Wednesday, 22 July 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030 বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women Commerce Minister meets ECOSOC President and Vice-President to advance Bangladesh’s smooth LDC graduation
সব ক্যাটাগরি

গর্ভকালীন জটিলতায় বিশ্বে প্রতিদিন ১হাজার অন্তঃসত্ত্বা নারী মারা যাচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 184 বার

প্রকাশিত: September 18, 2010 | 12:06 AM

মিনারা হেলেন(বাংলাপ্রেস)-গর্ভকালীন এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় নানা জটিলতায় বিশ্বে প্রতিদিন এক হাজার নারী মারা যাচ্ছে। এর মধ্যে ৫৭০ জন আফ্রিকার সাব সাহরা অঞ্চলে, ৩০০ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এবং বাকিরা উন্নত দেশে মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে গত বুধবার এ কথা বলা হয়েছে। এ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর হার শতকরা ৩৪ ভাগ কমেছে। ১৯৯০ সালে বিশ্বে বছরে গর্ভবতী নারী মারা গেছে পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার। ২০০৮ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৮ হাজারে। এ সময়ের মধ্যে গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর হার বার্ষিক দুই দশমিক তিন শতাংশ কমেছে। তবে এ হার লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের চেয়েও কম। ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে প্রতি বছর মাতৃমৃত্যুর হার পাঁচ দশমিক পাঁচ শতাংশ কমাতে হবে। এমডিজি পরিকল্পনায় ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ৭৫ শতাংশ কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডবি্লউএইচও), ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে নতুন এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর প্রচুর রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ, উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিরাপদ গর্ভপাত গর্ভবতী নারীর মৃত্যুর পেছনে মূলত এ চারটি বিষয়কে বড় কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডবি্লউএইচওর মহাপরিচালক মার্গারেট চান বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে মাতৃমৃত্যুর হার কমে আসাটা ইতিবাচক। গর্ভবতী নারীর মৃত্যুতে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং তাতে কাজও হচ্ছে।’

ইউনিসেফের প্রধান অ্যান্থনি লেক বলেন, ‘মাতৃ স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং নারীর জীবন রক্ষার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে আমাদের আরো কিছু করা প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের কাছে সেবা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV