জাতিসংঘে শেখ হাসিনার ভাষণের সময় নিয়ে বিভ্রান্তিতে বিএনপি-জামাত জোট
নিউইয়র্ক থেকে এনাঃ জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের প্রকৃত সময় না জেনেই বিএনপি-জামাত জোটসহ সরকার বিরোধী বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ-সমাবেশের তারিখ ধার্য করা হয়েছে। এর ফলে সত্যিকার অর্থে শেখ হাসিনার ভাষণের সময় বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। জাতিসংঘের চলতি ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক ২৩ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ব্রাজিলের বক্তব্যের মাধ্যমে। দ্বিতীয় বক্তা হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বরাক ওবামা। এদিন সকালের বক্তব্য প্রদানকারী অপর দেশগুলো হচ্ছে শ্রীলংকা, কানাডা, কেনিয়া, চীন, কাতার, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক ইত্যাদি। অপরাহ্নে বক্তব্য রাখবেন ইরান, জর্দান, হন্ডুরাস, ইরাক, বেনিন প্রভৃতি। ৩ সেপ্টেম্বর তৈরী এ তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে ২৫ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলের সেশনে এবং ১৪ জনের মধ্যে শেখ হাসিনা হচ্ছেন ৯ নম্বরে। অথচ ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বলেছেন যে ২৭ সেপ্টেম্বর সকালের অধিবেশনে শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন। ১৭ সেপ্টেম্বর সর্বপ্রথম বাংলাদেশ মিশন থেকে বলা হয়েছে যে ২৫ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন। সর্বশেষ পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডা. দীপু মনির উদ্ধৃতি দিয়ে ঢাকার কোন কোন দৈনিকে আরো বলা হয়েছে যে, জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলাকে নাকি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে জাতিসংঘ সদর দফতরে যোগাযোগ করে বার্তা সংস্থা এনা ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জানতে পেরেছে যে, জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্তর্ভুক্তির একটি প্রস্তাব বাংলাদেশ থেকে কয়েক মাস আগে পেশ করা হয়েছে। ঐ প্রস্তাব নিয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন আলোচনাও হয়নি। জাতিসংঘে শেখ হাসিনার ভাষণের সময় বিএনপি-জামাত জোটের লোকজন বিক্ষোভ করার জন্যে প্রশাসনের অনুমতি নিয়েছেন ২৭ সেপ্টেম্বরের। সে অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র জাসাস, তারেক পরিষদ আন্তর্জাতিক কমিটি, মুসলিম লীগ প্রভৃতি সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্যুনিটিতে জনসংযোগও চালানো হচ্ছে। জাতিসংঘের দায়িত্বশীল মহলের সাথে যোগাযোগ করলে তারা এভাবে বিপাকে পড়তেন না বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে সাধারণ অধিবেশনের হাই লেভেল প্লেনারী মিটিংয়ে বাংলাদেশের বক্তব্য উপস্থাপনের কথা সন্ধ্যায় ৩২ নম্বর বক্তা হিসেবে।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি