জাতিসংঘে ইকুসক আয়োজিত হাই লেভেল সেগমেন্টে সিএআইআর প্রতিনিধি ড. রত্না কর্মকারের ভাষণ
হাকিকুল ইসলাম খোকন: “দি চ্যালেঞ্জেস অব মিলেনিয়াম ডেভেলাপ্মেন্ট গোল ২০১৫ প্রেজেন্টেড এ্যাট দি ২০১০ হাই লেভেল সেগমেন্ট ইকনমিক এন্ড সোশ্যাল কাউন্সিল, ইউনাইটেড নেশনস নিউইয়র্ক” বিষয়ের উপর ইকুসক আয়োজিত হাই লেভেল সেগমেন্টের শুনানীতে বাঙ্গালীদের একমাত্র এনজিও সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ফর আরব-ইসরায়েলী রিকনসিলিয়েশন (সিএআইআর) প্রতিনিধি প্রফেসার রত্না কর্মকার, পিএইচডি শুনানীতে বক্তব্য রাখেন।

২ দিন ব্যাপি এই কনফারেন্সে জাতি সংঘের অন্তর্ভূক্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি এবং জাতি সংঘে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন ও বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. একেএম মশিউর রহমান। এই সভা গুলিতে উপদেষ্টার সাথে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে আব্দুল মোমেন এবং ইকনমিক মিনিষ্টার মোঃ মজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ইকুসক-এর উন্নয়ন সহযোগিতা ফোরামের উচ্চ পর্যায়ের সভার উদ্বোধন করেন ইকুসক সভাপতি হামিদ আলী। ইকুসক উন্নয়ন সহযোগিতা ফোরামে জাতি সংঘে অন্তর্ভূক্ত এনজিওদের মাঝে বাঙ্গালীদের একমাত্র এনজিও ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ফর আরব-ইসরায়েলী রিকনসিলিয়েশন (সিএআইআর)-এর চেয়ারম্যান ড. শুধাংশু ভূষন কর্মকার, ভাইস চেয়ারম্যান ড. রত্না কর্মকার, মানবাধিকার নেতা রতন বড়ূয়া এবং সাংবাদিক ও এক্টিভিষ্ট হাকিকুল ইসলাম খোকন যোগদান করেন।

ইকুসক উন্নয়ন ফোরামে এনজিওদের মাঝে প্যানেল শুনানীতে প্রবাসী বাঙ্গালীদের একমাত্র ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ফর আরব-ইসরায়েলী রিকনসিলিয়েশন এর প্রতিনিধি প্রফেসর রত্না কর্মকার পিএইচডি ভাষণ দেন।
নিম্নে রত্না কর্মকার, পিএইচডি এর লিখিত ভাষণটি তুলে ধরা হলো:
দি চ্যালেঞ্জেস অব মিলেনিয়াম ডেভেলপ্মেন্ট গোল ২০১৫
প্রেজেন্টেড এ্যাট দি ২০১০ হাই লেভেল সেগমেন্ট ইকনমিক এন্ড সোশ্যাল কাউন্সিল,
ইউনাইটেড নেশনস, নিউইয়র্ক বাই রত্না কর্মকার, পিএইচডি.
ইন্টারন্যাশনাল কমিটি ফর আরব-ইসরায়েলী রিকনসিলিয়েশন (সিএআইআর)
মূল ইস্যুসমূহ/ এলাকাসমূহ
১) যে কোন সম্যক সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ পদপে হচ্ছে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষা শুরু করা বালক-বালিকাদের ক্ষেত্রে এটি একটি অবিচ্ছেদ্য বিষয়।
২) যদিও প্রতিটি জাতি বিশ্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করেছে, কম উন্নত দেশের বালিকারা হয় স্কুলে হাজিরা দেয় না অথবা তারা আগেই লেখা পড়ায় ইতি টানে।
৩) কম উন্নত দেশসমূহে প্রতিটি নব দম্পতিকে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশনের আগে একদিনের পরিবার পরিকল্পনা প্রশিণ নেয়া আবশ্যকীয় করতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা বাবদে প্রাপ্ত সম্পদ, সন্তানাদি প্রতিপালনের খরচাদি, অবাধ যৌন মিলনের কুফল বিষয়ে জোর দিতে হবে।
৪) নারীগণকে এই শিক্ষা দিতে হবে যে, যৌন হয়রানি বিষয়ে তারা ভূক্তভোগী, অপারাধী নয়। এই সংক্রান্ত সকল তথ্যাদির তাৎনিক নথিভূক্তিকরণ ও প্রকাশনা অত্যাবশ্যকীয়।
৫) প্রতিটি নারীকে এতদ্বিষয়ে যথাযথ অবহিত হতে হবে। যথার্থ তিপূরনের নিমিত্তে তাকে দাবি পেশ করতে হবে।
৬) আধুনিক পারিবারিক ধ্যান-ধারনায় বয়স্কদের সেবার বিষয়টি ফিরিয়ে আনলে নারীরাও সুবিধাভোগী হবেন। পুরুষদের সাথে দায়িত্বের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে নারী-পুরুষের সমতা আনয়নের শর্ত থাকা আবশ্যক।
৭) পরিশেষে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলের কমিটমেন্টের বিষয়ে দেশসমূহকে খোলা মন ও আন্তরিক হতে হবে। প্রত্যেকটি সদস্য দেশকে অবশ্যই জাতি সংঘে এতদ্বিষয়ে একটি বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করতে হবে। উক্ত প্রতিবেদনে প্রকল্প বাস্তবায়নে যাবতীয় সফলতা ও প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলির অন্তর্ভূক্তি থাকতে হবে। কোনরূপ বাধা ব্যতিরেকে প্রতিটি দেশের কাছ হতে এতদ্সংক্রান্ত ডাটা/ তথ্যাদি সংগ্রহ ও প্রকাশে স্বাধীন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহকে অবশ্যই অনুমতি প্রদান করতে হবে। ল্য বাস্তবায়নে এগুলি অত্যাবশ্যক। যদি প্রতিটি দেশের প্রতিবেদন ও ডাটা একটি তৃতীয় প দ্বারা নিরীতি হয়, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সফলতা এবং ব্যর্থতার অনুসরণ ও সংশোধনে অন্যান্য জাতিসমূহ পদপে নিতে পারে। জাতি সংঘের ইকনমিক এন্ড সোশ্যাল কাউন্সিলের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সীমিত অর্থায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এই উপায়ে সম্ভব। মাননীয় সভাপতি, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলের সফলতা অংশগ্রহণকারী সদস্য জাতির সফলতার উপর নির্ভর করছে। কোনরূপ অর্থবহ ল্য অর্জিত হবে না, যদিনা সঠিক নিয়মাবলীর যথাযথ প্রয়োগ ও সদস্য জাতিসমূহের দ্বারা তা অনুমোদিত না হয়। এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে মন্ত্রী পর্যায়ে সম্যক কমিটমেন্ট ও সহযোগিতা অত্যাবশ্যক। প্রতিটি দেশের উচিত হবে একজন উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাকে এতদ্বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সমন্বয় ও দায়িত্ব পালনে নিয়োগ করা। নাম ও যোগাযোগ তথ্যাদি জনসাধারণ্যে প্রকাশিতব্য। প্রতিটি দেশে একটি একক তথ্য কেন্দ্র থাকা বাঞ্ছনীয়। সকল তথ্যাদি কোনরূপ বিধি নিষেধ ছাড়া গ্লোবাল এবং জাতীয় সংস্থা/ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ দ্বারা পরীতি হতে হবে। তথ্যাদি গোপনে পৃথিবী এখন অপারগ। শীঘ্র অথবা বিলম্বে সকল তথ্য জনসাধারণ্যে প্রকাশ পাবেই। অধিকন্তু, তথ্যাদি গোপন কোন সমস্যার সমাধান করে না, ইহা কেবলমাত্র সাময়িকভাবে পাপোষের নীচে চাপা দিয়ে রাখে। মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বাস্তবায়নে সকল জাতি যেহেতু উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে, তাদের উচিত হবে না গঠনমূলক সমালোচনাকে ভয় পাওয়া।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি