মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকসহ জনরোষে ১১ দেশের ১৩ প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ
ইউএসএনিউজ ডেস্ক: মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক বা তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট জাইন আল আবিদিন বেন আলীসহ গত ১১ বছরে জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বিভিন্ন দেশের ১৩ জন শাসক। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে ওইসব শাসক ও গণআন্দোলনের কথা-
মিশর (ফেব্রুয়ারি ২০১১): শুক্রবার রাতে পদত্যাগ করেন মিশরের ৩ দশকের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। টানা ১৮ দিনের আন্দোলনে কমপক্ষে ৩ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
তিউনিসিয়া (জানুয়ারি ২০১১): বিক্ষোভের মুখে ২৩ বছরের ক্ষমতা ছেড়ে সৌদি আরবে পালিয়ে যান তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট জাইন আল আবিদিন বেন আলী। বিক্ষোভে প্রাণ হারান কমপক্ষে ২০০ মানুষ।
কিরগিজিস্তান (এপ্রিল ২০১০): কয়েকদিনের বিক্ষোভের পর বেলারুশে পালাতে বাধ্য হন কিরগিজ প্রেসিডেন্ট কুরমানবেক বাকিয়েভ। বিক্ষোভে নিহত হন ৮৭ জন।
কিরগিজিস্তান (মার্চ ২০০৫): পার্লামেন্ট নির্বাচনে দুর্নীতির রেশ ধরে তীব্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেন প্রেসিডেন্ট আসকার আকায়েভ। পালিয়ে যান রাশিয়ায়।
ইউক্রেন (নভেম্বর-ডিসেম্বর ২০০৪): রাশিয়াপন্থি ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ নির্বাচনে জিতলে দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন ভিক্টর। পুনর্নির্বাচনে জেতেন পশ্চিমাপন্থি ভিক্টর ইয়সচেনকো।
হাইতি (ফেব্রুয়ারি ২০০৪): ৪ সপ্তাহের বিক্ষোভ আর ১০০ লোকের প্রাণহানির মধ্যদিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট জিন বারট্রান্ড।
জর্জিয়া (নভেম্বর ২০০৩): ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়েন প্রেসিডেন্ট এডুয়ার্ড শোভার্ডনাদজ।
বলিভিয়া (অক্টোবর ২০০৩): বিদেশী তেল কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করায় ক্ষেপে ওঠেন বলিভিয়ানরা। ৬৫ জনের প্রাণহানির মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান প্রেসিডেন্ট গঞ্জালো সানচেজ দে লজাদা। তার উত্তরাধিকারী হন ভাইস প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেসা। দু’বছর পর জুনে সপ্তাহব্যাপী বিক্ষোভের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তিনিও।
আর্জেন্টিনা (ডিসেম্বর ২০০১): কৃচ্ছ্র সাধনের বিরোধিতাকারী ও পুলিশের সংঘর্ষে মারা যান ২৭ জন। ক্ষমতা ছাড়েন প্রেসিডেন্ট ফার্নান্দো দেলা রুয়া।
ফিলিপাইন (জানুয়ারি ২০০১): ব্যাপক দুর্নীতির কারণে জনতা ক্ষুব্ধ হয় প্রেসিডেন্ট জোসেফ এস্ত্রাদার ওপর। সেনাবাহিনীও সমর্থন দেয়। ৬ বছরের মেয়াদকালে প্রায় আড়াই বছর চলে প্রেসিডেন্ট বিরোধী আন্দোলন। জয় হয় জনতার।
সাবেক যুগোস্লাভিয়া (অক্টোবর ২০০০): নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগে আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়েন প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিক। তাকে পরবর্তী সময় জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ইকুয়েডর (জানুয়ারি ২০০০): নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় সৃষ্ট ক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত হন প্রেসিডেন্ট জামিল মাহমুদ।
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর