জাতিসংঘে মহীসোপানের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ
বাংলা প্রেস(নিউইংল্যান্ড): পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা: দীপু মনি জাতিসংঘে মহীসোপান বিষয়ক দাবি উপস্থাপন করেছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় রেখা থেকে ক্ষেত্রবিশেষে ৪০০ থেকে ৪৬০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত দাবি করা হয়। গত শনিবার তিনি কমিশনের কাছে সমুদ্র আইন ১৯৮২ এর ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এ দাবি উন্থাপন করেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এম এ মোমেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আনক্লস) খুরশীদ আলম প্রমুখ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০০৯ সালের ২১ মে মিয়ানমার ও ২৯ জুন ভারত সমুদ্রে মহীসোপানের মালিকানা বিষয়ক দাবি জাতিসংঘে উপস্থাপন করেছে।বাংলাদেশের দাবি তৈরিতে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছে জার্মান ফেডারেল ইন্সটিটিউট অব জিওসাইন্স এ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেচ, অ্যারেন্ডাল অব নরওয়ে জিআরআইডি, নিউহ্যাম্পসায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর কোষ্টাল এ্যান্ড ওশান ম্যাপিং বিভাগ, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্সটিটিউট অব ওশানোগ্রাফি ও কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অবজারভেটরি ইউনিট।কমনওয়েলথ সচিবালয়ের অর্থনৈতিক আইন সংশ্লিষ্ট বিভাগ বাংলাদেশের এই দাবি চুড়ান্ত করতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে। মহীসোপান নির্ধারণ সংক্রান্ত জাতিসংঘ কমিশনের সদস্য ড. হেরাল্ড ব্র্যাক্কেও বাংলাদেশকে দাবিনামা প্রস্ত্ততিতে সহায়তা করেছে। দাবি উপস্থাপন শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি সীমিত সম্পদের দেশের জন্য সমুদ্রসীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চুডান্ত সময়সীমা শেষ হওয়ার পাঁচ মাস আগেই বাংলাদেশ দাবি জানাতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের ট্রাস্ট ফান্ডের প্রতি বাংলাদেশের দাবি তৈরিতে প্রত্যক্ষ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ কথা জানানো হয়।বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলের দাবির বিষয়ে দুপাশের দুটি আড়াআড়ি লাইনের কারণে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। বিষয়টির সুরাহা না হওয়ায় গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাসসহ খনিজ অনুসন্ধান করতে পারছে না বাংলাদেশ।কূটনৈতিক সূত্র জানায়, আগামি তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যে এ সালিস শেষ হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ।মহীসোপানে বাংলাদেশের দাবির ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জোরেশোরে কাজ শুরু হয় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। সেসময় অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব ও সমুদ্র আইন বিশেষজ্ঞ এম এ কে মাহমুদের নেতৃত্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনক্লস উইং গতিশীল হয়ে ওঠে। ওই সময়ই বাংলাদেশের দাবির ব্যাপারে খসড়া অবস্থানপত্র তৈরি করা হয়। তার ভিত্তিতেই পরবর্তীতে কাজ এগিয়ে যায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে পরামর্শক হিসেবে কাজ করা নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা খুরশীদ আলমকে পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে আনক্লস উইংয়ের দায়িত্ব দেয় বর্তমান সরকার। জাতিসংঘে দাবি উত্থাপনের যুক্তি-তর্ক সম্বলিত দাবিনামা গত ২ ফেব্রুয়ারি অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা।
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.








