কর্মক্ষেত্রে সুখী মানুষরা যে সুবিধা ভোগ করেন
ডেনমার্ক ভিত্তিক ‘ওহো ইনক.’ এর চিফ হ্যাপিনেস অফিসার আলেক্সান্ডার জেরাল্ফের মতে, কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর অব্যর্থ উপায় হাসি ও আনন্দের মাধ্যমে কাজ করা। ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েসন অব প্রফেশনাল ওমেনস অ্যানুয়াল নেটওয়ার্কিং কনফারেন্স-এ বারবারা করকোরান জানান যে, তার অফিসের সকল কর্মী কাজের প্রতি দারুণ মনযোগী। কারণ তারা ব্যাপক আনন্দ নিয়ে কাজ করেন। এই বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার কর্মস্থলে যদি আনন্দের সঙ্গে কাজ করতে পারেন তবে সে কাজ হবে সবচেয়ে উৎপাদনশীল।
আলেক্সান্ডার জেরাল্ফ বলেন, কর্মক্ষেত্রে সুখী মানুষরা যে সুবিধা ভোগ করেন তা হলো-
অন্যের সঙ্গে ভালমতো কাজ করতে পারেন,
অভিযোগের পরিবর্তে সমস্যা সমাধানে আগ্রহী থাকেন,
কাজের স্পৃহা বেশি থাকে,
অনেক বেশি সৃষ্টিশীল, আশাবাদী, উদ্দীপক এবং স্বাস্থ্যকর মন-মানসিকতা নিয়ে চলেন,
ভুলের বিষয়ে সচেতন থাকেন,
দ্রুত শিখতে পারেন এবং
ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের গবেষক প্রফেসর টেরেসা অ্যামাবাইল বলেন, কর্মক্ষেত্রে সৃষ্টিশীলতা সফলতা আনে। আর সৃষ্টিশীলতার জন্য আনন্দহীন পরিবেশ নেতিবাচক। গবেষকরা দেখেছেন, প্রতিদিনের ছোটখাটো অভ্যাস, রুটিনমাফিক কাজ এবং পারস্পরিক আচরণ কর্মীদের মনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এগুলো কাজে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরও পরিবেশটাকে ইতিবাচক করে দেওয়া উচিত।
ছোট বিষয়–>মনমানসিকতা–>কর্মদ্যম :
গোটা বিশ্বের ১৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের আনন্দের সঙ্গে কাজের পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। শুধু আমেরিকা এবং কানাডার ২৯ শতাংশ কর্মীরা এই পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পান। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের পরিবেশ তৈরির যে পলিসি থাকে, সে তালিকায় একেবারে নিচের দিকে থাকে আনন্দঘন পরিবেশের কথা এবং অনেক ক্ষেত্রে থাকে না।
বহু গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে, কর্মীরা যদি হাসি-আনন্দের মাঝে কাজ করতে পারেন, তবে তাদের কাজের উৎপাদনশীলতা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি থাকে।
সুখ–>উৎপাদশীলতা–>লাভজনক :
আবার আপনি যদি বুঝতে না পারেন কীভাবে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করবেন, তবুও সমস্যা নেই। ২০১৪ সালে ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইক এর এক গবেষণায় এ জন্য সহজ দুটি পন্থা দেখানো হয়েছে। একটি হলো, একটি কৌতুকপূর্ণ ভিডিও দেখুন এবং দ্বিতীয়টি হলো, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিনামূল্য ফল বা চকোলেট বা পানীয় দিন।
এর অর্থ নির্দিষ্ট সময় এসব দিতে থাকবেন তা নয়। যেকোনো সময় যেকোনো উপায়ে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করাই আসল কাজ। একঘেয়ে কোনো মিটিংয়ের দিনটিকে আনন্দময় করতে কিছু একটা করুন। কোনো সমস্যা নিয়ে কাজ করতে করতে কর্মীরা ঝিমিয়ে পড়লে কিছুক্ষণ সবাই মিলে একটি হাসির ভিডিওচিত্র দেখুন। দেখবেন, কীভাবে নিমিষেই কর্মীদের কাজের মানসিকতা ফিরে এসেছে।
আর এভাবে কর্মীদের কাজের মানসিকতা বাড়িয়ে দিতে পারলে শেষ অবধি তাতে আপনার লাভের অংশও বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ, হাসি ও আনন্দপূর্ণ পরিবেশে কর্মীরা অধিক কাজ করেন এবং তা আপনাকে বেশি বেশি লাভ এনে দেয়। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan