জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘বাংলাদেশ এন্ড এমডিজিস : রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লেকচার অনুষ্ঠিত
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘বাংলাদেশ এন্ড এমডিজিস : রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লেকচার প্রদানকালে প্রফেসর জ্যাফরি ডেভিড সাকস বলেছেন, বিশ্বব্যাপী বৈষম্য নিরসন করা না গেলে মিলেনিয়াম ডেভেলভমেন্ট গোল পুরোমাত্রায় অর্জন করা কঠিন হবে। অনুষ্ঠানে স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ১৮ জুন বুধবার দুপুর একটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত জাতিসংঘের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দেশের এম্বাসেডর ও স্থায়ী প্রতিনিধি এবং মিডিয়ার উপস্থিতিতে প্রফেসর জ্যাফরি ডেভিড সাকস্ লেকচার প্রদান করেন। প্রথমে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ. কে আব্দুল মোমেন। তিনি প্রথমে প্রফেসর জ্যাফরি ডেভিড সাকসকে তাঁর মূল্যবান বিশেষজ্ঞ মতামত উপস্থাপনের আহবান জানান। ডেভিড সাকস তাঁর বক্তব্যে বলেন, বিশ্বব্যাপী বৈষম্য নিরসন করা না গেলে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল পুরোমাত্রায় অর্জন করা কঠিন। তিনি বলেন, জাতিসংঘ স্বীকৃত ৪৯টি স্বল্পোন্নত দেশ আজ বিশ্ব বাণিজ্যে প্রান্তিক অবস্থানে রয়েছে এবং তাদের উন্নয়নের জন্য উন্নত বিশ্বের দেশগুলোকে সুনির্দিষ্ট সহায়তা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ.কে আব্দুল মোমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ দূর্যোগ প্রবন দেশ হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল দূর্যোগ মোকাবিলা করা যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে তা শিখতে সক্ষম হয়েছে। যার অভিজ্ঞতা তিনি স্যান্ডিতে আঘাত হানা নিউইয়র্কেও কাজে লাগিয়েছেন। তিনি বলেন, মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জনের প্রধান অন্তরায় যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন। সেখানে বাংলাদেশ তা অর্জনের পথে রয়েছে। সুতরাং এখন প্রয়োজন শুধু উন্নত বিশ্বের সহায়তা। সে লক্ষ্য নিয়েই তিনি পিআর লেকচার সিরিজের যাত্রা শুরু করেছেন, যার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ মতামত মাধ্যমেই তিনি উন্নত বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চান।
সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের ইউএনডিপি’র পরিচালক খালেদ মালিক। তিনি বিশ্ব বাণিজ্যে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পিছিয়ে থাকা প্রসঙ্গে বলেন, উন্নত দেশগুলোকে তাদের বাণিজ্য নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো সহজে, বিনা শুল্কে রপ্তানী করতে পারে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে প্রযুক্তির ঘাটতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতিসংঘের আওতায় প্রযুক্তি ও গবেষণা কেন্দ্রের আঞ্চলিক কেন্দ্র স্বল্পন্নত দেশে স্থাপন করা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা সমাধানে তিনি উন্নত বিশ্বের দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতিসংঘে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সেখানে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে যথার্থ গুরুত্ব দিতে হবে, এবং তাদের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা আবশ্যক।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। আলোচকবৃন্দ তাঁদের মন্তব্যে স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে জরুরী ভিত্তিতে এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় সহায়তা প্রদানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁরা বলেন, বিশ্বের ধনী-গরীব দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে
বৈদেশিক সহায়তা থেকে স্বল্পোন্নত দেশগুলো প্রকৃত অর্থেই উপকৃত হয়।
- New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners
- এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে; ১৭ ডিসেম্বর উভয় পক্ষকে তথ্য-উপাত্ত জমার নির্দেশ
- নিউইয়র্কে নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক তাহসিন ফেরদৌসের অকালমৃত্যু, বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া
- নিউইয়র্কে আবেয়া’র দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ফ্যামিলি নাইট: প্রযুক্তি সেমিনার, জব ফেয়ার, বিজ্ঞান মেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব
- Global Anticipation Builds as Dr. Mostofa Sarwar’s Sunflower Wounds Debuts with Successful Houston Open House and Worldwide Pre-Order Milestone
- যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসায় অনিশ্চয়তা, আদালতের নির্দেশের পরও কাটেনি জট
- Human Rights Must Be at the Heart of Economic Governance and Policies: Ambassador Irene Khan