আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা ওসামা যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে বন্দি ছিলেন!
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে নিহত হওয়ার আগে আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা ওসামা বিন লাদেন ‘কিছু সময়’ মার্কিন কারাগারে আটক ছিলেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ দাবি করেছেন, এ ব্যাপারে তাঁর কাছে যথাযথ তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে ১২ ফিলিস্তিনি নিহত ও কয়েক শ আহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আহমাদিনেজাদ ইসরায়েলকে ক্যান্সার-কোষ আখ্যায়িত করে বলেন, এ অঞ্চলের সংক্রমণ ঠেকাতে ইসরায়েলকে অবশ্যই উৎখাত করতে হবে।
গত রবিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ বলেন, ‘আমার কাছে যথাযথ তথ্য রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হাতে বিন লাদেন কিছু সময় আটক ছিলেন… তাঁর মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বিন লাদেন মার্কিনিদের হাতে বন্দি ছিলেন।’ সরাসরি সম্প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে আহমাদিনেজাদ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘দয়া করে আপনারা এদিকে মনোযোগ দিন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। বিন লাদেন মার্কিন বাহিনীর হাতে কিছু সময় আটক ছিলেন। আটকের পর তারা (মার্কিনিরা) তাঁকে (বিন লাদেন) অসুস্থ করে ফেলে। যখন তিনি (বিন লাদেন) অসুস্থ হয়ে পড়লেন তখন তাঁকে হত্যা করা হলো।’
বিন লাদেনের মৃত্যুকে ‘রাজনৈতিক সাফল্য’ ঘোষণা করায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দোষারোপ করেন ইরানি প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী রাজনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছেন? অন্যভাবে বললে, ওবামাকে নির্বাচনে জেতানোর জন্য বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়েছে।’
গত রবিবার নাকবা দিবসের ৬৩তম বার্ষিকীতে বিক্ষোভরত ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ১২ ফিলিস্তিনি নিহত ও শতাধিক আহত হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় আহমাদিনেজাদ বলেন, ‘এর মাধ্যমে ইসরায়েল তাদের আসল চরিত্র আবারও বিশ্বের সামনে তুলে ধরল। শরীরে যেমন ক্যান্সার-কোষ ছড়িয়ে পড়ে, ইসরায়েল একইভাবে এ অঞ্চলকে রোগাক্রান্ত করছে। শরীর থেকে এ ক্যান্সার-কোষ অবশ্যই সরিয়ে ফেলতে হবে।’ সূত্র : এএফপি।কালের কণ্ঠ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030