Tuesday, 10 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

উড়োজাহাজের উড়োচিঠি : বারটার ভালোবাসা ভালোবাসার বারটা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 168 বার

প্রকাশিত: February 14, 2021 | 12:49 PM

শামীম শাহেদ : বারটা বেজে গেছে। আজ ভালোবাসা দিবস। সবাই হাত ধরাধরি করে ফেইসবুকে ছবি দিচ্ছে। আমার প্রশ্ন- ‘ভালোবাসা’ আসলে কী? কোথায় অনুভূত হয়? যত সিরিয়াস প্রশ্ন করলাম লেখাটা সিরিয়াস না কিন্তু। আমেরিকা আসার পরপরের ঘটনা। ম্যানহাটানের একটা ফ্যাশন হাউজে গেছি একটা কাজে। স্মার্ট একটা ছেলের সাথে আধাঘন্টা কথা বলার পর সে বলল, আমি আসলে এই সিদ্ধান্ত দিতে পারব না। তুমি আমার হাজবেন্ড এর সাথে কথা বল। আমি কিছুটা ধাঁধাঁয় পড়ে গেলাম। একটু পরে আরেকটা ছেলে এসে কথা বলা শুরু করল। আমি বুঝলাম, এই তাদের ভালোবাসা। আরও বুঝলাম, অনেক অজানা আমার। নিউইয়র্কের পথে পথে আরও তিন-চার ধরনের ভালোবাসা চোখে পড়ে। প্রায়ই দেখা যায় শত বছরের কাছাকাছি বয়স, বুড়া-বুড়ি হাত ধরাধরি করে হাটছে। একজন আরেকজনকে সাহায্য করছে। হাসছে, খুনশুটি করছে চমৎকার তাদের প্রেম। আরেক ধরনের ভালোবাসা আছে যারা বাস-ট্রামে লেপ্টালেপ্টি করতে থাকে। দুটি সিটের তাদের দরকারই হয় না। অন্য যাত্রীরাও বেশ ভদ্র। পাশের সিট খালি থাকার পরও কেউ বসছে না, কেউ তাদের বিরক্ত করছে না। আরেক ধরনের ভালোবাসা আছে, সারাক্ষণ ঝগড়া করে। সম্ভবত পৃথিবীর সবচাইতে রোম্যান্টিক জায়গাতে নিয়ে গেলেও তারা ঝগড়াই করবে। এদের সবার ভালোবাসার সংগা নিশ্চয়ই ভিন্ন?

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে একবার বাংলাভিশনে একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। নাম ছিল ‘ভালোবাসায় ভালোবাসা’।

অভিনেতা মোশারফ করিম, তার স্ত্রী রোবেনা রেজা জুই, চিত্রনায়ক রিয়াজ, তার স্ত্রী মুশফিকা টিনা, অভিনেত্রী রিচি আর

গায়ক তপু ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। সবাইকে একটা প্রশ্ন করেছিলাম, ভালোবাসার মানে আসলে কী? চিত্রনায়ক রিয়াজ বললেন, ঝগড়া করতে চেয়েও ঝগড়া করতে না পারাটাই আসলে ভালোবাসা। টিনা মাথা নেড়ে সমর্থন জানালেন।

মোশারফ করিম বললেন, ভালোবাসাটা আসলে শরমের ব্যাপার, কিন্তু দরকার আছে। আমি বললাম, আরেকটু ব্যাখ্যা করেন। মোশারফ করিম বললেন, খুশি আর লজ্জার মাঝামাঝি সেই হাসিটা হাসতে পারা এবং সেই হাসিটার জন্য অপেক্ষা করতে পারাটাই হল ভালোবাসা। মান্নাদের গানে যেমনটা পাওয়া যায়। রিচি বললেন, ভালোবাসা আসলে এমন একটা জায়গা যেখানে কোনো শর্ত থাকবে না। শুধুই ভালোলাগা থাকবে। নিঃশর্ত ভালোলাগা। রোবেনা রেজা জ্ইু এক্ষেত্রে আরেকটু রহস্যময় উত্তর দিলেন, ভালোবাসা আসলে ভালোবাসা-ই। এটা ব্যাখ্যা করা যায় না। অনুভব করতে হয়। গায়ক তপু অবশ্য সবার থেকে আলাদা। তার মতে গভীরতম বন্ধুত্ব হলো ভালোবাসা। এক পায়ে নুপুর আর অন্য পা খালি থাকার পরও যদি কাউকে ভালোলাগে তাহলে সেটাই ভালোবাসা। এত উত্তরের পরও আমার কাছে বিষয়টা কেমন যেন ঘোলাটেই থেকে গেল। বিভিন্ন কৌতুকে আরও কিছু ভালোবাসার ধরন খুঁজে পেলাম। একবার এক দুলাভাই ভুল করে নিজের স্ত্রী হাসিকে মনে করে শালি খুশিকে জড়িয়ে ধরলেন। খুশি বলল, দুলাভাই আমি খুশি। দুলাভাই বললেন, আমিও কি কম খুশি। আমার মনে প্রশ্ন এল, তাহলে এটা শালি দুলাভাইয়ের ভালোবাসার কত নম্বর ধরন?একবার এক তরুণ এক গণকবাবাকে প্রশ্ন করল, বাবা কোনো তরুণ তরুণী যদি রাতে একসাথে একঘরে ঘুমায় তাহলে কি তাদের পাপ হবে?গণকবাবা বললেন, ঘুমালে তো পাপ হবে না। কিন্তু তোরা তো ঘুমাস না। আরেক তরুণ গনকবাবাকে প্রশ্ন করল, বাবা বিয়ে ছাড়া কি বাচ্চা হয়? গণকবাবা বললেন, এটা কী ধরনের কথা, বিয়ে ছাড়া কীভাবে বাচ্চা হবে? তরুণ বলল, আপনি জানেন না, হয়। আমি নিজে ট্রাই করে দেখেছি। এই গল্পগুলো যখন আমি আমার এক বন্ধুকে বললাম, সে সরল মনে প্রশ্ন করল, আমি বুঝি না তরুণ-তরুণীর ভালোবাসার মধ্যে এসব আবার কী?নববিবাহিত এক তরুণ তার বিবাহিত বন্ধুকে প্রশ্ন করল, আচ্ছা স্ত্রীর জন্মদিন মনে রাখার উপায় কী? বন্ধুটা বলল, একবার ভুলে গিয়ে দেখ কী হয় তারপর থেকে আপনাআপনি মনে থাকবে। আমার এক বন্ধু স্ত্রীর জন্মাদিন যাতে সহজে মনে রাখা যায় সেজন্য স্ত্রীর জন্মদিনের দিন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল। তারপর সে এতটাই নিশ্চিত ছিল যে প্রথম বছর দুইটাই ভুলে গেল। ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে এক তরুণের রানওয়ে দেখার ঘটনা আমি আগেও বলেছি। একবার এক তরুণী একটা প্লেনের লকেট পরে অফিসে এলো। হঠাৎ সে লক্ষ করল তার এক সহকর্মী লকেটের দিকে তাকিয়ে আছে। তরুণীটি প্রশ্ন করল, কী দেখেন প্লেন? তরুণটি উত্তর দিল, না, রানওয়ে। এই গল্পটা যখন আমি ফেইসবুকে লিখলাম আরেক তরুণ কমেন্ট করল, শুধু রানওয়ে না, আমরা পুরো এয়ারপোর্ট দেখতে চাই।কি বাজে কি বাজে!!কয়েকজন মেয়েবন্ধু মিলে আড্ডা দিচ্ছে। হঠাৎ একজন প্রশ্ন করল, আচ্ছা কয়েকটা ছেলে একসাথে হলে তারা এত কী নিয়ে গল্প করে বুঝি না। আরেকজন বলল, আমাদের মতো সেক্স-টেক্স নিয়েই গল্প করে আর কী করবে। এটা শুনে আগেরজন বলল, বলিস কি ছেলেরা এত খারাপ? বান্ধবী-শব্দটা আমার পছন্দ না বলে মেয়েবন্ধু লিখলাম। তাহলে প্রথম গল্পটা বাদ দিলে এটা বলা যায় যে, এক ধরনের ভালোবাসা আছে যেখানে ছেলে-মেয়ের মিলন খুব জরুরি।নিউইয়র্কের আরেক ভালোবাসার গল্প শুনলাম সেদিন। এক বিবাহিত মহিলা আরেক তরুণের প্রেমে পড়ে গিয়ে সংসার ভাঙ্গার জোগাড়। আমেরিকায় আবার স্বামী-স্ত্রী আলাদা হয়ে গেলে সম্পত্তি, জমি-জমা সবই দুজন অর্ধেক অর্ধেক পায়। তাদের ডিভোর্সের পর দেখা গেল একই বাড়িতে স্বামী তার নতুন এক মেয়ে বন্ধুকে নিয়ে এক রুমে থাকছে, স্ত্রী তার ছেলে বন্ধুকে নিয়ে আরেক রুমে থাকছে। কারন দুজনেই বাড়ির দাবিদার। প্রতিবেশির প্রতি ভালোবাসার আরেকটা ধরন আছে এবারের গল্পটায়। একবার এক স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, শোনো, পাশের বাসার ভাই-ভাবী অনেকক্ষণ ধরে ঝগড়া করছে। যাওনা, একটু দেখনা কী নিয়ে এত ঝগড়া?স্বামী বলল, আমি একবার গিয়েছিলাম সেটা নিয়েই ঝগড়া। স্বামীর ভালোবাসা তাহলে কোন পথে?একবার বাসর রাতে এক স্বামী তার নতুন স্ত্রীর কাধে হাত রাখল, তারপর ঘারে হাত রাখল, তারপর গলায়। এমন সময় স্ত্রী বলল, না না, আমি আম্মুকে কথা দিয়েছি বিয়ের পর আর এসব না।এই ভালোবাসা কি তাহলে সততার প্রতি?প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার বিভিন্ন নির্দশনও এখানে দেখা যায়।একবার এক বন্ধুর বাসায় খেতে বসেছি। বন্ধুটি জিজ্ঞাসা করল, তোমাকে কি কোক দেব? আমি বললাম, দাও। সে বলল, দাড়াও আনতেসি। বলে সে ফ্রিজের দিকে না গিয়ে দরজা খুলে বাইরে চলে গেল। ত্রিশ সেকেন্ড পর হাতে একটা কোক নিয়ে ঘরে ঢুকল। আমি কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই বলল, বাইরে টেম্পারেচার মাইনাস টেন। তাই কোকের বোতলটা বারান্দায় রেখেছিলাম। আমেরিকানদের ভালোবাসা এখানেই শেষ না। আমেরিকায় আসার পাঁচ-ছয় মাস পরের ঘটনা। ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট থেকে চিঠি পেলাম, ফিংগার প্রিন্ট দিতে যেতে হবে। সুন্দর ছিমছাম অফিস। আধাঘন্টা অপেক্ষা করার পর তরুণী মতো এক অফিসার ইশারায় ডাকল। ফিংগার প্রিন্টের পাশপাশি আমার অফিসিয়াল ছবিও তোলা হবে। আমার টেনশন দেখে কে। আমি পরনের জ্যাকেট খুলে ফেললাম। সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটা ক্ষেপে গেল, তুমি জ্যাকেট খুললে কেন? আমি কি তোমাকে জ্যাকেট খুলতে বলেছি?আমি বললাম, সরি ম্যাম। আমি বুঝতে পারিনি। বলেই আবার জ্যাকেট পরতে শুরু করলাম। মেয়েটা বিরবির করে বলতে লাগল, আমি বুঝি না, আমার সামনে এলেই ছেলেপেলেরা পোষাক খুলতে শুরু করে কেন?আমি হো হো করে হেসে উঠলাম। আমার সমস্ত টেনশন চলে গেল। সে আমার প্রত্যেকটা আঙুল ধরেধরে যতেœর সাথে ফিংগার প্রিন্ট নিতে লাগল। আমি ফিসফিস করে বললাম, জানে, গত ছয় মাসে তুমি-ই একমাত্র নারী যে আমাকে স্পর্স করলে।এবার মেয়েটা হো হো করে হসে উঠল। কাজ শেষ করে আসার সময় মেয়েটা আবার ইশারায় কাছে ডাকল। বলল, শোনো তোমার পারফিউমটা চমৎকার।আমি হাসতে হাসতে উত্তর দিলাম, তিন ফিট দূর থেকে তুমি তো পারফিউমের গন্ধ ঠিকমতো পাও-ই নাই। আরও কাছে আসতে হবে।মেয়েটা আবার হো হো করে হেসে উঠল। বলল, বাংলাদেশিরা অনেক রসিক হয় দেখছি।আমি বললা, আমেরিকানরাও। এই ভালোবাসাকে আমরা কী নাম দেব? স্পর্শে ভালোবাসা?গণকবাবার প্রতি ভালোবাসর আরেকটা নমুনা দেই।এক তরুণী একবার এক গণকবাবাকে গিয়ে বলল, বাবা আপনার তো অনেক জ্ঞান আমাকে একটু জ্ঞান দেবেন?গণক বাবা বললেন, কাছে আসো।তরুণী বলল, আসলাম।গণকবাবা বললেন, আরেটু কাছে আসো।তরুণী বলল, আসলাম।আরও কাছে।না বাবা আর কাছে আসব না।গণকবাবা বললেন, তোমাকে জ্ঞান দেব কি। তোমার তো জ্ঞান আছে। প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার একটা গল্প মনে পড়ে গেল।এক দেশে বিভিন্ন দেশের সেনাপতিদের তলোয়ার চালানোর প্রতিযোগিতা হচ্ছে। বলা হল, একটা মশা ছেড়ে দেওয়া হবে সেনাপতি তাকে তলোয়ার দিয়ে কতল করবেন।প্রথমে ইওরোপের এক সেনাপতি এলেন। মশা ছাড়া হলো তিনি সাঁই করে তলোয়ার চালালেন, মশাটা দুই ভাগ হয়ে মাটিতে পড়ে গেল। আমেরিকার সেনাপতি এলেন, তিনিও সাঁই করে মশাটাকে দুই ভাগ করে ফেললেন। এবার এশিয়ার সেনাপতির পালা। একটা মশা ছাড়া হলো। সেনাপতি তলোয়ার চালালেন। কিন্তু মশা টা মরল না। ভনভন শব্দে উড়ে চলে গেল।বিচারক জানতে চাইলেন, এটা কী হলো?এশিয়ার সেনাপতি বললেন, জনাব আমি মশাটার এমন জায়গাতে মেরেছি যে সে জীবনে পিতা হতে পারবে না। কি বাজে! কি বাজে!এবার ক্লায়েন্টের প্রতি ভালোবাসার গল্পে আসি। এই ভালোবাসাটা নিজ দেশের। তখন আমি বাংলাভিশনের অনুষ্ঠান প্রধান। পনের তলার উপরে অফিস। ২০১৬-১৭ এর দিকে পরপর কয়েকবার ভূমিকম্প হল যে সেই সময়ের ঘটনা। অফিসে বসে আছি হঠাৎ ভূমিকম্প হলো, পুরো অফিস কেঁপে উঠল। আমার সহকর্মী তারেক আখন্দ এবং ইমরুল হাসান ইমন এসে বললেন, শামীম ভাই চলেন নিচে নামি, সেকেন্ড অ্যাটাক হতে পারে।আমরা নিচে নামলাম। আমাদের বিল্ডিং এর পাশই দোতলা বিল্ডিংয়ের দোতলায় একটা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট আছে। তারেক সাহেব বললেন, বাইরে না দাড়িয়ে থেকে চলেন রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসি।আমাদের দেখে ওয়েটার এগিয়ে এলো। ইমরুল হাসান ইমন সাহেব সুপ আর চমিন অর্ডার করলেন। শুধুশুধু বসে না থেকে কিছু একটা চিবানো।কয়েক দিন পর আবার ভূমিকম্প হলো। আমরা আবার রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসলাম। ইমন সাহেব সুপ আর চমিন অর্ডার করলেন। তৃতীয়বার আবার ভূমিকম্প হলো। আমরা রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। সঙ্গে সঙ্গে ওয়েটার এসে বলল, স্যার বসেন সুপ আর চমিন রেডি আছে। বোনাস: ম্যাডামের প্রতি ভালোবাসাএকবার এক বাচ্চা ছেলে তার বাবাকে এসে বলল, বাবা আমাদের নতুন ম্যাডাম কিন্তু দেখতে বেশ সুন্দর। বাবা ধমক দিয়ে বললেন, ছিঃ ম্যাডামরা মায়ের মতো হয়। ছেলেটা বলল, বাবা তুমি আজীবন নিজের বুঝটাই বুঝলা।ভালোবাসা নিয়ে আমি আবোল-তাবোল যা-ই বলি না কেন `ভালোবাসা’ শব্দটা কিন্তু `আবোল-তাবোল’ এর মতোই সংগা ছাড়া। শুধু আমিই না অনেকেই এই শব্দের রহস্যের কথা বলেছেন। জনপ্রিয় জামাইকান গায়ক, সংগীত শিল্পী বব মার্লের একটা উক্তি মনে পড়ে গেল। ‘তুমি বলছ, বৃষ্টি ভালোবাস। কিন্তু বৃষ্টি এলেই তার থেকে বাঁচতে ছাতা হাতে নিচ্ছ। তুমি বলছ, সূর্য ভালোবাসো। কিন্ত সূর্য স্পষ্ট হলেই তার থেকে বাঁচতে ছায়ায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছ। তুমি বলছ, বাতাস ভালোবাসো। কিন্তু বাতাস থেকে বাঁচতে জানালা বন্ধ করে দিচ্ছ। তাই আমি ভয় পাই কখন আবার আমাকে ভালোবাসতে শুরু করবে। ’ভালোবাসার সাথে আমাদের সম্পর্কটা আসলেই রহস্যপূর্ণ।

-শামীম শাহেদ,

কুইন্স, নিউইয়র্ক, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১। পেইজবুক থেকে।

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV