Thursday, 23 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

কলোরাডোয় ফেসবুকে ব্যস্ত থাকায় ছেলের মৃত্যুর দায়ে মায়ের ৪৩ বছরের কারাদন্ড

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 102 বার

প্রকাশিত: January 20, 2011 | 12:40 AM

 বাংলা প্রেস: কলোরাডোয় ফেসবুকে ব্যস্ত থাকায় ছেলের মৃত্যুর দায়ে মায়ের ৪৩ বছরের কারাদন্ড প্রদান করেছে স্থানীয় একটি আদালত। সন্তানকে বাথটাবে রেখে ফেসবুকে ব্যস্ত থাকার সময় ১৩ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু ঘটায় আদালত শিশুটির মায়ের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে এ রায় দেন। কলোরাডোর ওই শিশুটির মা শ্যানন জনসন(৩৪)কে আদালত এ কারাদন্ড দেন। অভিযোগে বলা হয়, জনসন তার ১৩ মাসের শিশুকে বাথটাবে গোসল করতে দিয়ে ফেসবুকে মেতেছিলেন। একসময় তার সন্তানের কথা মনে হলেও ততক্ষণে সব শেষ।পানিতে ডুবে যায় ছোট্ট সন্তানটি।পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তাররা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।এ ঘটনায় জনসন আত্মপক্ষ স্বীকার করেন।গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। গত ১৪ জানুয়ারী শুক্রবার জনসনের বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন আইনের মামলায় শুনানি হয়। পুলিশের কাছে জনসন স্বীকার করেন, তিনি শিশুটিকে বাথটাবে রেখে অনলাইনে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় এবং ক্যাফে ওর্য়াল্ড খেলায় মেতে ছিলেন। তিনি বলেন, ওই দশ মিনিট কোনো শব্দই শুনতে পাননি। জনসন তার শিশুকে ডুবন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে সাহায্যের জন্য পুলিশকে ফোন করে। পুলিশ জনসনের বাড়িতে পৌঁছে ল্যাপটপে ফেসবুক খোলা দেখতে পায়। জনসন প্রায়ই শিশুটিকে বাথটাবে একা ছেড়ে দিতেন। জনসনের মাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি পুলিশকে বলেন, তিনি প্রায়ই এ বিষয়ে জনসনকে সর্তক করতেন। শিশুকে একা রেখে অন্য কাজে ব্যস্ত হওয়া সম্পর্কে জনসন বলেন, এটা তার বোকামি ছিল। ওয়েলড কাউন্টি ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নির কার্যালয়ের মুখপাত্র জেনিফার ফিঞ্চ বলেন, গত শুক্রবার শুনানিতে জনসন সাধারণ ক্ষমার আবেদন করেছেন। 

 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV