গার্বেজ ম্যান থেকে আমেরিকান স্বপ্নপূরণ!
আসিফ মুক্তাদির : আমেরিকায় আমার প্রথম কাজ ছিল একটি কফির দোকানে। কফি বানানোর পাশাপাশি ঝাড়ু দেওয়া, মাঝেমাঝে হাঁটু গেড়ে বসে, শুঁয়ে পুরো দোকান ধুঁতেও হতো। তবে আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ ছিল পুরো দোকানের গার্বেজ একটা নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে ফালানো। কারণ গার্বেজ ফেলতে গিয়ে দশ-পনেরো মিনিট ফোন চালানোর সুযোগ পাওয়া যেত। কফি বানাতে বানাতে যখন নাভিশ্বাস উঠে যেত তখন এই স্বল্প সময় কফি বানানো থেকে বিরতি নিয়ে শরীর যে আরাম পেতো তা বর্ণনা করার মতো নয়। গার্বেজ ফেলতে গিয়ে বেশি সময় লাগানোর জন্য প্রায়ই শ্রীলংকান ম্যানেজারের ধমক শুনতে হতো।
আমেরিকায় তখনো নতুন। নতুন আসা অভিবাসী হিসেবে পারিবারিকভাবে আমরা যে অবস্থায় ছিলাম সে অবস্থায় পড়াশোনা শুরু করার কল্পনা করার সাহস করাও অনেক বড় ব্যাপার ছিল। কফির দোকানে কাজ করি শুনে অনেক কাছের আত্মীয় স্বজন আম্মুকে ফোন দিয়ে বলত সারা জীবন পরিশ্রম করে, পড়াশোনা করে এখন শেষপর্যন্ত কফির দোকানে কাজ করতে হচ্ছে আমাকে; আমার পেছনে ব্যয় করা আম্মুর সারাজীবনের কষ্টই নাকি বৃথা গেছে।

সারাদিন কফি আর স্যান্ডউইচ বানাতে বানাতে শরীর ব্যথা নিয়ে ঘরে ফিরে যখন দেখতাম কাছের বন্ধুরা দেশে পড়াশোনা করছে, আর আমার পড়াশোনা শুরু করার কোন সম্ভাবনাই নেই তখন আম্মুকে জড়িয়ে ধরে পাগলের মতো কান্না করতাম। কি এক অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। আমার পরিবার ও কিছু কাছের মানুষের সহযোগিতায় সেই দু:সহ কষ্টের দিন পেছনে ফেলে এসেছি।
And you know, what is the most proudest moment for me in life so far? My mother called those relatives straight outta my gradution ceremony and told them, “I just finished my son’s graduation ceremony and he is driving me home now”. She was crying louldly in the backseat of the car holding my brother and saying, ” বুক ফাটিজিতো মাইনসোর ইতা মাত হুনিয়া, আইজ জীবন স্বার্থক”।
“Never stop dreaming. Wake up and chase your dreams”. I requested my parents to bare with me for another 3 years and I’m going to fulfill the biggest dream of my life.
That’s the beauty of USA. You can be a garbage man, at the same time you can achieve whatever you want in life. Land of oppurtunity- perfectly said. (সূত্র : আসিফ মুক্তাদির’র ফেইসবুক)
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি
- Dr. Titumir calls for UN-led debt relief mechanism to safeguard investment in children and women