চাঁদপুর-১ আসন শূন্য ঘোষণা, উপনির্বাচনের তফসিল শিগগিরই
ঢাকা: আওয়ামী লীগের সিনিয়র সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিল করে চাঁদপুর-১ আসন শূন্য ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার এক বিশেষ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
পাশাপাশি শূন্য আসনে দ্রুত উপনির্বাচন করার বিষয়ে কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। বুধবার কমিশন সচিবালয়ে কমিশনের এক বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এদিকে মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা কমিশন সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চাঁদপুর-১ আসন শূন্য ঘোষণা করার জন্য আজ (বুধবার) বিশেষ গেজেট প্রকাশ করা হচ্ছে। এর পর গেজেটের কপিসহ জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দেয়া হবে। স্পিকার সংসদে এ আসন শূন্য ঘোষণা করবেন।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যপদ বাতিলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। উপনির্বাচনে চাইলে মহীউদ্দীন খান আলমগীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে এ উপনির্বাচনের তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার আদালতের দেয়া রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর কমিশন মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলো।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ১৩ বছরের সাজা হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ৫১ ধারা অনুযায়ী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহীউদ্দীন খান আলমগীর নির্বাচন কমিশনে এবং পরে হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ২০০৮ সালে ১৮ই ডিসেম্বর চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি জয়নুল আবেদীন হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এরপর নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আপিল করলে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
নির্বাচনে তিনি চাঁদপুর-১ আসন (কচুয়া) থেকে অংশ নিয়ে এক লাখ সাত হাজার ৪৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র এহছানুল হক মিলন পান ৮০ হাজার ৮৭২ ভোট। অবশ্য সমপ্রতি উচ্চ আদালত দুর্নীতির মামলা থেকে মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মনোনয়ন বাতিলে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।
গত ১৫ই জুলাই আওয়ামী লীগ প্রার্থী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি মো. ফজলুল করিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন। ২০০৮ সালে ২৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সূত্র জানায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন কমিশন ভোলা-৩ আসনে আরেক সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিনের আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করে। এক্ষেত্রে চাঁদপুর-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করায় পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ওই আসনে উপনির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানা গেছে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গুরুতর অপরাধ-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি (এনসিসি)-র করা শীর্ষ দুর্নীতিবাজের তালিকায় থাকা মহীউদ্দীন খান আলমগীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে দুদক। এর মধ্যে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের দায়ে তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়। তার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের সচিব মোখলেছুর রহমান ২০০৭ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি একটি নোটিশ দেন। তিনি সম্পদের হিসাব না দেয়ায় একই বছরের ৬ই মার্চ তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুদক। এদিকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবী চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের আসন শূন্য ঘোষিত হওয়ায় নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোটের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে অবিলম্বে নির্বাচিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা কমিশন সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চাঁদপুর-১ আসন শূন্য ঘোষণা করার জন্য আজ (বুধবার) বিশেষ গেজেট প্রকাশ করা হচ্ছে। এর পর গেজেটের কপিসহ জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে চিঠি পাঠিয়ে দেয়া হবে। স্পিকার সংসদে এ আসন শূন্য ঘোষণা করবেন।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যপদ বাতিলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। উপনির্বাচনে চাইলে মহীউদ্দীন খান আলমগীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। তবে এ উপনির্বাচনের তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে তা এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার আদালতের দেয়া রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর কমিশন মহীউদ্দীন খান আলমগীরের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলো।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় ১৩ বছরের সাজা হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিসার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ৫১ ধারা অনুযায়ী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহীউদ্দীন খান আলমগীর নির্বাচন কমিশনে এবং পরে হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ২০০৮ সালে ১৮ই ডিসেম্বর চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি জয়নুল আবেদীন হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এরপর নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আপিল করলে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
নির্বাচনে তিনি চাঁদপুর-১ আসন (কচুয়া) থেকে অংশ নিয়ে এক লাখ সাত হাজার ৪৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র এহছানুল হক মিলন পান ৮০ হাজার ৮৭২ ভোট। অবশ্য সমপ্রতি উচ্চ আদালত দুর্নীতির মামলা থেকে মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মনোনয়ন বাতিলে ইসির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।
গত ১৫ই জুলাই আওয়ামী লীগ প্রার্থী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি মো. ফজলুল করিমের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ রায় দেন। ২০০৮ সালে ২৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সূত্র জানায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন কমিশন ভোলা-৩ আসনে আরেক সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মো. জসিম উদ্দিনের আসনটি শূন্য ঘোষণা করে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করে। এক্ষেত্রে চাঁদপুর-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করায় পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ওই আসনে উপনির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানা গেছে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গুরুতর অপরাধ-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি (এনসিসি)-র করা শীর্ষ দুর্নীতিবাজের তালিকায় থাকা মহীউদ্দীন খান আলমগীরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে দুদক। এর মধ্যে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের দায়ে তার ১৩ বছরের কারাদণ্ড হয়। তার সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের সচিব মোখলেছুর রহমান ২০০৭ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি একটি নোটিশ দেন। তিনি সম্পদের হিসাব না দেয়ায় একই বছরের ৬ই মার্চ তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুদক। এদিকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবী চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগদলীয় প্রার্থী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের আসন শূন্য ঘোষিত হওয়ায় নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চারদলীয় জোটের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে অবিলম্বে নির্বাচিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।
সর্বশেষ সংবাদ
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature