখনো অক্সিজেন নিতে হয়। কেলসির এই বেঁচে থাকার আকাঙ্খা তাদের পুরো পরিবারকে শক্তি যোগাচ্ছে, বলেন ডেরেক।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV