ছবিতে মানুষের বৈশিষ্ট্য কতটা প্রকাশিত হয়?
মানুষের মুখমণ্ডলে নানা রকমের ভঙ্গি ফুটে ওঠে। আর তা দেখে অন্যরা সেই ব্যক্তির মনোভাব অনুমান করার চেষ্টা করে থাকে। ফেসবুক বা টুইটারে অপরিচিত কোনো ব্যক্তির প্রোফাইল ছবি দেখেও অনেকে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে আন্দাজ করার চেষ্টা করে। এ ধরনের অনুমাননির্ভর ধারণা অনেক সময় মিলেও যায়। তবে ছবির মুখভঙ্গিতে প্রকাশিত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে বাস্তব মানুষটির পার্থক্য থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের একদল স্নায়ুবিজ্ঞানী সম্প্রতি এক গবেষণার ভিত্তিতে বলছেন, মুখভঙ্গি দেখে একজন মানুষের তিন ধরনের সামাজিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এগুলো হলো: তার কর্তৃত্ববাদী চরিত্র, সাহায্য করার মানসিকতা ও অন্যকে আকৃষ্ট করার ক্ষমতা।
ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী টম হার্টলির নেতৃত্বে ওই গবেষকেরা মানুষের মুখমণ্ডলের অনেক ছবি বা কার্টুন তৈরি করেন। এ ক্ষেত্রে ভ্রুর অবস্থা থেকে চোয়ালের আকৃতি পর্যন্ত মানুষের মুখমণ্ডলের ৬৫টি বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখা হয়। তারপর গাণিতিক হিসাব করে সেই কার্টুনগুলো তৈরি করা হয়। একদল স্বেচ্ছাসেবককে সেই কার্টুনগুলো দেখতে দিয়ে গবেষকেরা জিজ্ঞেস করেন, কোন ছবিটি কেমন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। ছবির মুখটি দেখে কি মনে হয় মানুষটি কর্তৃত্ববাদী বা দাপুটে চরিত্রের? সে কি যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের ইচ্ছার প্রকাশ ঘটাতে পারবে। অথবা সে কি আকর্ষণীয় এবং আবেগের সঙ্গী হতে পারবে? অথবা সে কি বন্ধুভাবাপন্ন অথবা সহায়ক হবে?
স্বেচ্ছাসেবকদের মতামত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গবেষকেরা দেখতে পান, মুখের নির্দিষ্ট কয়েকটি ভঙ্গিকে তাঁরা একেকটি সামাজিক বৈশিষ্ট্যের চিহ্ন বলে মনে করেন। বড় বা ডাগর চোখকে আকর্ষণীয়, পুরুষালি চেহারাকে দাপুটে আর লম্বা টানা হাসিমুখকে বন্ধুভাবাপন্ন বলে মনে করেন। টম হার্টলি বলেন, মুখভঙ্গি দেখে সামাজিক বৈশিষ্ট্য আন্দাজ করার প্রবণতা অস্বাভাবিক নয়। তবে মানুষের প্রতিক্রিয়ার সামঞ্জ্যসতার বিষয়টি বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ফেসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে মানুষের প্রোফাইল ছবির মুখভঙ্গি ওই মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখে। অবশ্য মুখভঙ্গি দেখে ধারণা করে নেওয়ার সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। একজন ব্যক্তির একটিমাত্র ছবি দেখে তার সম্পর্কে কোনো ধারণা করে নিলে সেটি পরে ভুলও প্রমাণিত হতে পারে। ফেসবুকে অনেক সময় একজন ব্যক্তির একটিমাত্র ছবি দেওয়া থাকে।
গবেষকদের মতে, তাঁদের প্রাপ্ত তথ্য কারও ব্যবসা বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সবচেয়ে ভালো মুখভঙ্গির ছবিটি তুলতে সহায়ক হতে পারে। মানুষ ছবি তোলার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সেরা সময়টি নির্ধারণ করতে পারবে। এ ছাড়া বাছাই করতে পারবে, কোন ছবিটি কী প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। কেউ যদি চায় তাকে অন্যের ভালো লাগুক, তবে লম্বা ও হাসিমুখের ছবি ব্যবহার করাই হবে আদর্শ। তবে ওই ছবি দেখে তার সম্পর্কে চূড়ান্ত ধারণা করে নেওয়াটা যুক্তিসংগত হবে না। কারণ, বিশেষ প্রয়োজনে ওই ব্যক্তি মুখভঙ্গি পাল্টে ছবি তুলতে পারে, যা হয়তো তার আসল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না। ইনডিপেনডেন্ট।প্রথম আলো
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes