Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
সব ক্যাটাগরি

কারে বলে নারীবিদ্বেষী?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 151 বার

প্রকাশিত: October 17, 2012 | 8:47 PM

ডেস্ক : ইংরেজি ‘মিসোজিনি’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ ‘নারীবিদ্বেষ’। তবে অভিধানের এ অর্থে এখন পর্যন্ত আচরণিক তথা শরীরী প্রকাশের দিকটিই প্রাধান্য পায়। যদিও গত বিশ-তিরিশ বছরে, বিশেষ করে নারীবাদী ডিসকোর্সে এর প্রয়োগের পরিধি অনেক বিস্তৃত হয়েছে; যাতে দৃষ্টিভঙ্গিগত অনেক কিছুই বিবেচিত হয়। মিসোজিনির সংজ্ঞার আওতায় নারীর প্রতি পুরুষের বিদ্বেষমূলক কোনো কোনো আচরণ বা মনোভাব অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, সে ব্যাপারে প্রশ্ন উঠেছে অস্ট্রেলিয়ায়। প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করে দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। সম্প্রতি পার্লামেন্টে দেওয়া তাঁর বক্তব্যের রেশ ধরেই ম্যাককোয়ারি ডিকশনারি কর্তৃপক্ষ ‘মিসোজিনি’র সংজ্ঞার সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুলিয়া গিলার্ড অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে বিরোধী নেতা টনি অ্যাবোটের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। অ্যাবোটের বিরুদ্ধে ‘লিঙ্গবৈষম্যবাদ’ ও ‘নারীবিদ্বেষ’-এর অভিযোগ তোলেন জুলিয়া। তিনি অ্যাবোটকে ‘ভণ্ড ও লিঙ্গবৈষম্যবাদী’ অভিহিত করেন। জুলিয়ার বক্তব্য সুধীমহলে যেমন প্রশংসিত হয়েছে, তেমনি সমালোচিতও হয়েছে। সমালোচকরা বলেছেন, ‘মিসোজিনি’ কথাটি ভাবে ও অর্থে ‘লিঙ্গবৈষম্যবাদ’-এর চেয়েও বেশি কিছু। তাঁদের মতে, অ্যাবোট নারীবিদ্বেষী তথা মিসোজিনাস নন। ম্যাককোয়ারি ডিকশনারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ‘মিসোজিনি’ শব্দের সংজ্ঞা আরো বিস্তৃত করতে যাচ্ছে। তাদের অভিধানে শব্দটির যে সংজ্ঞা দেওয়া আছে তাতে বলা হয়েছে, এর মানে নারীর প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ, যা একধরনের রোগ। ম্যাককোয়ারির সম্পাদক সু বাটলার জানান, শব্দটির সংজ্ঞা পরিবর্তনের সময় হয়েছে। গিলার্ড যা বোঝাচ্ছেন শুধু তার আলোকেই নয়, অস্ট্রেলীয়দের নিত্য কথোপকথনে যেভাবে এটি ব্যবহার হয়ে আসছে সেটাও বিবেচনা করা হয়েছে। এবিসি রেডিওকে এক সাক্ষাৎকারে বাটলার বলেন, ‘আমরা জানি শব্দটির মূল সংজ্ঞায় নারীর প্রতি বিদ্বেষের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। কিন্তু গত বিশ-তিরিশ বছর শব্দটি শুধু প্রচলিত অর্থেই ব্যবহৃত হচ্ছে না। বিশেষত নারীবাদীদের মতে, এর অর্থ আরো বিস্তৃত।’ সম্পাদক বাটলার বলেন, জুলিয়া গিলার্ড ‘নারীর ব্যাপারে কুসংস্কারাচ্ছন্ন’ অর্থে কথাটি ব্যবহার করেছেন। আগামী বছর যে সংস্করণ প্রকাশ করা হবে তাতে জুলিয়া নির্দেশিত অর্থকে মিসোজিনির দ্বিতীয় সংজ্ঞা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সাধারণত কাউকে যখন নারীবিদ্বেষী অভিহিত করা হয়, তখন শুধু নারীর প্রতি ওই ব্যক্তির বিদ্বেষ বা রাগের আচরণিক দিকটিই প্রকাশ পায়। কিন্তু নারীবিদ্বেষী মনোভাবের পেছনে নারীর প্রতি তার বিবিধ নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিও থাকে, থাকে অন্য কোনো ইঙ্গিতও। বাটলার জানান, জুলিয়া শব্দটি যে অর্থে ব্যবহার করেছেন তা এমন কাউকে ইঙ্গিত করে, যিনি নারীকে নিজের চেয়ে হেয় মনে করেন। আগামী বছর ডিকশনারিতে মিসোজিনি শব্দের নতুন যে সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হবে তাতে শব্দটির অর্থ লিঙ্গবৈষম্যবাদের কাছাকাছি হলেও সেটি হবে আরো বিস্তৃত, তীক্ষ্ন ও ক্ষুরধার। সূত্র : টেলিগ্রাফ, জিনিউজ।কালের কণ্ঠ

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV