Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
Women’s Participation Makes Peace and Security More Durable and Inclusive: Irene Khan সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিউইয়র্কে ২ বিলিয়ন ডলারের মহাপ্রকল্প দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে হাই লেভেল পলিটিক্যাল ফোরামের মন্ত্রী পর্যায়ের অধিবেশন : ভলান্টারি ন্যাশনাল রিভিউ সেশনে এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের জাতীয় রিপোর্ট উপস্থাপন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 13 বার

প্রকাশিত: July 17, 2017 | 11:12 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : জাতিসংঘ সদরদপ্তরে চলতি হাই লেভেল পলিটিক্যাল ফোরামের ভলান্টারি ন্যাশনাল রিভিউ (ভিএনআর) সেশনে ১৭ জুলাই “ইরাডিকেটিং প্রোভার্টি এন্ড প্রমোটিং প্রোসপারিটি ইন এ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড (Eradicating poverty and promoting prosperity in a changing world)” – শিরোনামে এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি বিষয়ক বাংলাদেশের জাতীয় রির্পোট উপস্থাপন করা হয়। ১৭ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত মন্ত্রী পর্যায়ের এই সেগমেন্টে ৪৪টি দেশ তাদের ন্যাশনাল রির্পোট উপস্থাপন করবে। বাংলাদেশকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫টি ভিশন, যথা: ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা, ২০৩০ সালে এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের মহাসড়কে উপনীত হওয়া, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়া, ২০৭১ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তিতে বাংলাদেশকে উন্নয়নের বিস্ময়ে পরিণত করা এবং ২১০০ সালে ডেল্্টা প্লান বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিরাপদ ব-দ্বীপ হিসেবে গড়ে তোলা- এ রিপোর্টে সন্নিবেশিত হয়।

এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ কোন অবস্থানে রয়েছে, চ্যালেঞ্জসমূহ কী এবং এসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশলসমূহ প্রতিফলনের পাশাপাশি এসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছে এই রিপোর্টে।এর আগে সকাল নয়টায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ এইচএলপিএফ- এর মন্ত্রী পর্যায়ের সেগমেন্ট উদ্বোধন করেন। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইকোসকের প্রেসিডেন্ট ফ্রেডলিক মুছিইওয়া ম্যাকামুরে সাভা (Frederick Musiiwa Mkamure Shava)। জাতিসংঘের মহাসচিবের পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট পিটার থমসন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রীর নেতৃত্বে ২২ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
দিনের শুরুতে সকাল ৮:১৫ মিনিটে বাংলাদেশ, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডের যৌথ আয়োজনে “রিচিং দ্যা এসডিজিস বাই মিনস অফ দ্যা প্রাইভেট সেক্টর: হাউ গভার্নমেন্টস ক্যান ফোস্টার প্রাইভেট সেক্টর কন্ট্রিবিউশনস টু দ্যা ২০৩০ এজেন্ডা (Reaching the SDGs by means of the Private Sector: How governments can foster private sector contributions to the 2030 Agenda)” শীর্ষক সাইড ইভেন্টে অংশ নেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে “কেউ পিছনে পড়ে থাকবেনা” মর্মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির পুনরুল্লেখ করে পরিকল্পনা মন্ত্রী এ সাইড ইভেন্টে প্রদত্ত বক্তৃতায় বলেন,“এসডিজি’র লক্ষসমূহের পূর্ণ বাস্তবায়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের নিবিড় সম্পৃক্ততা অত্যন্ত প্রয়োজন। এসডিজি অর্জনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ত্বরান্বিত করতে আমরা তিনটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছি, তা হলো: ১) ব্যবসা খাতকে উৎসাহিত করতে ব্যবসা সহায়ক পরিবেশ তৈরি, ২) ট্যাক্স ও ভর্তূকি নীতিমালার মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে প্রনোদনা প্রদান, এবং ৩) বহুজাতিক কোম্পানীর সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ”। পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ৭৭% বেসরকারি খাত থেকে আসে। বিদ্যুৎ সেক্টরে এ খাতের অংশগ্রহণ ৪৫%। আমাদের সরকার বেসরকারি খাতের পূর্ণ বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”।এছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাংলাদেশ আয়োজিত ফাস্ট ট্রাকিং পোভার্টি ইরাডিকেশন এন্ড এসডিজিস থ্রু দ্যা ডেটা রেভ্যুলেশন (Fast Tracking Poverty Eradication and SDGs through the Data Revolution) শীর্ষক সাইড ইভেন্টে অংশ নেন। এসডিজি বাস্তবায়নের মুখ্য সমন্বয়ক সঞ্চালিত এ অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস্তোনিয়ার পরিবেশ বিষয়ক উপমন্ত্রী আডো লোহ্মুজ (Ado Lohmus), নেপালের পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘ ও ইউএনডিপি’র উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানটিতে একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশের তথ্য বিপ্লবের বিষয়টি তুলে ধরা হয় এবং এটি এসডিজি বাস্তবায়নে ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কিভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে তা অবহিত করা হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রী রাতে জিপিইডিসি’র কো-চেয়ার হিসেবে জার্মানি ও উগান্ডার মন্ত্রীবর্গসহযোগে একটি নৈশভোজ আয়োজন করেন।এইচএলপিএফ-এর দিনব্যাপী কর্মসূচিতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনোমিকস ডিভিশনের সদস্য শামসুল আলম ও পিকেএসএফ-এর মহাপরিচালক আব্দুল করিম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব সমন্বয় ও সংস্কার এন এম জিয়াউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জিআইইউ এর মহাপরিচালক আব্দুল হালিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই- এর পলিসি এ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
আগামীকাল ১৮ জুলাই পরিকল্পনা মন্ত্রী জেনারেল ডিবেট- এ অংশগ্রহণ করে কান্ট্রি স্টেটমেন্ট প্রদান করবেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ