Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
Women’s Participation Makes Peace and Security More Durable and Inclusive: Irene Khan সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
সব ক্যাটাগরি

উত্তর আমেরিকায় ঈদুল আদহা ১লা সেপ্টেম্বর শুক্রবার : নিউইয়র্ক ঈদগাহ’র ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 38 বার

প্রকাশিত: August 4, 2017 | 7:23 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : উত্তর আমেরিকায় ঈদুল আদহা ১লা সেপ্টেম্বর শুক্রবার। চাঁদ দেখার ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নিউইয়র্ক ঈদগাহ এই মর্মে ঘোষণা করছে যে, ১৪৩৮ হিজরী সনের জিলকা’দাহ মাস ৩০ দিন পরিপূর্ণ হয়ে পবিত্র জিলহজ্জ মাসের ১লা তারিখ হবে আগামী ২৩ শে আগষ্ট বুধবার। সে অনুযায়ী এই বৎসরের (২০১৭/১৮৩৮) পবিত্র হজ্জ বা ওয়াকূফে আরাফার দিন হবে ৯ই জিলহজ্জ বৃহস্পতিবার, মোতাঃ ৩১ শে আগষ্ট, তাই উত্তর আমেরিকায় পবিত্র ঈদুল আদহা হবে আগামী ১লা সেপ্টেম্বর শুক্রবার, জুমুআর দিন। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সকল দেশ এবং বাকি বিশ্বও আশা করি ঐ একই দিন ঈদুল আদহা পালন করবে বলে নিউইয়র্ক ঈদগাহ আশা করছে। নিউইয়র্ক ঈদগাহ’র প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইমাম কাজী কায়্যূম ঈদুল ফেতরের ন্যায় আগামী শুক্রবার ঈদুল আদহার ৫টি জামাতই (১ম জামাত সকাল ৭ঃ০০ টা, তারপর ৮ঃ০০ টা, ৯ঃ০০ টা, ১০ঃ০০ টা ও শেষ জামাতটি ১১ঃ০০ টায়) পিএস-৬৯ ও জুইশ সেন্টার সংলগ্ন ৭৭ ষ্ট্রিটেই অনুষ্টিত হবে। প্রবাসে ইসলাম ধর্মীয় তাহজীব ও তামাদ্দুন ও সমগ্র মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর পদাঙ্খ অনুস্মরণ ও তাঁর আদর্শকে জীবন্ত করে রাখার প্রত্যয়ে মৃদোচ্ছস্বরে তাকবীরের তাশরীকের শ্লোগানে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও আমাদের নতুন প্রজন্ম সহ নিউইয়র্ক ঈদগাহ’র ঐতিহ্যবাসী ঈদুল আদহার জামাতে শরীক হবার জন্য সকল প্রবাসী ভাই-বোনদেরকে অনুরোধ করা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০১১ সনের ঈদুল ফেতরের ঈদ জামাত আয়োজনের মাধ্যমে নিউইয়র্ক মুসলিম কম্যিউনিটির দীর্ঘদিনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় মোহাম্মদী সেন্টার কর্তৃক জ্যকাসন হাইটসে নিউইয়র্ক ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যার সুন্দর ও নির্ভুল পরিচালনা, নিয়মানুবর্তিতা এবং আধ্যাত্মিকতার আত্মতৃপ্তি ইতিমধ্যেই নিউইয়র্কে বসবাসকারী মুসল্লিদের মন-প্রাণ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে। যেজন্য জ্যামাইকা, ব্রুকলীন, ব্রঙ্কস, ম্যানহাটন এমনকি লং আয়ল্যান্ড থেকেও ঐতিহ্যবাসী নিউইয়র্ক ঈদগাহর ঈদ জামাতে শরীক হবার জন্য প্রচুর সংখ্যক মুসল্লিরা এসে সমবেত হোন, যেটি আমাদের সকল প্রবাসীদের জন্য এক বিরাট আনন্দের অধ্যায়। তাই, দল-মত-ফেরকা নির্বিশেষে আপনার আশেপাশের এখানে সেখানে ( হোকনা যত বড় কিংবা ছোট জামাত) অথবা সুন্নাতের অনুস্মরণ ছাড়া যত সুন্দর মসজিদই হোক না কেন মসজিদের ভিতরে বা বেসমেন্টে নামাজ আদায় না করে গুরুত্বপূর্ণ ঈদের জামাতটি ঈদগাহে এসেই আদায় করার সুযোগ গ্রহণ করতঃ প্রবাসে ঈদগাহের ঐতিহ্যকে গড়ে তুলতে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীর প্রতি আবারো থাকলে আমাদের আন্তরিক সুস্বাগতমী অনুরোধ। মুসল্লিগণকে দয়া করে ওজু এবং জায়নামাজ সহ ঈদগাহে আসতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। মহিলাদের জন্য ব্যবস্থা আছে।

ফ্রি কোরবানীর মাংস বিতরণ ও গ্রহণঃ

যারা বা যে সমস্ত পরিবার কোরবানী দিতে অসমর্থ, তাদের মাঝে স্বল্প পরিসরে হলেও ঈদের পরের দিন শনিবার, ২রা সেপ্টেম্বর, বিকাল ৪ঃ০০টা থেকে ৬ঃ০০টা পর্যন্ত আপনাদের অনুদানকৃত মাংস গ্রহণ এবং ৭ঃ০০ টা থেকে ৮ঃ০০ টা পর্যন্ত তা ফ্রি বন্ঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপনি কোরবানী দিয়ে থাকলে, যারা কোরবানী দিতে পারেননি তাদের জন্য আপনার কোরবানীর কিছু অংশ (যত বড় বা ছোট হোক না কেন) অনুদান হিসেবে দিতে পারেন। মনে রাখবেন, কোরবানীর মাংস ৩ ভাগ করে ১ ভাগ নিজের জন্য, ২য় ভাগ আত্মীয় স্বজন ও ৩য় ভাগ সমাজের ঐসব লোক বা পরিবারের জন্য যারা কোরবানী দিতে পারেননি, দেয়ার বিধি ইসলাম ধর্মে রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ্, বিগত ৫ বছর অর্থাৎ ২০১২ ইং থেকে মোহাম্মদী সেন্টারের রামাদান ফাউন্ডেশান কর্তৃক নেয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের কল্যাণে এই প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। আপনার স্বস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এটিকে আরোও প্রসারিত করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বাংলাদেশে যারা কোরবানী দিতে চান তাদের পক্ষেও রামাদান ফাউন্ডেশান কোরবানী আদায়ের ব্যবস্থা করে থাকে। বিস্তারিত জানার জন্য (৭১৮)-৮৬৪-৪৮০৩ এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।
মাংস গ্রহণ ও বিতরণের স্থানঃ জ্যাকসন হাইটসে মোহাম্মদী সেন্টারের অফিস ৩৭-২২ ৭৩ ষ্ট্রিট সংলগ্ন কবির টাওয়ার ও একুশে গলির সামনে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ