Friday, 24 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জারকে ৯ প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 76 বার

প্রকাশিত: May 31, 2011 | 12:21 AM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি এ দেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ আখ্যায়িত করে ব্যাপক সমালোচিত হন। সমপ্রতি তিনি টাইম ম্যাগাজিনকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তার কাছে ৯টি প্রশ্ন উত্থাপন করা হয় বিভিন্ন বিষয়ে। তার জবাব দিয়েছেন তিনি নিজের মতো করে। এখানে তার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: চীনকে কি আমেরিকার ভয় পাওয়া উচিত?
উত্তর: আমেরিকার উচিত চীনকে বোঝা। তাকে ভয় পাওয়া নয়।
প্রশ্ন: কেন?
উত্তর: যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একে অন্যকে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ভয় পাওয়ার প্রবণতা দেখায়। আমেরিকার সেনারা চীনকে ঘিরে রেখেছে- এ নিয়ে চীন ভীত। অন্যদিকে চীন এশিয়ায় তার আধিপত্য বিস্তার করছে- এমনটা ভয় আমেরিকার। আমেরিকা মনে করে এর মাধ্যমে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে এশিয়া থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। আমি মনে করি, আমাদের উচিত অভিন্ন কিছু প্রকল্প খুঁজে বের করা, যা নিয়ে আমরা একত্রে কাজ করতে পারি। এর ফলে সহযোগিতার মনোভাব গড়ে উঠবে। আমাদের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে আমি বলতে পারি আমেরিকানরা বেশির ভাগ সমস্যাকে সমাধানযোগ্য করেছে। যখনই আমাদের সামনে কোন ইস্যু উত্থাপিত হয়, তখনই আমরা চিন্তা করি তা কিভাবে সমাধান করা যাবে। তারপর তা সমাধান করা হয়। আমাদের ইতিহাস সফলতার। অন্যদিকে চীনের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরনো। সেখানে কোন সমস্যারই চূড়ান্ত সমাধান নেই। সেখানে প্রতিটি সমস্যার সমাধান আরেকটি সমস্যার জন্ম দেয়। চীনাদের কাছে ইতিহাস একটি জীবন্ত বাস্তবতা। এখানেই আমাদের মনস্তত্ত্বের পার্থক্য।
প্রশ্ন: চীনা সরকারের পক্ষে আপনার প্রতিষ্ঠান কাজ করে। এ জন্যই কি চীন সম্পর্কে আপনার ধারণা আশাব্যঞ্জক?
উত্তর: আমরা কোন দেশের সরকারকে আমাদের এজেন্ট হিসেবে নিই না। কোথাও না। আমরা চীনা সরকারের কাছ থেকে কোন অর্থ নিই না। চীনের কোন সম্পদও ব্যবহার করি না।
প্রশ্ন: আপনি কি তথাকথিত ‘উত্তাল আরব’ নিয়ে কোন আশা পোষণ করেন?
উত্তর: এটা এক ঐতিহাসিক অসাধারণ মুহূর্ত। আমি বিশ্বাস করি এর কোন দরকার ছিল না অথবা গণতান্ত্রিক বিপ্লব মনে হয় না। এখন একটি গণতান্ত্রিক বিপ্লবে আমরা কিভাবে অংশ নিই, তাই দেখার বিষয়।
প্রশ্ন: আমরা বুঝতে পারছি, বিদেশী হস্তক্ষেপ ছাড়াই ওই অঞ্চলে শাসন-ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু আপনি কি মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাকের জন্য আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে?  
উত্তর: মার্কিন কংগ্রেসের চার-পঞ্চমাংশ যেমন ইরাক যুদ্ধের জন্য সমর্থন দিয়েছিল, আমিও দিয়েছিলাম। তা হয়তো তারা আজ ভুলেই গেছে। সাধারণ অর্থে আমি বিশ্বাস করি না যে সামরিক শক্তি কোন শাসনযন্ত্রের পরিবর্তন আনতে পারে। তবুও অনেকে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে এটাকেই বেছে নেয়।
প্রশ্ন: আর এখন?
উত্তর: এটা এমন হতে পারে যে, ইরাক এমন একটিমাত্র দেশ হবে যেখানে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার থাকবে। কিন্তু আমি এই অর্জনের জন্যই কি যুদ্ধের অনুমতি দিয়েছিলম। আমি বলব, না।
প্রশ্ন: আপনার মতো যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রীরা যাতে বিচারের মুখোমুখি না হন, সেজন্যই কি যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের সদস্য নয়?
উত্তর: আন্তর্জাতিক আদালতের আমরা সদস্য নই এ কারণে যে, সেখানে যেসব কাজ থাকে এবং তা যাদের ওপর ছেড়ে দেয়া হয় তারা বিভিন্ন দেশ থেকে আসেন। তাদের অনেকে ওইসব বিষয়ে ভাল করে বোঝেও না।  ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের ব্যাপারে আমার কোন আগ্রহ নেই। আমি নিজে বিচারের মুখোমুখি হব না এমন বিন্দুমাত্র ভয় থেকেও আমি মুক্ত নই।
প্রশ্ন: আপনার নামের প্রথম শব্দ হাইঞ্জ। এ নামেই কি পরিচিত থাকতে চান?
উত্তর:  না, একটি মুহূর্তের জন্যও না।
প্রশ্ন: আপনাকে নিয়ে গান গেয়েছেন মন্টি পাইথন থেকে বব ডিলন। এর মধ্যে কে আপনার প্রিয়?
উত্তর: এ প্রশ্নের উত্তরে আপনি শক খাবেন। আসলে তাদের কেউই আমার প্রিয় নন। মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV