ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে স্বাধীনতার ৪১ তম বার্ষিকী পালিত : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী কিনটন-এর শুভেচ্ছা
USA NEWS : যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ২৬ মার্চ ৪১ তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিমন্ত্রী আকরামুল কাদের দূতাবাস প্রাঙ্গনে জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শুনানো হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি এবং দেশ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ উপলক্ষে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এক সম্বর্ধনার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সম্বর্ধনার সূচনা ঘটে। এ উপলক্ষে বক্তব্য দানকালে রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ৭১’র শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। যেসব মার্কিন নাগরিক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সমর্থন যুগিয়েছিলেন রাষ্ট্রদুত কাদের তাদের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এসব বাংলাদেশী বন্ধুদের সম্মাননা প্রদান করছে। সরকারের রূপকল্প ২০২১ এর কথা উল্লেখ করে আকরামুল কাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশ এবং উন্নয়ন সহযোগিদের সমর্থনের উপর গুরুত্বআরোপ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ়তর করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মধ্য এবং দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী জিওফ্রে আর. পায়াট সম্বর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন। পায়াট তাঁর বক্তব্যে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের স্বাধীনতা দিবসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী কিনটন-এর শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশকে একটি মডারেট, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ভারপ্রাপ্ত এ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী বাংলাদেশকে তার প্রতিবেশী অনেক রাষ্ট্রের জন্য একটি আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে বর্ণনা করেন।
পায়াট জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে আরো বলেন যে এটি বিশ্ব শান্তি এবং স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অভিন্ন লক্ষ্যেরই প্রতিফলন। তিনি বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সর্ম্পকের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বাংলাদেশকে বৃহত্তর আঞ্চলিক কৌশলগত এজেন্ডায় যুক্তরাষ্ট্রের এক সহযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কূটনীতিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের সদস্য, কংগ্রেশনালস্টাফার্স, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক এবং বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকগণ এ সম¦র্ধনায় যোগ দেন। সম্বর্ধনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর উপর একটি প্রামান্য চিত্রও প্রদর্শন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের বাংলাদেশী ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি