গবেষণার সহায়তায় স্মার্টফোন
অনলাইন ডেস্ক : গবেষণায় কাজে লাগবে স্মার্টফোন, টাকা-পয়সা, কাপড়-চোপড় এমনকি ভালো পরামর্শও দান করা যায়। জানা গেছে, মুঠোফোনের অব্যবহূত কম্পিউটিং ক্ষমতাকেও আপনি এবার দানের কাজে বা এর সহায়তায় ব্যবহার করতে পারবেন। এইডস চিকিত্সায় নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে এ কম্পিউটিং শক্তি নিয়ে কাজ করবেন গবেষকেরা।
সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ব্যবহারকারীরা তাঁদের অব্যবহূত কম্পিউটিং শক্তিকে এইডস সংক্রান্ত গবেষণার জন্য দান করতে পারবেন। অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে থাকা দানকৃত এই কম্পিউটিং শক্তির একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা নতুন চিকিত্সা পদ্ধতি উদ্ভাবনে কাজ করবেন। কম্পিউটিং শক্তি দান করার জন্য কোনো অর্থ খরচ হবে না তবে স্মার্টফোনে পূর্ণ চার্জ আর সেটা ওয়াই-ফাই সংযোগে থাকতে হবে। পাশাপাশি স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটটি তখন অব্যবহূত অবস্থায় থাকতে হবে।
কম্পিউটিং শক্তি দান করতে হলে বার্কলি ওপেন ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর নেটওয়ার্ক কম্পিউটিং বা ‘বিওআইএনসি’ অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে সক্রিয় করতে হবে। ২২ জুলাই এ অ্যাপ্লিকেশনটি গুগল প্লে স্টোরে উন্মুক্ত করেছে যুক্তরাজ্যের ওলসন ল্যাবরেটরির গবেষকেরা।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, অব্যবহূত অসংখ্য কম্পিউটিং শক্তি যখন একটি নেটওয়ার্কে আসবে তখন এ নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলো মিলে একটি সুপারকম্পিউটার তৈরি হবে, যা এ গবেষণায় কাজে লাগবে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যে প্রকল্পগুলো পরিচালিত হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘ফাইটএইডস—হোম’ ওলসন ল্যাবের এ প্রকল্পটির শক্তি জোগায় আইবিএমের ‘ওয়ার্ল্ড কমিউনিটি গ্রিড’ নামের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। ওয়ার্ল্ড কমিউনিটি গ্রিডের অধীনে গত এক দশকে বেশ কিছু প্রকল্পে কাজ করেছেন গবেষকেরা। তবে, এক্ষেত্রে এতদিন কেবল অব্যবহূত ল্যাপটপ আর ডেস্কটপ দান করার সুবিধা ছিল।
দাতব্য কাজে অব্যবহূত স্মার্টফোনের কম্পিউটিং শক্তি দান করার সুবিধা চালু হওয়া এবং গুগল প্লে স্টোরে এ অ্যাপ্লিকেশন উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজারের বেশিবার ‘বিওআইএনসি’ অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড হয়েছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, ক্রাউডসোর্সভিত্তিক এই সুপারকম্পিউটার ব্যবহারের ফলে গবেষণার খরচ কমে যাবে এবং গবেষণার ফল পাওয়া যাবে দ্রুত।
যুক্তরাজ্যের গবেষকেরা আরও জানিয়েছেন, সুপারকম্পিউটার ভাড়া নিলে ঘণ্টাপ্রতি এক হাজার মার্কিন ডলারের বেশি খরচ পড়ে যা দাতব্য সংস্থার পক্ষে জোগান দেওয়া সম্ভব হয় না। পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা পুরো কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করার সুযোগ পান না।
আইবিএমের একজন মুখপাত্র এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, স্মার্টফোনের কম্পিউটিং শক্তি কাজে লাগিয়ে যে গ্রিড তৈরি হবে তাতে গবেষণার কাজে সুবিধা পাবেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা অধিক শক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন বলে মনে করেন আইবিএমে মুখপাত্র আরি ফিসকিন্ড।
বর্তমানে এইডস ছাড়াও ‘সিসটোসোমায়াসিস’ নামে পরজীবী ঘটিত রোগ নিয়ে গবেষণা করছেন তাঁরা। গবেষকেরা এ রোগটির প্রতিষেধক তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছিলেন তিন দশক। স্মার্টফোন নেটওয়ার্কের সাহায্য নিয়ে রোগটির প্রতিষেধক তৈরির সময়কাল আরও কমিয়ে আনতে পারবেন বলে আশাবাদী তাঁরা।প্রথম আলো
- নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ : ড. খলিলুর রহমান
- নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান
- নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা
- New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt
- নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন
- বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের
- নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি
- HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD








