Tuesday, 21 July 2026 |
শিরোনাম
Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক: এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের আহ্বান শিশু ও নারীর কল্যাণে বিনিয়োগ সুরক্ষায় ঋণসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান ড. তিতুমীরের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা Trump Admin Rescinds Public Charge Rule BOROUGH PRESIDENT GIBSON ANNOUNCES SIGNIFICANT INVESTMENTS IN THE BRONX EU and G77 express support for Bangladesh’s smooth and sustainable LDC graduation নিউইয়র্কে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের সঙ্গে ইইউ ও জি-৭৭-এর প্রতিনিধিদলের বৈঠক: বাংলাদেশের মসৃণ ও টেকসই এলডিসি উত্তরণে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত নিউইয়র্কে জাতিসংঘে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মনজুর: অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
সব ক্যাটাগরি

এন্টার্কটিকার পেঙ্গুইন গণনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 177 বার

প্রকাশিত: January 28, 2013 | 7:06 PM

 

এবিএম সাইফুল ইসলাম গাজী : এন্টার্কটিকা! বরফাবৃত এক মহাদেশ। যাকে বলা হয় পৃথিবী দক্ষিণ South Pole বা কুমেরু, যার আয়তন ১,৩৭,২৬,৯৪৭ বর্গকিলোমিটার। এর মাঝে মালভূমি ও পর্বতশৃঙ্গ দেখা যায়। এখানকার মাউন্ট ইরেবাস একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। বরফের নিচে বিশাল বিশাল হ্রদও আছে। গ্রীষ্মকালে এখানকার উপকূলীয় অঞ্চলে সিল, তিমি ও পেঙ্গুইনসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি দেখা যায়। পৃথিবীর বুকে এই প্রথম গোটা একটা প্রজাতিকে শনাক্ত করা গেছে সুদূর মহাকাশ থেকে। এই প্রজাতিটির নাম হলো এন্টার্কটিকার পেঙ্গুইন। উপগ্রহ থেকে হাই রেজুলেশন ছবি বিশ্নেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, দক্ষিণ মেরুতে পেঙ্গুইনের সংখ্যা হবে প্রায় ৬০০০০০। তবে আগে যা ধারণা করা হয়েছিল, এই সংখ্যা তার দ্বিগুণ। এই গবেষণাটি করেছে ব্রিটিশ এন্টার্কটিক সার্ভে। মেরু অঞ্চলে বিশাল এলাকাজুড়ে সমুদ্রের ভাসমান বরফের উপরে উপনিবেশ করে থাকে এই পেঙ্গুইনরা। এই সার্ভের প্রধান পিটার প্যাট্টের বলেছেন, নতুন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সারাবিশ্ব বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর গতিবিধি ও তাদের সংখ্যা গণনা করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে বড় আকারের তৃণভোজী প্রাণী। আশপাশের পরিবেশের তুলনায় যাদের গায়ের রং আলাদা করা সহজ, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বেশি প্রযোজ্য। পেঙ্গুইনের চলাফেরা গতিবিধির নিখুঁত হিসাব দিতে পারবে, মহাকাশে উপগ্রহ থেকে তোলা এসব অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছবি। এখানে একটানা ৬ মাস দিন ও ৬ মাস রাত। আর এই ৬ মাস দিনের সময়ই এখানে গ্রীষ্মকাল। এ সময় তাপমাত্রা কখনও কখনও হিমাঙ্কের উপরে উঠে। অন্য সময় ৬ মাস রাতে শীতকাল। এ সময় তাপমাত্রা সব সময়ই ০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থাকে।আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV