জাতিসংঘের কাছে মুসলমানদের নালিশ, ইসলামের অবমাননা সভ্যতার সংঘাত সৃষ্টি করে
|
ইউএসএিউজ ডেস্ক: ইসলামের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলো যেন আক্রমণ না করে সে জন্য জাতিসংঘকে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন মুসলিম দেশগুলোর বাদশা, আমীর ও প্রেসিডেন্টরা। তারা বলেছেন, ইসলামের বিরুদ্ধে যে হুমকি সৃষ্টি করা হচ্ছে তাতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নেতারা বলেন, ইসলামভীতির কারণে মুসলমান ও পশ্চিমাদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিচ্ছে।
আরব বিশ্বের এক মন্ত্রী একে ‘সভ্যতার সংঘাত’ বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলেছেন, ৯/১১-এর প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গির্জায় ঘোষণা দিয়ে পবিত্র কোরআন পোড়ানোর ঘটনা ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে ইসলামী নিদর্শনগুলোর প্রতি অবজ্ঞাই মুসলিম জাতির কাছে বড় আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সুদান থেকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ থামানোর উপায় নিয়ে পশ্চিমাদের করণীয় নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেন কাতারের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি। তিনি ইসলামকে সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলার নিন্দা জানান। ৯/১১-এর পর ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের’ জন্য যুক্তরাষ্ট্র অনেকটা দায়ী বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি ধিক্কার দিয়ে বলেন, ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসকে এভাবে গুলিয়ে ফেলার বিষয়ে আমরা একমত হতে পারি না। এটা ঐতিহাসিক ভুল। ওদিকে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমাদ আবুল ঘেইত বলেন, আমরা দেখছি পশ্চিমারা মুসলমানদের একটি সংঘাতে জড়িয়ে ফেলছে। এই সংঘাতে কট্টরপন্থি ছাড়া কেউ উপকৃত হবে না। এজন্য তিনি পশ্চিমা দেশগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান। অধিক প্রয়োজনে তিনি আইন সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক জাতিসংঘের কাছে অভিযোগ তোলেন- বিশ্বের প্রায় ১৫০ কোটি মুসলমান ইসলাম অপমাননার শিকার হচ্ছে। তিনি বলেন, এতে মুসলিম বিশ্ব ও পশ্চিমাদের মধ্যে শুধুই ব্যবধান বাড়ছে।
|
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি