Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

ওয়াশিংটন পোষ্টকে শেখ হাসিনা ‘আমি কীভাবে ড. ইউনূসের বয়স কমাবো? র্যাব বিচারের উর্ধ্বে নয়’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 71 বার

প্রকাশিত: October 12, 2011 | 7:43 PM

এনা: জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ-দানকালে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাত্কার নেয় ওয়াশিংটন পোস্ট। সেটি প্রকাশিত হয়েছে ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার। উল্লেখ্য যে, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার স্বপন সাহা এ সাক্ষাত্কারের সমন্বয় করেন। উল্লেখ্য যে, ড. মুহম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের টানপোড়েন চলছে এবং তার অবসানে হিলারি-দীপুমনির বৈঠকের আগেরদিন ওয়াশিংটন পোস্টে এ সাক্ষাত্কার প্রকাশিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। এখানে তা  উপস্থাপন করা হলো।

ওয়াশিংটন পোস্ট :গত বছর বাংলাদেশের দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ৩১.৫% হয়েছে। ২০০৫ সালে তা ছিল ৪০%। এটি কীভাবে সম্ভব হচ্ছে তা কি জানাবেন?

শেখ হাসিনা :আমি প্রথমবারের মত যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছি (১৯৯৬) তখন থেকেই চেষ্টা করেছি দারিদ্র্যের মূল কারণ কী তা জানতে এবং তা জানার মাধ্যমেই  কীভাবে দারিদ্র্য হ্রাস করা যেতে পারে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেই। আমরা চাই খাদ্য নিরাপত্তা বলয় স্থাপন করতে। এজন্য আমরা অতিরিক্ত খাদ্য উত্পাদনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছি। একই সাথে আমরা এমন একটি বিতরণ প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছি যার মাধ্যমে গরিবের চেয়েও গরিব মানুষের কাছে সবচেয়ে দ্রুত খাদ্য পৌঁছানো সম্ভব। আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঐসব গরিব মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছি। এখন মাত্র ১০ টাকা দিয়ে আমাদের কৃষকরা ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে পারেন। ঐ একাউন্টের মাধ্যমে কৃষিপণ্য ক্রয়ের সরকারি ভর্তুকির অর্থ সরাসরি পৌঁছে যাচ্ছে কৃষকের কাছে। সে টাকা তারা কৃষি উত্পাদনে ব্যবহার করতে পারেন এবং ঐভাবেই মানুষের কর্মসংস্থানের পথ সুগম হচ্ছে। আমরা একটি ব্যাংক স্থাপন করেছি যুব সমাজকে চাকরি প্রদানের লক্ষ্যে।  কোন ধরনের জামানত ছাড়াই যুবকরা এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারে ব্যবসা শুরুর উদ্দেশ্যে। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার মাধ্যমে সর্বসাধারণকে সচেতন করতে পারলে দারিদ্র্য হ্রাসে তারাও ভূমিকা পালনে সক্ষম হবেন। এজন্য পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণ ফ্রি করা হয়েছে। মহিলাদের জন্য হাইস্কুল পর্যন্ত ফ্রি লেখাপড়ার ব্যবস্থা রয়েছে বাংলাদেশে।

ওয়াশিংটন পোস্ট :গ্রামীণ ব্যাংক তথা ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে আপনার প্রথম মেয়াদে আপনি মুহম্মদ ইউনূসের প্রশংসা করেছেন। মুহম্মদ ইউনূসের সে মতবাদ কীভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে আপনি সেটিও বলেছেন। সর্বশেষে বলাবলি হচ্ছে যে, আপনি তাকে গামীণ ব্যাংক থেকে ফায়ার (বরখাস্ত) করেছেন এবং আপনি তাকে সুদখোর হিসেবেও অভিহিত করেছেন?

শেখ হাসিনা :আই এম সরি, আমি তাকে বরখাস্ত করিনি।

ওয়াশিংটন পোস্ট :বাংলাদেশের মিডিয়া জানিয়েছে যে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা :না, এটি ঠিক নয়।

ওয়াশিংটন পোস্ট :এ ব্যাপারে বিস্তারিতভাবে কিছু বলবেন কী? কীভাবে তারা দারিদ্র্যকে লালন  করছে?

শেখ হাসিনা :দেখুন, গ্রামীণ ব্যাংক হচ্ছে সরকারি ব্যাংক। এটি প্রাইভেট ব্যাংক নয়। এটি হচ্ছে সরকারের সংবিধিবদ্ধ একটি সংস্থা; তার নিজস্ব একটি নীতিমালা রয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের আইন অনুযায়ী যে ব্যক্তির বয়স ৬০ বছর অতিবাহিত হবে তারপক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই। আমরা কেবল তাকে ঐ আইনের কথাই স্মরণ করিয়ে দেই এবং তাকে দেশের আইন মেনে চলার পরামর্শ দেই। তিনি বাস্তবিক অর্থে সরকারি কর্মচারী হয়েও কখনোই কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেননি। এ অবস্থায় আপনি বলুন, কীভাবে আমি তার বয়স কমাবো?

ওয়াশিংটন পোস্ট :কিন্তু আপনি বলছেন দারিদ্র্য হ্রাসে সেটি কোন ভূমিকা রাখছে না, অধিকন্তু দারিদ্র্যকে লালন করছে—এর মাধ্যমে আপনি কী বুঝাতে চাচ্ছেন?

শেখ হাসিনা :আমাকে একটি কথা বলতে দিন, আমি যদি আপনাকে ২০ হাজার ডলার দেই, তাহলে প্রতি সপ্তাহে আপনি কী আমাকে ঐ অর্থের উপর ৪০% হারে সুদ দেবেন?

ওয়াশিংটন পোস্ট :সম্ভবত না।

শেখ হাসিনা :সম্ভবত না, ঠিক আছে। নিউইয়র্কে যদি এটি আপনার জন্য সম্ভব না হয়, তাহলে বাংলাদেশের মত একটি গরিব রাষ্ট্রের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিবের চেয়েও গরিব মানুষের পক্ষে ঐ পরিমাণ সুদ পরিশোধের মত আয় করা কি সম্ভব? এ ধরনের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আপনি কীভাবে দাবি করেন যে, দারিদ্র্য হ্রাস করছেন? এখন সরকার থেকেই সর্বসাধারণকে ক্ষুদ্রঋণ দেয়া হচ্ছে; কখনো কখনো তা সুদমুক্তভাবে দিচ্ছি; আবার কখনো বা ৩% থেকে ৫% সুদে দেয়া হচ্ছে। গৃহায়নের কথা বলা যায়, আমরা এনজিওকে টাকা দিচ্ছি ১% সার্ভিস চার্জ নিয়ে। এরপর এনজিওকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, তারা কোনভাবেই ৫%-এর বেশী সুদ নিতে পারবে না।

ওয়াশিংটন পোস্ট :তাহলে কোন ব্যাংকই ৫%-এর বেশী সুদ নিচ্ছে না?

শেখ হাসিনা :না, এটি হচ্ছে বিশেষ একটি তহবিল যা আমরা সৃষ্টি করেছি। বাংলায় যাকে বলা হয় গরিবের জন্য বাড়ি তৈরি করো। এ ব্যাংক থেকে মানুষ শুধু বাড়ি নির্মাণের জন্য ঋণ নিতে পারেন। আমরা এটি চালু করেছি বাড়ি তৈরির জন্য মানুষকে উত্সাহ প্রদানের জন্য।

ওয়াশিংটন পোস্ট :জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য বিরাট একটি সমস্যা। ইতিমধ্যেই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, এ শতাব্দির শেষে বাংলাদেশের এক চতুর্থাংশ পানির নীচে তলিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনি যখন ভয়ঙ্কর এ সংবাদ জানলেন তখন কেমন লেগেছে আপনার?

শেখ হাসিনা :গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে বাস্তবে ভূমিকা না থাকলেও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত  দেশগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ব্যাপারে সহায়তার হাত না বাড়ালে  সরকারের গৃহীত উন্নয়ন পরিক্রমা ভেস্তে যাবে, অসংখ্য মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে। বাসস্থান, খাদ্য ও চিকিত্সা সংকট দেখা দেবে। অর্থনীতি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাসে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটবে এবং অনেকে গৃহহারা হয়ে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজবে। এটি অভ্যন্তরীণ সমস্যাই হবে না, বহুদেশকেও তা আক্রান্ত করবে। এ সমস্যা সমাধান করা বাংলাদেশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ গ্রহণে এগিয়ে আসতে হবে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে সরকার একটি নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট :জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে বড় ধরনের যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে সে সম্পর্কে জানাবেন কী?

শেখ হাসিনা :আমার সরকার জলবায়ু পরিবর্তন রোধে একটি কর্মকৌশল এবং এ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছে। জরুরি প্রয়োজনে এটি প্রয়োগ করা হবে। কর্মপরিকল্পনাটি ছয়টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত। সরকার ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড’ আইন প্রণয়ন করেছে। এর ফলে নিজস্ব সম্পদ থেকে অর্থের জোগান দেয়া সম্ভব হবে। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩০০ মিলিয়ন ডলার (২১০০ কোটি টাকা) বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা পেতে ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে। তবে এজন্য উন্নত দেশগুলোকে প্রতিশ্রুতি পালন ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য এগিয়ে আসতে হবে।

ওয়াশিংটন পোস্ট :র্যাব নিজেরাই বিচার করছে অর্থাত্ জুরি বোর্ডের সদস্য হচ্ছে এবং রায় কার্যকর করছে অর্থাত্ বিনা বিচারে তারা মানুষ হত্যা করছে বলে অনেকের ধারণা এবং তারা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে রয়েছে? এটি কি ঠিক?

শেখ হাসিনা :এটি ঠিক নয়, বাংলাদেশে আইন আছে। বিধি-বিধান আছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন এবং তাদের বিধি অনুযায়ী কাজ করতে হয়। বাংলাদেশে এক সময় সন্ত্রাসবাদী তত্পরতা ছিল। বর্তমান সরকারের সময় সন্ত্রাসবাদী তত্পরতা কমেছে।

ওয়াশিংটন পোস্ট :তাহলে লোকজনের মধ্যে র্যাব সম্পর্কে যে ধারণা রয়েছে তা সত্য নয়?

শেখ হাসিনা :কেউ অন্যায় কিছু করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হয়। তবে অতীতে র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

ওয়াশিংটন পোস্ট :আমি বহুভাবে শুনেছি যে, র্যাব কোন ধরনের জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করছে।

শেখ হাসিনা :এটি পুরোপুরি ভুল। র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০০৪ সালে। ঐ সময়কার সরকার র্যাবকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে—এটি খুবই সত্য। অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে র্যাব দিয়ে। এক সময় তারা এতই ক্ষমতাশালী হয়েছিল যে, কেউ তাদের অপকর্মের প্রতিবাদের সাহস পায়নি। আমার মনে হচ্ছে আমিই প্রথম প্রতিবাদ করেছিলাম। আমরা সরকার গঠনের পর থেকে র্যাব আইন অনুযায়ী কাজ করছে এবং রাজনৈতিক কারণে কাউকে হেনস্তার ঘটনাও নেই। আপনি যদি র্যাবের কার্যক্রমের ওপর নিরপেক্ষ দৃষ্টি রাখেন তাহলে তা অনুধাবনে সক্ষম হবেন। যদি র্যাবের কোন ব্যক্তি অথবা কোন সদস্য নিয়ম-নীতির পরিপন্থিভাবে কোন অন্যায় করে তাহলে তাদের বিচারের সম্মুখীন হতে হয়। বিচারে তারা চাকরিও হারাতে পারে। তবে একটি বিষয় আপনাদের দেখা উচিত যে, আমরা সরকার গঠনের পর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমাতে সক্ষম হয়েছি।

ওয়াশিংটন পোস্ট :সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশ কীভাবে সফল হয়েছে?

শেখ হাসিনা :২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩টি জেলায় আধঘণ্টার মধ্যে পাঁচশ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গ্রেনেড হামলা হয়েছে। এতে ২২ জন নিহত হয়েছেন। ঐ হামলায় আমিও আহত হই। আমরা সরকার গঠনের পর সন্ত্রাস নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি এবং এতে সাফল্য এসেছে। গত আড়াই বছরে কোনো বোমা হামলা হয়নি, সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ও র্যাবসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কঠোর পরিশ্রম করছে। সন্ত্রাসের ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে। স্থানীয় মসজিদের ইমাম, কম্যুনিটি লিডার এবং সমাজকর্মীদের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে আমি একটি বিষয় এখনো বুঝতে পারি না যে, আগের সরকার র্যাব দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করেছে, সে সময় কেউ তার প্রতিবাদ করেননি। আর এখন আমরা যখন সন্ত্রাসবাদ কমিয়েছি তখন কোন কোন মহল আমাদের সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বদনাম শুরু করেছে। এটি কেন ঘটছে তা বুঝতে পারি না।

ওয়াশিংটন পোস্ট :তাহলে আপনি ভাবছেন যে, র্যাব সম্পর্কে মানুষের যে অভিযোগ তা সত্য নয়?

শেখ হাসিনা :অবশ্যই, অন্যায় করে কেউ রেহাই পেয়ে যাবে এমন ব্যবস্থা বাংলাদেশে নেই।

সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক অনুপ কাফলে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV