কাবুলে রাতের আঁধারে ওবামা: যুদ্ধ জয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত
মিনারা হেলেন, বাংলা প্রেস: বড়দিনের আগে কোনো একদিন আফগানিস্তান সফরের পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার। কিন্তু গত ৩ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে হঠাৎ বিশেষ বিমানে করে কাবুলে নামেন ওবামা। ঝটিকা সফরের পুরো চার ঘণ্টাই ছিলেন বাগরামে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে। সেনাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তালেবানবিরোধী যুদ্ধ জয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।সেখান থেকেই শনিবার ভোরে ওয়াশিংটনের পথে উড়াল দেন তিনি।

উইকিলিকসের মাধ্যমে সম্প্রতি আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই সম্পর্কে মার্কিন কূটনীতিকদের দৃষ্টিভঙ্গি ফাঁস হয়ে গেছে। ‘এতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চিড় ধরবে না’ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন যতই এ কথা বলুন, ওবামা প্রশাসন ঠিকই উদ্বিগ্ন। ঠিক এমন সময় আফগানিস্তান সফরে এসে ওবামাও যেন সেই যুক্তির পক্ষেই সায় দিলেন।প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর আফগানিস্তানে ওবামার দ্বিতীয় সফর এটি। এর আগে গত মার্চে কাবুল সফর করেন তিনি। নিরাপত্তার কারণে এবারের সফরের ব্যাপারে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। শুক্রবার রাতে কাবুল নেমেই সরাসরি বাগরামে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে যান ওবামা। সেখানে প্রায় চার হাজার মার্কিন সেনার উদ্দেশে বক্তৃতা দেন। এতে বলেন, ‘তালেবানদের দুর্গ ধ্বংস করতে যাচ্ছি বলে জানিয়েছি আমরা। আপনারা এই কাজটিই করছেন। আপনারা লক্ষ্যে পৌঁছাতে যাচ্ছেন এবং মিশনে সফল হতে চলেছেন। তবে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কঠিন সময় পার করতে হতে পারে বলেও সতর্কতা উচ্চারণ করেন তিনি।ওবামা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে আবারও হামলা চালাবে এমন সন্ত্রাসীদের জন্য এই দেশটিকে নিরাপদ আস্তানা হতে দিতে পারি না আমরা। এই এলাকাটি বিশ্বের সমন্বিত প্রচেষ্টার এমন একটি স্থান যেখানে আল-কায়েদা এবং তার চরমপন্থী মিত্রদের ধ্বংস এবং পরাজিত করব আমরা। এ কারণেই আমরা এখানে আছি।’ বক্তৃতা শেষে ওবামা সেনাদের সঙ্গে হাত মেলান এবং ছবি তোলেন। আফগানিস্তানে ন্যাটো বাহিনীর প্রধান ডেভিড পেট্রাউস এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত কার্ল এইকেনব্যারি এ সময় ওবামার সঙ্গে ছিলেন।পরে বাগরাম ঘাঁটির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সেনাদের সঙ্গে দেখা করেন ওবামা। আহত পাঁচ সেনাকে সামরিক পদক ‘পার্পল হার্ট’ প্রদান করেন সে সময়। বাগরাম থেকে হেলিকপ্টারে করে আফগান প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে যাওয়ার কথা ছিল ওবামার; কিন্তু তাতে বাদসাধে খারাপ আবহাওয়া। তাই কারজাইয়ের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের পরিবর্তে টেলিফোনে আলাপ সারেন। আলাপ চলে ১৫ মিনিট। তবে এ সময় দুজনের কেউই ফাঁস হওয়া তথ্যের প্রসঙ্গ টানেননি বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। বর্তমানে আফগানিস্তানে নিযুক্ত দেড় লাখ ন্যাটো সৈন্যের মধ্যে এক লাখই আমেরিকার।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি